ঢাকা , শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল বুর্কিনা ফাসো প্রধান শিক্ষিকার ব্যাগে মিলল শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত ডিম-রুটি ‘এখন আল্লাহ ছাড়া আমার কেউ নেই’, মা ও তিন বোনের জানাজায় সিফাত লণ্ডভণ্ড ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্প আঘাত ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত্যু ৯০০ ছাড়াল, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিবাদে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন স্থাপনায় ইরানের হামলা আর্জেন্টিনার সামনে ‘শক্তিশালী’ কেপ ভার্দে, অপেক্ষায় স্পেন কওমী মাদরাসা থেকে ১০ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেবে সরকার ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশিকে নৃশংসভাবে হত্যা খোলা হলো পাগলা মসজিদের দানবাক্স, মিলল রেকর্ড ৪৩ বস্তা টাকা

কাদের সিদ্দিকীর বক্তব্য ও পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবেদন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:২৫:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৫০৬ বার পড়া হয়েছে

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, “আমার মরার কোনো ভয় নেই। আমি চাই, দেশের শৃঙ্খলা থাকুক। যেদিন আমরা রাস্তায় নামব, সেদিন লাঠি না, বন্দুকও কিছু করতে পারবে না।”

সোমবার বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের নিজ বাসভবনের সামনে পূর্বঘোষিত কাদেরিয়া বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধাদের এক জরুরি সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, “আমরা খারাপ সময় পার করছি। যে আশা-ভরসা নিয়ে যৌবনে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম, আজ তা ধূলিসাৎ হতে বসেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশে ১৪৪ ধারা জারি করা সত্যিই ন্যাক্কারজনক।”

তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আমার বাসায় হামলা হয়েছে। যদি এটা সম্ভব হয়, তবে দেশের কারও বাসাই নিরাপদ নয়।”

বঙ্গবীর আরও আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “যাঁরা ২৪-এ বিজয়ী হয়েছেন, তাঁরা যদি ব্যর্থ হন, ভবিষ্যতে যদি কেউ স্বৈরাচার হন, তবে সাধারণ মানুষ তাঁদের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে না। সেটা ভয়ঙ্কর হবে।”

তার ভাষায়, “আমার বাড়ি ধ্বংস করে যদি দেশে শান্তি আসে, তাতেও আমি রাজি। এখন আমার বয়স ৮০ বছর। চলে গেলে আমি খুশিই হব।”

এর আগে কাদের সিদ্দিকীর বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় কাদেরিয়া বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধারা প্রতিবাদে মিছিল বের করার প্রস্তুতি নিলে পুলিশ উপস্থিত হয়। পুলিশ বাহিনীর প্রতি সম্মান দেখিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা বাসভবনের নিচতলায় সমাবেশ করেন। এসময় যুদ্ধকালীন কোম্পানি কমান্ডার কাজী আশরাফ হুমায়ুন বাঙ্গাল, ফজলুল হক বীর প্রতীকসহ স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন।

এরও আগে, জেলার বাসাইল উপজেলায় কাদেরিয়া বাহিনী ও ছাত্রসমাজের পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ঘিরে প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে। রবিবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত এ আদেশ কার্যকর ছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনা, পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা সারাদিন তৎপর থাকেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল বুর্কিনা ফাসো

কাদের সিদ্দিকীর বক্তব্য ও পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবেদন

আপডেট সময় ০৮:২৫:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, “আমার মরার কোনো ভয় নেই। আমি চাই, দেশের শৃঙ্খলা থাকুক। যেদিন আমরা রাস্তায় নামব, সেদিন লাঠি না, বন্দুকও কিছু করতে পারবে না।”

সোমবার বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের নিজ বাসভবনের সামনে পূর্বঘোষিত কাদেরিয়া বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধাদের এক জরুরি সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, “আমরা খারাপ সময় পার করছি। যে আশা-ভরসা নিয়ে যৌবনে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম, আজ তা ধূলিসাৎ হতে বসেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশে ১৪৪ ধারা জারি করা সত্যিই ন্যাক্কারজনক।”

তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আমার বাসায় হামলা হয়েছে। যদি এটা সম্ভব হয়, তবে দেশের কারও বাসাই নিরাপদ নয়।”

বঙ্গবীর আরও আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “যাঁরা ২৪-এ বিজয়ী হয়েছেন, তাঁরা যদি ব্যর্থ হন, ভবিষ্যতে যদি কেউ স্বৈরাচার হন, তবে সাধারণ মানুষ তাঁদের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে না। সেটা ভয়ঙ্কর হবে।”

তার ভাষায়, “আমার বাড়ি ধ্বংস করে যদি দেশে শান্তি আসে, তাতেও আমি রাজি। এখন আমার বয়স ৮০ বছর। চলে গেলে আমি খুশিই হব।”

এর আগে কাদের সিদ্দিকীর বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় কাদেরিয়া বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধারা প্রতিবাদে মিছিল বের করার প্রস্তুতি নিলে পুলিশ উপস্থিত হয়। পুলিশ বাহিনীর প্রতি সম্মান দেখিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা বাসভবনের নিচতলায় সমাবেশ করেন। এসময় যুদ্ধকালীন কোম্পানি কমান্ডার কাজী আশরাফ হুমায়ুন বাঙ্গাল, ফজলুল হক বীর প্রতীকসহ স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন।

এরও আগে, জেলার বাসাইল উপজেলায় কাদেরিয়া বাহিনী ও ছাত্রসমাজের পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ঘিরে প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে। রবিবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত এ আদেশ কার্যকর ছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনা, পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা সারাদিন তৎপর থাকেন।