ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
কেপ ভার্দে ম্যাচের আগে বড় দুঃসংবাদ পেল আর্জেন্টিনা কালিমা পড়ে ইসলাম গ্রহণ করলেন অস্ট্রেলিয়ার ফুটবলার টেটে জুলাই নিয়ে নিলুফারের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ছাত্রদল সভাপতির এলপিজির দাম কমলো ৩৫৭ টাকা, সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর খামেনির মরদেহ নেওয়া হবে ঐতিহাসিক কারবালায় জুলাই নিয়ে পোস্টে সমালোচনাকারীদের কটাক্ষ করলেন শাওন দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রতিবেশীদের হস্তক্ষেপ চাই না: চিফ হুইপ ভারতে যে হারে মসজিদ ভাঙা হয়, সে হারে কি বাংলাদেশে মন্দির ভাঙা হয়: প্রশ্ন চিফ হুইপের ৪০ ডিগ্রি গরমেও রাজপথ ছাড়েনি ‘ককরোচ’ বিক্ষোভকারীরা, টানা আন্দোলনে উত্তপ্ত ভারত সাভারে আর্জেন্টিনার কিশোর সমর্থককে হত্যা করল ব্রাজিল সমর্থকরা

‘পুত্রবধূ খালেদা, গর্ব মোদের আলাদা’ স্লোগানে ভাসছে বগুড়া-৭ আসন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৫১:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ৪২৯ বার পড়া হয়েছে

এবার বগুড়ার গাবতলীর পুত্রবধূ ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করায় উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা। তারা দলের নীতিনির্ধারকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বেগম জিয়াকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে সংসদে পাঠানোর অঙ্গীকার করেছেন।

এদিকে দলীয় সূত্রে জানা যায়, গাবতলী ও শাজাহানপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত বগুড়া-৭ আসনটি ঐতিহ্যগতভাবে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আসন হিসেবে পরিচিত। তিনি এই আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনবার দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্মভূমি হিসেবে গাবতলীকে বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

ইতোমধ্যে এ আসনে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতারা খালেদা জিয়ার পক্ষে লিফলেট বিতরণসহ ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন। নেতাকর্মীদের মুখে মুখে শোনা যাচ্ছে নতুন স্লোগান ‘পুত্রবধূ খালেদা, গর্ব মোদের আলাদা।’ বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে এ আসন থেকে বিজয়ী হয়েছিলেন।

২০১৪ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মুহাম্মদ আলতাফ আলী, ২০১৮ সালের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম বাবলু জয়লাভ করেন। এর আগে ১৯৭৩ সালে আওয়ামী লীগের আমানউল্লাহ খান জয়ী হয়েছিলেন। তবে এরপর থেকে এ আসনে আওয়ামী লীগ আর জয় পায়নি। সর্বশেষ ২০২৪ সালের বিরোধী দলবিহীন নির্বাচনে ডা. মোস্তফা আলম নান্নু সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এমআর হাসান পলাশ বলেন, খালেদা জিয়া দেশের সবচেয়ে নির্যাতিত ও মজলুম দেশনেত্রী। তাকে প্রার্থী ঘোষণা করায় আমরা অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত। আশা করছি বগুড়া-৭ আসনের জনগণ তাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবেন।

গাবতলী উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও নেপালতলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জুলফিকার হায়দার গামা বলেন, রাষ্ট্র ও অঞ্চলের উন্নয়নের স্বার্থে আমরা বেগম জিয়াকে বিজয়ী করব, ইনশাআল্লাহ। গাবতলী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক নতুন বলেন, ‘স্থানীয় রাজনীতিতে মতপার্থক্য থাকলেও খালেদা জিয়া প্রার্থী হওয়ায় সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে কাজ করবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বগুড়া জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও গাবতলী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোরশেদ মিল্টন বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়াকে এ আসনে মনোনীত করায় আমরা বিএনপির হাইকমান্ডকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ, এবারও আমরা সব ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে তাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে সংসদে পাঠাব।’ উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়া বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ি গ্রামের পুত্রবধূ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কেপ ভার্দে ম্যাচের আগে বড় দুঃসংবাদ পেল আর্জেন্টিনা

‘পুত্রবধূ খালেদা, গর্ব মোদের আলাদা’ স্লোগানে ভাসছে বগুড়া-৭ আসন

আপডেট সময় ০৪:৫১:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

এবার বগুড়ার গাবতলীর পুত্রবধূ ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করায় উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা। তারা দলের নীতিনির্ধারকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বেগম জিয়াকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে সংসদে পাঠানোর অঙ্গীকার করেছেন।

এদিকে দলীয় সূত্রে জানা যায়, গাবতলী ও শাজাহানপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত বগুড়া-৭ আসনটি ঐতিহ্যগতভাবে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আসন হিসেবে পরিচিত। তিনি এই আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনবার দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্মভূমি হিসেবে গাবতলীকে বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

ইতোমধ্যে এ আসনে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতারা খালেদা জিয়ার পক্ষে লিফলেট বিতরণসহ ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন। নেতাকর্মীদের মুখে মুখে শোনা যাচ্ছে নতুন স্লোগান ‘পুত্রবধূ খালেদা, গর্ব মোদের আলাদা।’ বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে এ আসন থেকে বিজয়ী হয়েছিলেন।

২০১৪ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মুহাম্মদ আলতাফ আলী, ২০১৮ সালের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম বাবলু জয়লাভ করেন। এর আগে ১৯৭৩ সালে আওয়ামী লীগের আমানউল্লাহ খান জয়ী হয়েছিলেন। তবে এরপর থেকে এ আসনে আওয়ামী লীগ আর জয় পায়নি। সর্বশেষ ২০২৪ সালের বিরোধী দলবিহীন নির্বাচনে ডা. মোস্তফা আলম নান্নু সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এমআর হাসান পলাশ বলেন, খালেদা জিয়া দেশের সবচেয়ে নির্যাতিত ও মজলুম দেশনেত্রী। তাকে প্রার্থী ঘোষণা করায় আমরা অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত। আশা করছি বগুড়া-৭ আসনের জনগণ তাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবেন।

গাবতলী উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও নেপালতলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জুলফিকার হায়দার গামা বলেন, রাষ্ট্র ও অঞ্চলের উন্নয়নের স্বার্থে আমরা বেগম জিয়াকে বিজয়ী করব, ইনশাআল্লাহ। গাবতলী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক নতুন বলেন, ‘স্থানীয় রাজনীতিতে মতপার্থক্য থাকলেও খালেদা জিয়া প্রার্থী হওয়ায় সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে কাজ করবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বগুড়া জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও গাবতলী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোরশেদ মিল্টন বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়াকে এ আসনে মনোনীত করায় আমরা বিএনপির হাইকমান্ডকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ, এবারও আমরা সব ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে তাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে সংসদে পাঠাব।’ উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়া বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ি গ্রামের পুত্রবধূ।