ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাবেক এমপি আনার হত্যার পরিকল্পনাকারী শিমুলের জামিন আওয়ামী লীগের পর বিএনপির দখলে, শেষ পর্যন্ত উচ্ছেদে গুঁড়িয়ে গেল অবৈধ স্থাপনা ৫ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়েছে, দাবি শুভেন্দু অধিকারীর তনু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হাফিজুর আবারও কারাগারে ভাইরাল সেই ‘সুন্দরী’ নারী আসামি, সামনে এলো আসল পরিচয় ঋণের কিস্তি পরিশোধের দুশ্চিন্তা, গলায় ফাঁস দিয়ে প্রাণ দিলেন প্রবাসীর স্ত্রী রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা ব্রাজিলের জালে ৭ বা তার বেশি গোল দিতে পেরেছে যারা পুলিশে যোগদানের ২০ বছর পর প্রশিক্ষণ নিতে গিয়ে এসআইয়ের মৃত্যু ইসরায়েলে ছোড়া ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেনি যুক্তরাষ্ট্র

গুম ও নিখোঁজের অন্যতম মাস্টারমাইন্ড অ্যাডিশনাল এসপি মশিউর রহমান গ্রেপ্তার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:০৩:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫
  • ৫৩৭ বার পড়া হয়েছে

বিরোধী মতাদর্শের নেতাকর্মীদের গুম ও নিখোঁজ করার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড হিসেবে পরিচিত বরিশাল রেঞ্জের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলেপ উদ্দিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) কর্মরত অ্যাডিশনাল এসপি মো. মশিউর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

 

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে সিআইডিতে দায়িত্ব পালনের সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিবি প্রধান মো. শফিকুল ইসলাম।

 

 

মশিউরের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুমের মামলা রয়েছে।

 

 

গ্রেপ্তারের পর এদিন বিকেল ৩টায় মো. মশিউর রহমানকে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

জানা যায়, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১১-তে কর্মরত থাকার সময় বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম ও বিভিন্ন অপেশাদার কর্মকাণ্ডে কুখ্যাতি অর্জন করেছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলেপ উদ্দিন। গত বছরের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনের চেষ্টায়ও তার সক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

 

সরকার পরিবর্তনের পর বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত থাকা অবস্থায় গত বছরের ১২ নভেম্বর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, র‌্যাব-১১ তে দায়িত্ব পালনকালে এসব অবৈধ কর্মকাণ্ডে আলেপ উদ্দিনের অন্যতম সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন অ্যাডিশনাল এসপি মশিউর রহমান।

 

রাজসাক্ষী হিসেবে দেওয়া জবানবন্দিতে সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনও আলেপ উদ্দিনের অপকর্মের বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ করেন। তিনি জানান, র‌্যাবের ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে কর্মরত অবস্থায় গুমসহ বিভিন্ন অবৈধ কাজে দক্ষ হওয়ায় আলেপকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রশ্রয় দিতেন।

 

এসব কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি বিশেষ কুখ্যাতি অর্জন করেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক এমপি আনার হত্যার পরিকল্পনাকারী শিমুলের জামিন

গুম ও নিখোঁজের অন্যতম মাস্টারমাইন্ড অ্যাডিশনাল এসপি মশিউর রহমান গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০১:০৩:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫

বিরোধী মতাদর্শের নেতাকর্মীদের গুম ও নিখোঁজ করার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড হিসেবে পরিচিত বরিশাল রেঞ্জের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলেপ উদ্দিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) কর্মরত অ্যাডিশনাল এসপি মো. মশিউর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

 

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে সিআইডিতে দায়িত্ব পালনের সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিবি প্রধান মো. শফিকুল ইসলাম।

 

 

মশিউরের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুমের মামলা রয়েছে।

 

 

গ্রেপ্তারের পর এদিন বিকেল ৩টায় মো. মশিউর রহমানকে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

জানা যায়, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১১-তে কর্মরত থাকার সময় বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম ও বিভিন্ন অপেশাদার কর্মকাণ্ডে কুখ্যাতি অর্জন করেছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলেপ উদ্দিন। গত বছরের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনের চেষ্টায়ও তার সক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

 

সরকার পরিবর্তনের পর বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত থাকা অবস্থায় গত বছরের ১২ নভেম্বর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, র‌্যাব-১১ তে দায়িত্ব পালনকালে এসব অবৈধ কর্মকাণ্ডে আলেপ উদ্দিনের অন্যতম সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন অ্যাডিশনাল এসপি মশিউর রহমান।

 

রাজসাক্ষী হিসেবে দেওয়া জবানবন্দিতে সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনও আলেপ উদ্দিনের অপকর্মের বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ করেন। তিনি জানান, র‌্যাবের ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে কর্মরত অবস্থায় গুমসহ বিভিন্ন অবৈধ কাজে দক্ষ হওয়ায় আলেপকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রশ্রয় দিতেন।

 

এসব কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি বিশেষ কুখ্যাতি অর্জন করেন।