ঢাকা , সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সুন্দরবনে বনজীবী নিহত: বন বিভাগের কার্যালয় ঘেরাও, আহত ৫ মহারাষ্ট্রে ট্রাক-টেম্পো-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল ১৩ বরযাত্রীর এবার পশ্চিমবঙ্গে ইমাম-পুরোহিতদের ভাতা বন্ধ করছে বিজেপি সরকার এ বছর হজের খুতবা দেবেন আবদুর রহমান হুজাইফি বিএনপি-এনসিপির উত্তেজনা রূপ নিল পুলিশ-শিক্ষার্থী দ্বন্দ্বে অবাস্তব বাজেট চাপ বাড়াবে অর্থনীতিতে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী প্রবাসীর স্ত্রীর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মাওলানা গ্রেপ্তার খামারিদের বাড়িতে বাড়িতে রক্তমাখা চিঠি: ডাকাতি করতে আসবো, দরজা না খুললে ‘জিন্দা খালাস’ ওমান উপসাগরকে মার্কিন জাহাজের ‘কবরস্থানে’ পরিণত করা হবে: ইরানের পাল্টা হুঁশিয়ারি

ঢাকা-১৪ আসনে ভোটযুদ্ধে ‘ভাই-বোন’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:০০:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৫৩০ বার পড়া হয়েছে

এবার একজন নিজে গুমের শিকার ছিলেন, একজন গুমের শিকার ব্যক্তির বোন। দুজনই প্রার্থী হয়েছেন ঢাকা-১৪ আসন থেকে। দুই শীর্ষ দল জামায়াত ও বিএনপির ঘোষিত প্রার্থী তারা। নির্বাচনি প্রচারে তারা একে অন্যকে সম্বোধন করছেন ‘ভাই’-‘বোন’। ব্যতিক্রমী দুই প্রার্থীতে জমে উঠেছে এ আসনের নির্বাচনি প্রচারণা।

এদিকে রাজধানীর দারুস সালাম, শাহ আলী থানা, মিরপুর থানার আংশিক এবং সাভারের কাউন্দিয়া ও বনগাঁও ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ঢাকা-১৪ আসন। সাড়ে চার লাখ ভোটারের এ আসনে গত এক বছর নির্বাচনি মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী, আওয়ামী সরকারের আমলে গুমের শিকার ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম (আরমান)। দীর্ঘ আট বছর গুম হয়ে ছিলেন অন্ধকার প্রকোষ্ঠে। ৫ আগস্টের পর মুক্ত হয়ে জামায়াত আমিরের আহ্বানে মিরপুর-১৪ আসনে প্রার্থী হন।

আরমানের বাবা জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মীর কাসেম আলী। তাকে জামায়াতের আর্থিক উইংয়ের থিঙ্কট্যাংক ধরা হতো। একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তার ফাঁসি হয়। বিদেশে সেটেল ব্যারিস্টার আরমান বাবার মামলায় লড়তে দেশে এসে গুমের শিকার হন বলে জানা যায়।

কাউন্দিয়া, বনগাঁও এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৭, ৮, ৯, ১০, ১১ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ড) আরমানের ব্যানার-ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে। মোটরসাইকেল শোভাযাত্রাসহ নানা দৃষ্টিনন্দন কর্মসূচি করছেন জামায়াতের এই প্রার্থী। তার সঙ্গে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় ছিলেন প্রয়াত এমপি এসএ খালেকের সন্তান এসএস সিদ্দিক সাজু ও যুবদল নেতা সাজ্জাদুল মিরাজ। দুজনের প্রচারণা বেশ জমেও উঠেছিল।

