ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিদায় সিলেট, আপনাদের ভালোবাসায় আমি ধন্য: ডিসি সরওয়ারের আবেগঘন বার্তা জমি বিক্রি করে পতাকার আদলে বাড়ি সাজ, আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতলেই শামীমের বিয়ে মেসির ২ ম্যাচে ৫ গোল, আমি ২ বিশ্বকাপ খেলে গোল করতে পারিনি: ইব্রাহিমোভিচ ঢাকা উত্তরে সেলিম, দক্ষিণে সাদিককে মেয়রপ্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত ঘুষ গ্ৰহনের ভিডিও ভাইরাল, একদিন পরই প্রত্যাহার পিআইও বাবুল তারেক রহমানের সফর ঘিরে ‘মহাজাদু’ গানে ভিডিও প্রকাশ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর গবেষণার উদ্দেশ্যে চিড়িয়াখানা ছেড়ে সাভারে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নিষিদ্ধ দলের কার্যক্রম চোখে পড়া জাতির জন্য ব্যর্থতা: সেতুমন্ত্রী অবশেষে ঢাকার সড়কগুলো থেকে অটোরিকশা উঠিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত রেকর্ড গরমের আশঙ্কা, ইউরোপজুড়ে রেড অ্যালার্ট

সেলিম প্রধান গ্রেপ্তারের পরদিনই বারিধারায় উত্তেজনা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৫৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৭৮৫ বার পড়া হয়েছে

ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচিত এবং অর্থপাচার মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত সেলিম প্রধানের গ্রেপ্তারের একদিন পর উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে রাজধানীর বারিধারায়। রোববার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোনের ১৩ নম্বর রোডে অবস্থিত ‘নেক্সাস ক্যাফে প্যালেসে’ ছাত্র-জনতার একটি দল গিয়ে বিক্ষোভ করে।

 

তাদের অভিযোগে, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের ছবি ও স্মৃতিবিজড়িত বই একজন অপরাধীর ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে রাখা যাবে না। এজন্য তারা ক্যাফের কর্মচারীদের উদ্দেশে এসব সরিয়ে ফেলার দাবি জানায়। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

 

 

 

সরেজমিনে দেখা যায়, ক্যাফের সামনের মূল ফটক খোলা এবং বাইরে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সংশ্লিষ্ট কিছু বই রাখা হয়েছে। এছাড়া ক্যাফের ওপরে নিহত শহীদ মুগ্ধর একটি বড় ছবি টানানো রয়েছে।

 

গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রিশাদ বলেন, ওসি স্যার ফোন করে আমাকে এখানে আসতে বলেন। আমি এসে দেখি লোকজন এখান থেকে চলে যাচ্ছে। তবে ভেতরে কোনো হামলা বা ভাঙচুর হয়নি। কিছু জিনিসপত্র বাইরে রাখা হয়েছে।

 

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, প্রথমে তাদের কাছে খবর আসে ক্যাফেতে ডাকাতির ঘটনা ঘটছে। কিন্তু পরে গিয়ে দেখা যায়, ছাত্র-জনতা পরিচয়ে একদল লোক দাবি তুলেছে—অপরাধী সেলিম প্রধানের ক্যাফেতে গণঅভ্যুত্থানের কোনো স্মৃতি রাখা যাবে না। কর্তৃপক্ষ পরে তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জিনিসপত্র সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করে।

 

ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছাত্র-জনতার জিয়াদ নামে এক যুবক সাংবাদিকদের বলেন, এই ক্যাফেতে মাদক কারবার হয়। আমরা চাই না কোনো মাদক কারবারি জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের ছবি বা স্মৃতি ব্যবহার করুক। তাই আমরা এসেছি এগুলো নামিয়ে দেওয়ার জন্য। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এসে আমাদের দাবি মেনে নেন এবং এখান থেকে স্মৃতিবিজড়িত সব জিনিসপত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। যেহেতু দাবি মানা হয়েছে, তাই আমাদের আর এখানে থাকার প্রয়োজন নেই।

 

 

এর আগে শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোর ৪টার দিকে ঢাকার বারিধারা এলাকা থেকে সেলিম প্রধানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মো. আল আমিন হোসাইন জানান, সেলিম প্রধান বারিধারা এলাকায় সিসা বার পরিচালনা করছিলেন। তার মালিকানাধীন বার থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদায় সিলেট, আপনাদের ভালোবাসায় আমি ধন্য: ডিসি সরওয়ারের আবেগঘন বার্তা

সেলিম প্রধান গ্রেপ্তারের পরদিনই বারিধারায় উত্তেজনা

আপডেট সময় ০৯:৫৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচিত এবং অর্থপাচার মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত সেলিম প্রধানের গ্রেপ্তারের একদিন পর উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে রাজধানীর বারিধারায়। রোববার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোনের ১৩ নম্বর রোডে অবস্থিত ‘নেক্সাস ক্যাফে প্যালেসে’ ছাত্র-জনতার একটি দল গিয়ে বিক্ষোভ করে।

 

তাদের অভিযোগে, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের ছবি ও স্মৃতিবিজড়িত বই একজন অপরাধীর ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে রাখা যাবে না। এজন্য তারা ক্যাফের কর্মচারীদের উদ্দেশে এসব সরিয়ে ফেলার দাবি জানায়। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

 

 

 

সরেজমিনে দেখা যায়, ক্যাফের সামনের মূল ফটক খোলা এবং বাইরে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সংশ্লিষ্ট কিছু বই রাখা হয়েছে। এছাড়া ক্যাফের ওপরে নিহত শহীদ মুগ্ধর একটি বড় ছবি টানানো রয়েছে।

 

গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রিশাদ বলেন, ওসি স্যার ফোন করে আমাকে এখানে আসতে বলেন। আমি এসে দেখি লোকজন এখান থেকে চলে যাচ্ছে। তবে ভেতরে কোনো হামলা বা ভাঙচুর হয়নি। কিছু জিনিসপত্র বাইরে রাখা হয়েছে।

 

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, প্রথমে তাদের কাছে খবর আসে ক্যাফেতে ডাকাতির ঘটনা ঘটছে। কিন্তু পরে গিয়ে দেখা যায়, ছাত্র-জনতা পরিচয়ে একদল লোক দাবি তুলেছে—অপরাধী সেলিম প্রধানের ক্যাফেতে গণঅভ্যুত্থানের কোনো স্মৃতি রাখা যাবে না। কর্তৃপক্ষ পরে তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জিনিসপত্র সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করে।

 

ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছাত্র-জনতার জিয়াদ নামে এক যুবক সাংবাদিকদের বলেন, এই ক্যাফেতে মাদক কারবার হয়। আমরা চাই না কোনো মাদক কারবারি জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের ছবি বা স্মৃতি ব্যবহার করুক। তাই আমরা এসেছি এগুলো নামিয়ে দেওয়ার জন্য। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এসে আমাদের দাবি মেনে নেন এবং এখান থেকে স্মৃতিবিজড়িত সব জিনিসপত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। যেহেতু দাবি মানা হয়েছে, তাই আমাদের আর এখানে থাকার প্রয়োজন নেই।

 

 

এর আগে শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোর ৪টার দিকে ঢাকার বারিধারা এলাকা থেকে সেলিম প্রধানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মো. আল আমিন হোসাইন জানান, সেলিম প্রধান বারিধারা এলাকায় সিসা বার পরিচালনা করছিলেন। তার মালিকানাধীন বার থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।