ঢাকা , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ক্রীড়াঙ্গনে নী’র’ব বি’প্ল’ব! ১০০ দিনেই যুক্ত ১ লাখ ৬৮ হাজার খেলোয়াড় এবার খেলছেন না নেইমার আর্জেন্টিনার জার্সি পরে এলে ফি অর্ধেক নেওয়ার ঘোষণা দিলেন চিকিৎসক তিন দিনের সফরে ঢাকায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরকার পতনের পর আ. লীগ নেতাদের সঙ্গে কয়েক ধাপে মিটিং হান্নান মাসউদের সিআইডি প্রধানের দায়িত্ব পাওয়ার তিন দিনের মাথায় অবসরের আবেদন কারাগারে গান-কবিতার আড্ডা, আইভীর কবিতায় সুর দেন মমতাজ আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রাঘাতে নিহত ৬, শোকের ছায়া চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘জনগণ ভাবছে সরকার ভোট নয়, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে নির্বাচিত’ যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, হামলা অব্যাহত ইসরায়েলের

বুলবুলের ওপর ক্ষিপ্ত আইসিসির বোর্ড সদস্যরা: দাবি ভারতীয় বার্তা সংস্থার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:১৬:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৩২ বার পড়া হয়েছে

এবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আসন্ন টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে আইসিসির ডিসপিউট রেজোলিউশন কমিটিতে (ডিআরসি) চিঠি দিলেও সেই উদ্যোগ কার্যত ব্যর্থ হতে চলেছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিসিবির এই আবেদন শুনানির যোগ্যই নয়, কারণ এটি ডিআরসি’র কার্যপরিধির বাইরে এই বিষয়টি পড়ে। সম্প্রতি আইসিসি বোর্ড মিটিংয়ে ভোটাভুটির মাধ্যমে বিসিবির ম্যাচ ভারতেই রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে, সেটি বাতিল করাতে বিসিবি ডিআরসি’র দ্বারস্থ হয়। ডিআরসি’র প্রধান হলেন ইংল্যান্ডের প্রখ্যাত আইনজীবী মাইকেল বেলফ (কিংস কাউন্সেল)।

ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআই’কে বিসিবির একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘বিসিবি সব সম্ভাব্য পথ খোলা রাখতে ডিআরসি’তে গেছে। যদি ডিআরসি বিসিবির বিপক্ষে রায় দেয়, তাহলে শেষ ভরসা হবে সুইজারল্যান্ডের কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টস (সিএএস)।’ কিন্তু আইসিসির ডিআরসি’র টার্মস অব রেফারেন্সের ধারা ১.৩–এ স্পষ্ট বলা আছে—’এই কমিটি আইসিসি বোর্ড বা আইসিসির কোনো সিদ্ধান্তগ্রহণকারী সংস্থার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শুনবে না।’ অর্থাৎ, আইসিসি বোর্ড অব ডিরেক্টর্স যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার বিরুদ্ধে ডিআরসি’র কোনো শুনানি করার এখতিয়ারই নেই। আইসিসির একটি সূত্র পিটিআইকে জানিয়েছে, ‘বাংলাদেশ ডিআরসি’তে যেতে পারে, কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী এই মামলাটি শোনারই সুযোগ নেই, কারণ এটি বোর্ড অব ডিরেক্টর্সের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে।’

পিটিআই’র এক সূত্র আরও জানিয়েছে, ‘আইসিসি বোর্ডের সদস্যরা বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের ওপর ক্ষুব্ধ। আইসিসিকে আগে না জানিয়ে কেন সংবাদ সম্মেলন করা হলো, সেটাই তাদের প্রশ্ন। ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আইসিসির কাছে চোখে অপ্রাসঙ্গিক ব্যক্তি হওয়ায় তার বক্তব্য আইসিসির এখতিয়ারের বাইরে হলেও বুলবুলের এমনটা করা উচিত হয়নি বলে মনে করেন তারা।’ ডিআরসি ব্রিটিশ আইনের অধীনে কাজ করে। ২০১৮ সালে এই কমিটিই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) ৭ কোটি ডলারের ক্ষতিপূরণ দাবি খারিজ করে দিয়েছিল, যা তারা বিসিসিআইয়ের বিরুদ্ধে করেছিল দ্বিপাক্ষিক সিরিজ না খেলায়।

সেই রায়ে ডিআরসি বলেছিল, পিসিবি যেটিকে “মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং” বলেছিল, সেটি আসলে আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক কোনো চুক্তি নয়, বরং শুধু একটি ‘লেটার অব ইনটেন্ট’। ডিআরসি মূলত দেখে, আইসিসি বোর্ড নিয়ম–কানুন মেনে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কি না। এটি আপিল আদালত নয়। মাইকেল বেলফ ছাড়াও ডিআরসি’র সদস্যদের মধ্যে আছেন—মাইক হেরন (কিংস কাউন্সেল), বিচারপতি উইনস্টন অ্যান্ডারসন, ডিয়ন ভ্যান জিল (দক্ষিণ আফ্রিকা), গ্যারি রবার্টস (আমেরিকা), গুও কাই (এশিয়া), অ্যানাবেল বেনেট, জঁ পলসঁ, পিটার নিকলসন (এথিক্স অফিসার), বিজয় মালহোত্রা (অডিট কমিটির চেয়ারম্যান) ও স্যালি ক্লার্ক (ম্যানেজমেন্ট সাপোর্ট)।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্রীড়াঙ্গনে নী’র’ব বি’প্ল’ব! ১০০ দিনেই যুক্ত ১ লাখ ৬৮ হাজার খেলোয়াড়

