ঢাকা , রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সিলেট সীমান্তে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করলো বিজিবি রাঙামাটিতে গাড়ির কিউআর কোড স্ক্যান করলেই মিলবে চালকের সব তথ্য অন্যায় দেখলে ইস্পাতের মতো কঠিন হবো: জামায়াত আমীর হবিগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাবা-ছেলের সাতটি পাসপোর্টসহ সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি আটক পশ্চিমবঙ্গে যারা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিচ্ছে তাদের ছাড়া হবে না: শুভেন্দু ‘গুপ্ত গুপ্ত’ স্লোগান ব্যঙ্গ করে প্রচারণায় শিবির, সেলফিতে মাতলেন নবীন শিক্ষার্থীরা আমরা শুধু আছি ভারতকে নিয়ে আর ভারত আছে আমাদের নিয়ে: ফজলুর রহমান ফ্যামিলি কার্ডের তালিকা নিয়ে অসন্তোষ ডেপুটি স্পিকার প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক শিবির কর্মী

হাসিনা পালানোর মধ্য দিয়ে বামদের লজ্জাজনক রাজনৈতিক পরাজয় হয়েছে: ড. মির্জা গালিব

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:০১:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অগাস্ট ২০২৫
  • ৪৫০ বার পড়া হয়েছে

এবার বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি ও যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. মির্জা গালিব বলেছেন, আওয়ামী ফ্যাসিস্ট আমলে ইসলামপন্থি রাজনীতিকে রাজাকার, যুদ্ধাপরাধী ও জঙ্গি বলে দমন করার বহু চেষ্টা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ এই দমন-নিপীড়ন করেও ইসলামপন্থি রাজনীতিকে আটকিয়ে রাখতে পারেনি।

গতকাল বুধবার রাতে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। পোস্টে মির্জা গালিব লেখেন, বাংলাদেশে গত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট আমলে ইসলামপন্থি রাজনীতিকে রাজাকার, যুদ্ধাপরাধী এবং জঙ্গি যুদ্ধাপরাধী দমন করার বহু চেষ্টা করা। বাম এবং সেক্যুলার ব্লকের মধ্যে যারা ইসলামোফোব তারা বিচার বিবেচনার বাইরে গিয়ে এই দমন নিপীড়নকে বৈধতা দিয়েছেন। কিন্তু দিনের শেষে কি হয়েছে? এই পদ্ধতি তো কাজ করে নেই! বরং গণতান্ত্রিক স্পেইস সংকুচিত কইরা এই দমন নিপীড়ন চালানোর ফলে একদিকে ইসলামপন্থি রাজনীতিকে তারা আটকিয়ে রাখতে পারেনি।

আরেকদিকে, গণতান্ত্রিক আলাপ আলোচনার মধ্য দিয়ে যেই পারস্পরিক আদান-প্রদানের জায়গা তৈরির হওয়ার কথা, সেইটা নাই হইয়া গেছে। বিপরীতে, এই সিস্টেমের পতনের পর ইসলামপন্থীরা বরং অনেক কম রিয়াকশন দেখিয়েছে। এখন, এই জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশে সেই একই ভুল করে যাচ্ছে বামরা। হাসিনার পালানোর মধ্য দিয়ে তাদের নিজেদের যে লজ্জাজনক রাজনৈতিক পরাজয় হয়েছে- এটা মেনে নিয়া নিজেদের ভুল সংশোধনের পরিবর্তে তারা এক ধরনের ডিনায়াল আর প্রতিক্রিয়াশীল রাজনীতির মধ্যে আছে এখনও। এটা দু:দুঃখজনক। এই পদ্ধতি যদি কাজ করত, তাহলে তো গত ১৬ বছরেই কাজ করত।

