ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘হাজার বছরেও খালেদা জিয়ার মতো জনপ্রিয় নেত্রী আসবে না’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:১৬:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৩৩ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে টানা ১৪ দিন ধরে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের অধীনে চলছে তার চিকিৎসা। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসা ঘিরে প্রতিদিনই হাসপাতালের সামনে আসছেন দলটির নেতাকর্মীরা। ভিড় জমাচ্ছেন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষও। শনিবারও (৬ ডিসেম্বর) এর ব্যতিক্রম ছিল না।

এদিন সকাল থেকে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে উৎসুক জনতা তেমন দেখা না গেলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের উপস্থিতি চোখে পড়ে। তবে বরাবরের মতোই কঠোর নিরাপত্তায় রয়েছে হাসপাতাল এলাকায়। মূল ফটকের সামনের সড়ক ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে রেখেছেন পুলিশ-বিজিবি সদস্যরা। রয়েছেন এসএসএফ সদস্যরাও। খালেদা জিয়াকে একনজর দেখার আশায় শুক্রবার রাতে নাটোর থেকে রওনা দেন খুরশিদ আলম মৃধা। তিনি জেলার সিংড়া থানা যুবদলের সভাপতি।

এদিকে খুরশিদ বলেন, আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া শুধু একটি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন। তিনি এ দেশের মানুষের আশা-ভরসার প্রতীক। মা নেত্রীকে আজ দেখতে এসেছি। কিন্তু নিরাপত্তার স্বার্থে দেখতে পাইনি। এতে আমার দুঃখ নেই। কারণ তার জন্য মসজিদ-মাদরাসাসহ দেশের সব স্থানে দোয়া করা হচ্ছে। আল্লাহ চাইলে তিনি আমাদের মাঝে আবারও ফিরে আসবেন।

যুবদলের এ নেতা বলেন, বেগম জিয়ার জনপ্রিয়তা সারা বিশ্বে রয়েছে। এক হাজার বছরেও এমন জনপ্রিয় নেত্রী আমাদের মাঝে আসবে কি না আমরা বলতে পারব না। আগামী দিনে শেখ হাসিনার ফাঁসি যেন দেখে যেতে পারেন সেজন্য আমরা দোয়া করি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘হাজার বছরেও খালেদা জিয়ার মতো জনপ্রিয় নেত্রী আসবে না’

আপডেট সময় ০২:১৬:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে টানা ১৪ দিন ধরে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের অধীনে চলছে তার চিকিৎসা। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসা ঘিরে প্রতিদিনই হাসপাতালের সামনে আসছেন দলটির নেতাকর্মীরা। ভিড় জমাচ্ছেন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষও। শনিবারও (৬ ডিসেম্বর) এর ব্যতিক্রম ছিল না।

এদিন সকাল থেকে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে উৎসুক জনতা তেমন দেখা না গেলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের উপস্থিতি চোখে পড়ে। তবে বরাবরের মতোই কঠোর নিরাপত্তায় রয়েছে হাসপাতাল এলাকায়। মূল ফটকের সামনের সড়ক ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে রেখেছেন পুলিশ-বিজিবি সদস্যরা। রয়েছেন এসএসএফ সদস্যরাও। খালেদা জিয়াকে একনজর দেখার আশায় শুক্রবার রাতে নাটোর থেকে রওনা দেন খুরশিদ আলম মৃধা। তিনি জেলার সিংড়া থানা যুবদলের সভাপতি।

এদিকে খুরশিদ বলেন, আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া শুধু একটি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন। তিনি এ দেশের মানুষের আশা-ভরসার প্রতীক। মা নেত্রীকে আজ দেখতে এসেছি। কিন্তু নিরাপত্তার স্বার্থে দেখতে পাইনি। এতে আমার দুঃখ নেই। কারণ তার জন্য মসজিদ-মাদরাসাসহ দেশের সব স্থানে দোয়া করা হচ্ছে। আল্লাহ চাইলে তিনি আমাদের মাঝে আবারও ফিরে আসবেন।

যুবদলের এ নেতা বলেন, বেগম জিয়ার জনপ্রিয়তা সারা বিশ্বে রয়েছে। এক হাজার বছরেও এমন জনপ্রিয় নেত্রী আমাদের মাঝে আসবে কি না আমরা বলতে পারব না। আগামী দিনে শেখ হাসিনার ফাঁসি যেন দেখে যেতে পারেন সেজন্য আমরা দোয়া করি।