ঢাকা , বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ফ্রান্স কখনোই স্পেনের চেয়ে ভালো দল নয়: ইয়ামাল ৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলে না দিলে জনগণ খুলে দেবে: নাহিদ আগামী চার বছর কেউ ভাঙতে পারবে না ব্রাজিলের এই বিশ্বরেকর্ড ধর্ষণে জন্ম নেওয়া শিশুর পিতৃপরিচয় প্রকাশ, কিশোরের ১০ বছরের আটকাদেশ আজ সেই জুলাই, যেখান থেকে শুরু হয়েছিল ইতিহাস বদলের যাত্রা হাসনাত-সারজিস অতিগোপনীয় অভিযোগ নিয়ে নাকি দরবেশ বাবাকে বাঁচাতে দুদকে গিয়েছিলো?: রাশেদ খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাচ্ছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভারতের কেরালায় ইসলাম ত্যাগের চেয়ে ইসলাম গ্রহণের হার বাড়ছে নিখোঁজের ৫০ দিন পর রান্নাঘরের মাটি খুঁড়ে মিলল বৃদ্ধের মরদেহ দীপিকা-ক্যাটরিনাকে ছাড়িয়ে শীর্ষে আলিয়া ভাট

সাঈদী সাহেব ভালো মানুষ ছিলেন, তাই তার জানাজায় গিয়েছিলাম: সুখরঞ্জন বালি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৪১:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫
  • ৪৫৫ বার পড়া হয়েছে

‘দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ভালো মানুষ ছিলেন। তার বিরুদ্ধে সাক্ষী হিসেবে আমার নাম দেখে আদালতে হাজির হতে যাই। কিন্তু সে সময় আদালতের গেইট থেকেই আমাদের অপহরণ করা হয়। পরে গুম করে চলে অমানুষিক নির্যাতন।’ বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় শেখ হাসিনার বিচার চেয়ে অভিযোগ দায়েরের পর এমন অভিযোগ করেন সাঈদীর মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী সুখরঞ্জন বালি।

তিনি আরও বলেন, পাক হানাদার বাহিনীরা আমার ভাইকে যখন হত্যা করে তখন আমি এবং আমার মা বাথরুমে লুকিয়ে সব দেখি। খুব কষ্ট পাচ্ছিলো আমার ভাই। বাড়ি-ঘরে আগুন দিলে পাক-বাহিনী চলে যাওয়ার পরে দৌড়ে যে বুকে জরিয়ে ধরি ভাইকে, আমার কোলেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে সে। তবে এ ঘটনার সময় কোথাও দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ছিলেন না। তাকে তো আমি তখন চিনতামও না।

সুখরঞ্জন বালি বলেন, এ ঘটনার অনেক পরে তিনি যখন আমাদের এলাকার এমপি হয়ে আসেন তখন আমি তাকে চিনেছি। অনেক ভালো লোক ছিলেন তিনি। আমি জানতামও না আমাকে তার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে বলা হয়েছে। তার মত একটা ভালো মানুষকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়ে আমাকে তার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে বলা হয়। তখন তার ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করে আমি আদালতে হাজির হয়ে সত্য সামনে আনতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আদালতের গেইট থেকেই সাদা পোশাকধারী একদল পুলিশ মারধর করে নিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, পরে আমার চোখ বেধে কোথায় নিয়ে যায় আমি জানি না। পরে বুঝতে পারি তারা আমাকে বিএসএফের হাতে তুলে দিচ্ছে। ওরা আমাকে অনেক নির্যাতন করে। এক মামলায় আমাকে আসামি করে দীর্ঘদিন কারাগারে রাখা হয়। নির্যাতনের জন্যে আমার এখন কিছু মনে থাকে না, হার্টে সমস্যা দেখা দিয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্রান্স কখনোই স্পেনের চেয়ে ভালো দল নয়: ইয়ামাল

সাঈদী সাহেব ভালো মানুষ ছিলেন, তাই তার জানাজায় গিয়েছিলাম: সুখরঞ্জন বালি

আপডেট সময় ০১:৪১:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

‘দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ভালো মানুষ ছিলেন। তার বিরুদ্ধে সাক্ষী হিসেবে আমার নাম দেখে আদালতে হাজির হতে যাই। কিন্তু সে সময় আদালতের গেইট থেকেই আমাদের অপহরণ করা হয়। পরে গুম করে চলে অমানুষিক নির্যাতন।’ বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় শেখ হাসিনার বিচার চেয়ে অভিযোগ দায়েরের পর এমন অভিযোগ করেন সাঈদীর মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী সুখরঞ্জন বালি।

তিনি আরও বলেন, পাক হানাদার বাহিনীরা আমার ভাইকে যখন হত্যা করে তখন আমি এবং আমার মা বাথরুমে লুকিয়ে সব দেখি। খুব কষ্ট পাচ্ছিলো আমার ভাই। বাড়ি-ঘরে আগুন দিলে পাক-বাহিনী চলে যাওয়ার পরে দৌড়ে যে বুকে জরিয়ে ধরি ভাইকে, আমার কোলেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে সে। তবে এ ঘটনার সময় কোথাও দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ছিলেন না। তাকে তো আমি তখন চিনতামও না।

সুখরঞ্জন বালি বলেন, এ ঘটনার অনেক পরে তিনি যখন আমাদের এলাকার এমপি হয়ে আসেন তখন আমি তাকে চিনেছি। অনেক ভালো লোক ছিলেন তিনি। আমি জানতামও না আমাকে তার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে বলা হয়েছে। তার মত একটা ভালো মানুষকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়ে আমাকে তার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে বলা হয়। তখন তার ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করে আমি আদালতে হাজির হয়ে সত্য সামনে আনতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আদালতের গেইট থেকেই সাদা পোশাকধারী একদল পুলিশ মারধর করে নিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, পরে আমার চোখ বেধে কোথায় নিয়ে যায় আমি জানি না। পরে বুঝতে পারি তারা আমাকে বিএসএফের হাতে তুলে দিচ্ছে। ওরা আমাকে অনেক নির্যাতন করে। এক মামলায় আমাকে আসামি করে দীর্ঘদিন কারাগারে রাখা হয়। নির্যাতনের জন্যে আমার এখন কিছু মনে থাকে না, হার্টে সমস্যা দেখা দিয়েছে।