মির্জা গালিব আরও লেখেন, ইসলামপন্থীদেরও উচিত কট্টর ইসলামোফোব বামদের বাদ দিয়ে সমাজের বাকি সবার সাথে সম্মানজনকভাবে আলাপ আলোচনার দরজা সবসময় উন্মুক্ত রাখা। সিভিল লিবার্টির জায়গায় ইসলামপন্থি রাজনীতির পজিশান কি, সেটা খোলামেলা ভাবে সমাজে আলাপ আলোচনা করা। তিনি বলেন, পারস্পরিক আস্থা, শ্রদ্ধা, মেলামেশা, আলাপ-সালাপ বাদ দিয়ে একটা জাতি কখনও সামনে আগাইতে পারে না। গণতান্ত্রিক স্পেইস এবং বেসিক মানবাধিকার ঠিক থাকলে দিনের শেষে ইসলামপন্থি আর সেক্যুলার দুইপক্ষেরই সুবিধা হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেট সীমান্তে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করলো বিজিবি

হাসিনা পালানোর মধ্য দিয়ে বামদের লজ্জাজনক রাজনৈতিক পরাজয় হয়েছে: ড. মির্জা গালিব

আপডেট সময় ১১:০১:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অগাস্ট ২০২৫

এবার বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি ও যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. মির্জা গালিব বলেছেন, আওয়ামী ফ্যাসিস্ট আমলে ইসলামপন্থি রাজনীতিকে রাজাকার, যুদ্ধাপরাধী ও জঙ্গি বলে দমন করার বহু চেষ্টা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ এই দমন-নিপীড়ন করেও ইসলামপন্থি রাজনীতিকে আটকিয়ে রাখতে পারেনি।

গতকাল বুধবার রাতে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। পোস্টে মির্জা গালিব লেখেন, বাংলাদেশে গত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট আমলে ইসলামপন্থি রাজনীতিকে রাজাকার, যুদ্ধাপরাধী এবং জঙ্গি যুদ্ধাপরাধী দমন করার বহু চেষ্টা করা। বাম এবং সেক্যুলার ব্লকের মধ্যে যারা ইসলামোফোব তারা বিচার বিবেচনার বাইরে গিয়ে এই দমন নিপীড়নকে বৈধতা দিয়েছেন। কিন্তু দিনের শেষে কি হয়েছে? এই পদ্ধতি তো কাজ করে নেই! বরং গণতান্ত্রিক স্পেইস সংকুচিত কইরা এই দমন নিপীড়ন চালানোর ফলে একদিকে ইসলামপন্থি রাজনীতিকে তারা আটকিয়ে রাখতে পারেনি।

আরেকদিকে, গণতান্ত্রিক আলাপ আলোচনার মধ্য দিয়ে যেই পারস্পরিক আদান-প্রদানের জায়গা তৈরির হওয়ার কথা, সেইটা নাই হইয়া গেছে। বিপরীতে, এই সিস্টেমের পতনের পর ইসলামপন্থীরা বরং অনেক কম রিয়াকশন দেখিয়েছে। এখন, এই জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশে সেই একই ভুল করে যাচ্ছে বামরা। হাসিনার পালানোর মধ্য দিয়ে তাদের নিজেদের যে লজ্জাজনক রাজনৈতিক পরাজয় হয়েছে- এটা মেনে নিয়া নিজেদের ভুল সংশোধনের পরিবর্তে তারা এক ধরনের ডিনায়াল আর প্রতিক্রিয়াশীল রাজনীতির মধ্যে আছে এখনও। এটা দু:দুঃখজনক। এই পদ্ধতি যদি কাজ করত, তাহলে তো গত ১৬ বছরেই কাজ করত।

মির্জা গালিব আরও লেখেন, ইসলামপন্থীদেরও উচিত কট্টর ইসলামোফোব বামদের বাদ দিয়ে সমাজের বাকি সবার সাথে সম্মানজনকভাবে আলাপ আলোচনার দরজা সবসময় উন্মুক্ত রাখা। সিভিল লিবার্টির জায়গায় ইসলামপন্থি রাজনীতির পজিশান কি, সেটা খোলামেলা ভাবে সমাজে আলাপ আলোচনা করা। তিনি বলেন, পারস্পরিক আস্থা, শ্রদ্ধা, মেলামেশা, আলাপ-সালাপ বাদ দিয়ে একটা জাতি কখনও সামনে আগাইতে পারে না। গণতান্ত্রিক স্পেইস এবং বেসিক মানবাধিকার ঠিক থাকলে দিনের শেষে ইসলামপন্থি আর সেক্যুলার দুইপক্ষেরই সুবিধা হবে।