ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
৫ দিন পর আদানির বন্ধ ইউনিট চালু, বেড়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ বজ্রপাতে সোমবারও ৪ জেলায় ৯ জনের মৃত্যু গভীর রাতে ছাত্রীসহ কর্মকর্তা আটক নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে, তদন্ত কমিটি গঠন অটোরিকশায় মাইক বেঁধে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া সেই যুবক আটক নুসরাতের মনোনয়নপত্র গ্রহণে আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করবে ইসি, আপিলে যাবে না সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা লিমন-বৃষ্টি হত্যাকাণ্ড: আদালতের প্রকাশিত নথিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য, গুরুত্বপূর্ণ আলামত জব্দ চাঞ্চল্যকর মিতু হত্যা মামলা: আসামি ভোলার জামিন স্থগিত ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বড় সুখবর দিলেন প্রধানমন্ত্রী জুলাই সনদের আলোচনাকে কেন্দ্র করে সংসদে হট্টগোল

সমঝোতার নামে চাঁদাবাজিকে বৈধতা দেওয়ার অভিযোগ: প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৫২:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭৩ বার পড়া হয়েছে

সমঝোতার নামে চাঁদাবাজিকে কার্যত বৈধতা দেওয়ার অভিযোগ তুলে সড়কপরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রীর বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বক্তব্য প্রত্যাহার ও দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়ার দাবি জানিয়েছে দলটি।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে বলেন, সম্প্রতি সড়কপরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ‘সমঝোতার’ নামে চাঁদাবাজিকে কার্যত বৈধতা দেওয়ার যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা অনাকাঙ্ক্ষিত, অনভিপ্রেত ও অনৈতিক।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, চাঁদাবাজি একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ, যা সমাজ, অর্থনীতি ও আইনের শাসনের জন্য মারাত্মক হুমকি। একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রীর বক্তব্য থেকে যদি অবৈধ অর্থ আদায় বা অনৈতিক সমঝোতাকে গ্রহণযোগ্য বলে মনে হয়, তবে তা রাষ্ট্রের নৈতিক অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং অপরাধীদের আরও উৎসাহিত করে। এর ফলে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা দুর্বল হবে এবং জনগণ ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা থেকে বঞ্চিত হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের দায়িত্ব হলো চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া। কোনো অবস্থাতেই অপরাধকে ‘সমঝোতার’ নামে আড়াল করার সুযোগ নেই।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র পক্ষ থেকে জানানো হয়, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে দলটির অবস্থান আপসহীন। মন্ত্রীর বিতর্কিত বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করে দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের বক্তব্য পরিহারের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে চাঁদাবাজি প্রতিরোধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও তার কার্যকর বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে।

এছাড়া জনগণের জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের ওপর জোর দিয়ে বলা হয়, সরকার ব্যর্থ হলে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। ন্যায় ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় দেশবাসীকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ দিন পর আদানির বন্ধ ইউনিট চালু, বেড়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ

সমঝোতার নামে চাঁদাবাজিকে বৈধতা দেওয়ার অভিযোগ: প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের

আপডেট সময় ১২:৫২:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সমঝোতার নামে চাঁদাবাজিকে কার্যত বৈধতা দেওয়ার অভিযোগ তুলে সড়কপরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রীর বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বক্তব্য প্রত্যাহার ও দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়ার দাবি জানিয়েছে দলটি।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে বলেন, সম্প্রতি সড়কপরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ‘সমঝোতার’ নামে চাঁদাবাজিকে কার্যত বৈধতা দেওয়ার যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা অনাকাঙ্ক্ষিত, অনভিপ্রেত ও অনৈতিক।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, চাঁদাবাজি একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ, যা সমাজ, অর্থনীতি ও আইনের শাসনের জন্য মারাত্মক হুমকি। একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রীর বক্তব্য থেকে যদি অবৈধ অর্থ আদায় বা অনৈতিক সমঝোতাকে গ্রহণযোগ্য বলে মনে হয়, তবে তা রাষ্ট্রের নৈতিক অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং অপরাধীদের আরও উৎসাহিত করে। এর ফলে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা দুর্বল হবে এবং জনগণ ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা থেকে বঞ্চিত হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের দায়িত্ব হলো চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া। কোনো অবস্থাতেই অপরাধকে ‘সমঝোতার’ নামে আড়াল করার সুযোগ নেই।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র পক্ষ থেকে জানানো হয়, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে দলটির অবস্থান আপসহীন। মন্ত্রীর বিতর্কিত বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করে দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের বক্তব্য পরিহারের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে চাঁদাবাজি প্রতিরোধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও তার কার্যকর বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে।

এছাড়া জনগণের জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের ওপর জোর দিয়ে বলা হয়, সরকার ব্যর্থ হলে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। ন্যায় ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় দেশবাসীকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বানও জানানো হয়েছে।