বুলবুলের ওপর ক্ষিপ্ত আইসিসির বোর্ড সদস্যরা: দাবি ভারতীয় বার্তা সংস্থার

আপডেট সময় ০২:১৬:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

এবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আসন্ন টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে আইসিসির ডিসপিউট রেজোলিউশন কমিটিতে (ডিআরসি) চিঠি দিলেও সেই উদ্যোগ কার্যত ব্যর্থ হতে চলেছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিসিবির এই আবেদন শুনানির যোগ্যই নয়, কারণ এটি ডিআরসি’র কার্যপরিধির বাইরে এই বিষয়টি পড়ে। সম্প্রতি আইসিসি বোর্ড মিটিংয়ে ভোটাভুটির মাধ্যমে বিসিবির ম্যাচ ভারতেই রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে, সেটি বাতিল করাতে বিসিবি ডিআরসি’র দ্বারস্থ হয়। ডিআরসি’র প্রধান হলেন ইংল্যান্ডের প্রখ্যাত আইনজীবী মাইকেল বেলফ (কিংস কাউন্সেল)।

ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআই’কে বিসিবির একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘বিসিবি সব সম্ভাব্য পথ খোলা রাখতে ডিআরসি’তে গেছে। যদি ডিআরসি বিসিবির বিপক্ষে রায় দেয়, তাহলে শেষ ভরসা হবে সুইজারল্যান্ডের কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টস (সিএএস)।’ কিন্তু আইসিসির ডিআরসি’র টার্মস অব রেফারেন্সের ধারা ১.৩–এ স্পষ্ট বলা আছে—’এই কমিটি আইসিসি বোর্ড বা আইসিসির কোনো সিদ্ধান্তগ্রহণকারী সংস্থার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শুনবে না।’ অর্থাৎ, আইসিসি বোর্ড অব ডিরেক্টর্স যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার বিরুদ্ধে ডিআরসি’র কোনো শুনানি করার এখতিয়ারই নেই। আইসিসির একটি সূত্র পিটিআইকে জানিয়েছে, ‘বাংলাদেশ ডিআরসি’তে যেতে পারে, কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী এই মামলাটি শোনারই সুযোগ নেই, কারণ এটি বোর্ড অব ডিরেক্টর্সের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে।’

পিটিআই’র এক সূত্র আরও জানিয়েছে, ‘আইসিসি বোর্ডের সদস্যরা বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের ওপর ক্ষুব্ধ। আইসিসিকে আগে না জানিয়ে কেন সংবাদ সম্মেলন করা হলো, সেটাই তাদের প্রশ্ন। ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আইসিসির কাছে চোখে অপ্রাসঙ্গিক ব্যক্তি হওয়ায় তার বক্তব্য আইসিসির এখতিয়ারের বাইরে হলেও বুলবুলের এমনটা করা উচিত হয়নি বলে মনে করেন তারা।’ ডিআরসি ব্রিটিশ আইনের অধীনে কাজ করে। ২০১৮ সালে এই কমিটিই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) ৭ কোটি ডলারের ক্ষতিপূরণ দাবি খারিজ করে দিয়েছিল, যা তারা বিসিসিআইয়ের বিরুদ্ধে করেছিল দ্বিপাক্ষিক সিরিজ না খেলায়।

সেই রায়ে ডিআরসি বলেছিল, পিসিবি যেটিকে “মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং” বলেছিল, সেটি আসলে আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক কোনো চুক্তি নয়, বরং শুধু একটি ‘লেটার অব ইনটেন্ট’। ডিআরসি মূলত দেখে, আইসিসি বোর্ড নিয়ম–কানুন মেনে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কি না। এটি আপিল আদালত নয়। মাইকেল বেলফ ছাড়াও ডিআরসি’র সদস্যদের মধ্যে আছেন—মাইক হেরন (কিংস কাউন্সেল), বিচারপতি উইনস্টন অ্যান্ডারসন, ডিয়ন ভ্যান জিল (দক্ষিণ আফ্রিকা), গ্যারি রবার্টস (আমেরিকা), গুও কাই (এশিয়া), অ্যানাবেল বেনেট, জঁ পলসঁ, পিটার নিকলসন (এথিক্স অফিসার), বিজয় মালহোত্রা (অডিট কমিটির চেয়ারম্যান) ও স্যালি ক্লার্ক (ম্যানেজমেন্ট সাপোর্ট)।