ঢাকা , মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের সমঝোতা শেষে হলে উঠলেন শিবিরের নেতা-কর্মীরা ‘কোটা গেছে যেই পথে, কমিটি যাবে সেই পথে’ স্লোগানে উত্তাল ঢাবি শিক্ষক নিয়োগে ম্যানেজিং কমিটির হাতে ক্ষমতা, রাবিতে শিবিরের বিক্ষোভ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের কয়েক ঘণ্টা পরেই দিল্লিতে দীনেশ ত্রিবেদী ছেলে বিসিএস কর্মকর্তা, বাবা এবার এসএসসি পাশ করলেন ঠাকুরগাঁওয়ের ৫ স্কুলে কেউই পাশ করেনি, হতাশ না হয়ে চেষ্টার পরামর্শ মির্জা ফখরুলকন্যার সন্ধানের ৩ দিন পর যেভাবে ৯৬টি ল্যান্ড মাইন নিস্ক্রিয় করলো সেনাবাহিনী ‘ম্যানেজিং কমিটির ক্ষমতায় শিক্ষক নিয়োগ’-অবস্থান স্পষ্ট করলেন শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী যাবেন তাই এক পাশে রং, অন্য পাশে মলিন বাংলাদেশে কেয়ামত পর্যন্ত ঘুষ-দুর্নীতি বন্ধ হবে না, চ্যালেঞ্জ দিলাম: ফয়জুল করীম

কোরবানির পশুর চামড়ার ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতের দাবি ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৩৯:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫
  • ৪৫৭ বার পড়া হয়েছে

কোরবানির পশুর চামড়ার ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ। রোববার (১ জুন) রাজধানীর পুরানা পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতাদের এক বৈঠকে এ দাবি জানানো হয়।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইউসুফ আহমাদ মানসুর এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল শেখ মাহবুবুর রহমান নাহিয়ান

সভাপতির বক্তব্যে ইউসুফ আহমাদ মানসুর বলেন, “কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রি বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মৌসুমি খাত। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এটি তাৎপর্যপূর্ণ আর্থিক সুযোগ। কিন্তু দুর্নীতি, সিন্ডিকেট ও অব্যবস্থাপনার কারণে প্রতিবছর চামড়ার মূল্য অস্বাভাবিকভাবে কমে গিয়ে সাধারণ মানুষ আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে।”

তিনি আরও বলেন, একসময় চামড়া শিল্প ছিল দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে এই খাত থেকে আয় হয়েছিল ১ হাজার ২৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অথচ ২০১৯-২০ অর্থবছরে তা কমে দাঁড়ায় ৭৯৭ মিলিয়ন ডলারে। সর্বশেষ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি আয় প্রায় ৫৮০ মিলিয়ন ডলার হলেও কাঁচা চামড়ার রপ্তানি আয় ১১.৬৫ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৬২.৪৮ মিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

তিনি অভিযোগ করেন, “কোরবানির মৌসুমে মধ্যস্বত্বভোগী সিন্ডিকেটের কারণে ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি ব্যাহত হয়। অনেক সময় চামড়া পচে নষ্ট হয় বা মাটিচাপা দিতে হয়, যা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের এই সম্ভাবনাময় খাতের জন্য লজ্জাজনক ও হতাশাজনক।”

তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “এই খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তাৎক্ষণিক এবং দীর্ঘমেয়াদি বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রয়োজন সুশাসন, স্বচ্ছতা ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা।”

