প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, প্রায় ১৫ বছর ধরে তিনি “জামায়াতপন্থি ও সাবেক শিবিরকর্মী” — এই ধরনের গুজবের শিকার হয়ে আসছেন। শুক্রবার (১ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, তার পরিবারের ধর্মীয় পরিচয় সুফি মুসলমান এবং তাদের বিশ্বাস, চিন্তা ও অবস্থান জামায়াতের সম্পূর্ণ বিপরীত।
তিনি বলেন, ২০১০ সালের নভেম্বরে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সভাপতির পদে প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই এই অপপ্রচার শুরু হয়। প্রতিদ্বন্দ্বীরা তার পেশাগত যোগ্যতাকে নয়, বরং ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে তাকে হেয় করার চেষ্টা চালায়।
শফিকুল আলম জানান, নির্বাচনে ভরাডুবির পর থেকে প্রায়ই তিনি এই গুজবের মুখোমুখি হয়েছেন, বিশেষত যখন তার লেখা মূলধারার বিরুদ্ধে বা মানবাধিকার লঙ্ঘন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার সমালোচনামূলক হয়। তার নামাজ পড়া ও স্ত্রীর হিজাব পরাকে অনেক সময় এই অপপ্রচারের সঙ্গে যুক্ত করা হয়।
তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৫ বছরে বাংলাদেশে এক ধরনের “ট্যাগিং সংস্কৃতি” গড়ে উঠেছে, যেখানে মানুষকে রাজনৈতিক পরিচয়ে চিহ্নিত করে ক্যারিয়ার ধ্বংসের চেষ্টা করা হয়েছে। বিশেষ করে ধর্মীয় পটভূমি থেকে আসা তরুণ সাংবাদিকদের ওপর এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