এদিকে কয়েকদিন ধরে ছন্দপতন হয়েছে বিএনপি শিবিরের সে প্রচারণায়। দৃশ্যপটে এসেছেন নতুন প্রার্থী। গুমের শিকার বিএনপি নেতা সুমনের বোন সানজিদা ইসলাম তুলি পেয়েছেন ধানের শীষের টিকিট। এরই মধ্যে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করে প্রচারণায় মাঠে নেমেছেন তিনি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদি আমিনকে নিয়ে নির্বাচনি এলাকায় মিছিল করতে দেখা গেছে তুলিকে। এরই মধ্যে প্রতিপক্ষের প্রার্থী নিয়ে আবেগঘন বক্তব্য দিয়ে ঝড় তুলেছেন বিএনপির এই প্রার্থী।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সুন্দরবনে বনজীবী নিহত: বন বিভাগের কার্যালয় ঘেরাও, আহত ৫

ঢাকা-১৪ আসনে ভোটযুদ্ধে ‘ভাই-বোন’

আপডেট সময় ১২:০০:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

এবার একজন নিজে গুমের শিকার ছিলেন, একজন গুমের শিকার ব্যক্তির বোন। দুজনই প্রার্থী হয়েছেন ঢাকা-১৪ আসন থেকে। দুই শীর্ষ দল জামায়াত ও বিএনপির ঘোষিত প্রার্থী তারা। নির্বাচনি প্রচারে তারা একে অন্যকে সম্বোধন করছেন ‘ভাই’-‘বোন’। ব্যতিক্রমী দুই প্রার্থীতে জমে উঠেছে এ আসনের নির্বাচনি প্রচারণা।

এদিকে রাজধানীর দারুস সালাম, শাহ আলী থানা, মিরপুর থানার আংশিক এবং সাভারের কাউন্দিয়া ও বনগাঁও ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ঢাকা-১৪ আসন। সাড়ে চার লাখ ভোটারের এ আসনে গত এক বছর নির্বাচনি মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী, আওয়ামী সরকারের আমলে গুমের শিকার ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম (আরমান)। দীর্ঘ আট বছর গুম হয়ে ছিলেন অন্ধকার প্রকোষ্ঠে। ৫ আগস্টের পর মুক্ত হয়ে জামায়াত আমিরের আহ্বানে মিরপুর-১৪ আসনে প্রার্থী হন।

আরমানের বাবা জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মীর কাসেম আলী। তাকে জামায়াতের আর্থিক উইংয়ের থিঙ্কট্যাংক ধরা হতো। একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তার ফাঁসি হয়। বিদেশে সেটেল ব্যারিস্টার আরমান বাবার মামলায় লড়তে দেশে এসে গুমের শিকার হন বলে জানা যায়।

কাউন্দিয়া, বনগাঁও এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৭, ৮, ৯, ১০, ১১ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ড) আরমানের ব্যানার-ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে। মোটরসাইকেল শোভাযাত্রাসহ নানা দৃষ্টিনন্দন কর্মসূচি করছেন জামায়াতের এই প্রার্থী। তার সঙ্গে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় ছিলেন প্রয়াত এমপি এসএ খালেকের সন্তান এসএস সিদ্দিক সাজু ও যুবদল নেতা সাজ্জাদুল মিরাজ। দুজনের প্রচারণা বেশ জমেও উঠেছিল।

এদিকে কয়েকদিন ধরে ছন্দপতন হয়েছে বিএনপি শিবিরের সে প্রচারণায়। দৃশ্যপটে এসেছেন নতুন প্রার্থী। গুমের শিকার বিএনপি নেতা সুমনের বোন সানজিদা ইসলাম তুলি পেয়েছেন ধানের শীষের টিকিট। এরই মধ্যে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করে প্রচারণায় মাঠে নেমেছেন তিনি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদি আমিনকে নিয়ে নির্বাচনি এলাকায় মিছিল করতে দেখা গেছে তুলিকে। এরই মধ্যে প্রতিপক্ষের প্রার্থী নিয়ে আবেগঘন বক্তব্য দিয়ে ঝড় তুলেছেন বিএনপির এই প্রার্থী।