ঢাকা , বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিখোঁজের ১০৪ ঘণ্টা পর উদ্ধার হওয়া ‘জুলাই যোদ্ধা’ মাওলানা মামুনের মুখে অপহরণের বর্ণনা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:১৬:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৪৪৭ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর তুরাগ থেকে নিখোঁজ হওয়ার ১০৪ ঘণ্টা পর উদ্ধার হওয়া ‘জুলাই যোদ্ধা’ মাওলানা মামুনুর রশীদ অপহরণের চাঞ্চল্যকর বর্ণনা দিয়েছেন। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উত্তরার চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি সাংবাদিকদের জানান, প্রতিদিনের মতো ফজরের নামাজের পর হাঁটতে বের হলে প্রথমে রিকশায় এবং পরে একটি মাইক্রোবাসে করে তাকে তুলে নেওয়া হয়।

মাওলানা মামুন বলেন, “হঠাৎ রিকশায় তিনজন আমাকে ডেকে বলে, আমরা প্রতিদিন কাঁচাবাজারে চাঁদাবাজির শিকার হই—আপনি একটু আসেন। প্রথমে যেতে চাইনি, পরে তাদের কথায় রাজি হই। কাঁচাবাজারের সামনে রিকশা থামতেই একটি হাইস (মাইক্রোবাস) আসে। বাইরে থাকা তিনজন আমাকে ধাক্কা দিয়ে তোলার পর গাড়ির ভেতরে সাব্বিরের ছবি দেখিয়ে জিজ্ঞেস করে, ‘চিনেন?’ আমি ‘হ্যাঁ’ বলতেই জ্ঞান হারাই। মনে হয় চেতনা নাশক কিছু ছিল।”

তিনি আরও জানান, জ্ঞান ফেরার পর দেখেন তাকে একটি চেয়ারে বসিয়ে রাখা হয়েছে। “ঘুম বা সময় সম্পর্কে কোনো ধারণা পাইনি। আজ হঠাৎ মুখে পানি ছিটিয়ে কয়েকজন আমাকে ফেলে যায়। পরে দেখি আমি পূর্বাচলের মসজিদের পাশে।”

উল্লেখ্য, গত ২২ সেপ্টেম্বর ভোরে তুরাগের হানিফ আলী মোড় এলাকার বাসা থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর শুক্রবার জুমার নামাজের পর পূর্বাচল শেখ হাসিনা স্টেডিয়ামের পাশে নির্জন এলাকায় পড়ে থাকতে দেখা যায় মাওলানা মামুনকে। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে ১ নম্বর সেক্টরের মসজিদে নিয়ে যান। পরে পুলিশ তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন আছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নিখোঁজের ১০৪ ঘণ্টা পর উদ্ধার হওয়া ‘জুলাই যোদ্ধা’ মাওলানা মামুনের মুখে অপহরণের বর্ণনা

আপডেট সময় ০৮:১৬:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাজধানীর তুরাগ থেকে নিখোঁজ হওয়ার ১০৪ ঘণ্টা পর উদ্ধার হওয়া ‘জুলাই যোদ্ধা’ মাওলানা মামুনুর রশীদ অপহরণের চাঞ্চল্যকর বর্ণনা দিয়েছেন। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উত্তরার চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি সাংবাদিকদের জানান, প্রতিদিনের মতো ফজরের নামাজের পর হাঁটতে বের হলে প্রথমে রিকশায় এবং পরে একটি মাইক্রোবাসে করে তাকে তুলে নেওয়া হয়।

মাওলানা মামুন বলেন, “হঠাৎ রিকশায় তিনজন আমাকে ডেকে বলে, আমরা প্রতিদিন কাঁচাবাজারে চাঁদাবাজির শিকার হই—আপনি একটু আসেন। প্রথমে যেতে চাইনি, পরে তাদের কথায় রাজি হই। কাঁচাবাজারের সামনে রিকশা থামতেই একটি হাইস (মাইক্রোবাস) আসে। বাইরে থাকা তিনজন আমাকে ধাক্কা দিয়ে তোলার পর গাড়ির ভেতরে সাব্বিরের ছবি দেখিয়ে জিজ্ঞেস করে, ‘চিনেন?’ আমি ‘হ্যাঁ’ বলতেই জ্ঞান হারাই। মনে হয় চেতনা নাশক কিছু ছিল।”

তিনি আরও জানান, জ্ঞান ফেরার পর দেখেন তাকে একটি চেয়ারে বসিয়ে রাখা হয়েছে। “ঘুম বা সময় সম্পর্কে কোনো ধারণা পাইনি। আজ হঠাৎ মুখে পানি ছিটিয়ে কয়েকজন আমাকে ফেলে যায়। পরে দেখি আমি পূর্বাচলের মসজিদের পাশে।”

উল্লেখ্য, গত ২২ সেপ্টেম্বর ভোরে তুরাগের হানিফ আলী মোড় এলাকার বাসা থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর শুক্রবার জুমার নামাজের পর পূর্বাচল শেখ হাসিনা স্টেডিয়ামের পাশে নির্জন এলাকায় পড়ে থাকতে দেখা যায় মাওলানা মামুনকে। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে ১ নম্বর সেক্টরের মসজিদে নিয়ে যান। পরে পুলিশ তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন আছেন।