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মুনতাছির আহমাদ, জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মাদ মিশকাতুল ইসলাম, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ইমরান হোসাইন নূর, খায়রুল আহসান মারজান, সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মাহমুদ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক হোসাইন ইবনে সরোয়ার, তথ্য গবেষণা ও প্রযুক্তি সম্পাদক ফয়জুল ইসলাম, দাওয়াহ ও দফতর সম্পাদক মুহাম্মাদ ইবরাহীম খলীল, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক মুহাম্মাদ আশিকুল ইসলাম, অর্থ ও কল্যাণ সম্পাদক এস এম কামরুল ইসলাম, প্রকাশনা সম্পাদক মাইমুন ইসলাম, যোগাযোগ ও মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্পাদক ইউসুফ পিয়াস, স্কুল ও কলেজ সম্পাদক মুহাম্মাদ আশিক আনোয়ার, কওমি মাদরাসা সম্পাদক শেখ মুহাম্মাদ মাহদী ইমাম, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক আরিফুল ইসলাম খান লিখন, আলিয়া মাদরাসা সম্পাদক রশীদ আহমাদ রায়হান, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক আব্দুল আজিজ নোমান, কার্যনির্বাহী সদস্য ইব্রাহীম নাসরুল্লাহসাইফ মুহাম্মদ আলাউদ্দিন

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের সমঝোতা শেষে হলে উঠলেন শিবিরের নেতা-কর্মীরা

কোরবানির পশুর চামড়ার ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতের দাবি ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের

আপডেট সময় ০৫:৩৯:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

কোরবানির পশুর চামড়ার ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ। রোববার (১ জুন) রাজধানীর পুরানা পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতাদের এক বৈঠকে এ দাবি জানানো হয়।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইউসুফ আহমাদ মানসুর এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল শেখ মাহবুবুর রহমান নাহিয়ান

সভাপতির বক্তব্যে ইউসুফ আহমাদ মানসুর বলেন, “কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রি বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মৌসুমি খাত। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এটি তাৎপর্যপূর্ণ আর্থিক সুযোগ। কিন্তু দুর্নীতি, সিন্ডিকেট ও অব্যবস্থাপনার কারণে প্রতিবছর চামড়ার মূল্য অস্বাভাবিকভাবে কমে গিয়ে সাধারণ মানুষ আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে।”

তিনি আরও বলেন, একসময় চামড়া শিল্প ছিল দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে এই খাত থেকে আয় হয়েছিল ১ হাজার ২৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অথচ ২০১৯-২০ অর্থবছরে তা কমে দাঁড়ায় ৭৯৭ মিলিয়ন ডলারে। সর্বশেষ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি আয় প্রায় ৫৮০ মিলিয়ন ডলার হলেও কাঁচা চামড়ার রপ্তানি আয় ১১.৬৫ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৬২.৪৮ মিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

তিনি অভিযোগ করেন, “কোরবানির মৌসুমে মধ্যস্বত্বভোগী সিন্ডিকেটের কারণে ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি ব্যাহত হয়। অনেক সময় চামড়া পচে নষ্ট হয় বা মাটিচাপা দিতে হয়, যা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের এই সম্ভাবনাময় খাতের জন্য লজ্জাজনক ও হতাশাজনক।”

তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “এই খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তাৎক্ষণিক এবং দীর্ঘমেয়াদি বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রয়োজন সুশাসন, স্বচ্ছতা ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা।”

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মুনতাছির আহমাদ, জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মাদ মিশকাতুল ইসলাম, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ইমরান হোসাইন নূর, খায়রুল আহসান মারজান, সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মাহমুদ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক হোসাইন ইবনে সরোয়ার, তথ্য গবেষণা ও প্রযুক্তি সম্পাদক ফয়জুল ইসলাম, দাওয়াহ ও দফতর সম্পাদক মুহাম্মাদ ইবরাহীম খলীল, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক মুহাম্মাদ আশিকুল ইসলাম, অর্থ ও কল্যাণ সম্পাদক এস এম কামরুল ইসলাম, প্রকাশনা সম্পাদক মাইমুন ইসলাম, যোগাযোগ ও মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্পাদক ইউসুফ পিয়াস, স্কুল ও কলেজ সম্পাদক মুহাম্মাদ আশিক আনোয়ার, কওমি মাদরাসা সম্পাদক শেখ মুহাম্মাদ মাহদী ইমাম, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক আরিফুল ইসলাম খান লিখন, আলিয়া মাদরাসা সম্পাদক রশীদ আহমাদ রায়হান, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক আব্দুল আজিজ নোমান, কার্যনির্বাহী সদস্য ইব্রাহীম নাসরুল্লাহসাইফ মুহাম্মদ আলাউদ্দিন