ঢাকা , সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জামায়াতের এমপির গাড়িতে হামলা: বিএনপি-ছাত্রদলের ৩ নেতা বহিষ্কার পাকিস্তানের নিজস্ব প্রযুক্তির ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ চট্টগ্রামে যুবদল কর্মীকে গুলি কনটেন্ট ক্রিয়েটর হত্যা মামলায় বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার সমন্বয়কের কাছে চাঁদা দাবি ও জমি দখলের চেষ্টা হুইলচেয়ারে ট্রাইব্যুনালে এসে দীপু মনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন অসুস্থ স্বামী অখণ্ড ভারতের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন এ কে ফজলুল হক: প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পের নৈশভোজে গুলি: আটক সন্দেহভাজনের পরিচয় শনাক্ত মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াতে পারে বাংলাদেশ, পূর্বাভাস আইএমএফ’র ফেসবুকে লেখালেখি নিয়ে কুড়িগ্রামে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষে আহত ৬

বাংলাদেশ কখনো আফগানিস্তান হবে না: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৩৬:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরানি প্রশাসনের মুখপাত্র ফাতেমা মোহাজেরানি অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করেছেন, বর্তমান সংঘাত ইরান শুরু না করলেও এই যুদ্ধের সমাপ্তি টানার দায়িত্ব তারা নিজেরাই গ্রহণ করবে। আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও আধাসরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সিতে দেওয়া এক বিশেষ বিবৃতিতে তিনি এই মন্তব্য করেন। সরাসরি সম্প্রচারিত ওই বক্তব্যে তিনি পরিষ্কার করে বলেন, ‘আমরা যুদ্ধ শুরু করিনি, কিন্তু আমরাই এই যুদ্ধ শেষ করার দায়িত্ব নিয়েছি।তার এই মন্তব্য মূলত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ইরানের অনড় অবস্থানকেই বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছে।

বিবৃতিতে মোহাজেরানি মধ্যস্থতা বা আলোচনার জন্য বিশেষ কিছু শর্তারোপ করেছেন। তার মতে, কোনো ধরনের আলোচনা বা মধ্যস্থতা তখনই সফল হতে পারে যখন কেবল যুদ্ধবিরতি নয়, বরং হামলার পূর্ণাঙ্গ অবসান ঘটবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলে সুনির্দিষ্ট নিশ্চয়তা দেওয়া হবে। তিনি বলেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে এটিই ইরানি জনগণের প্রধান দাবি এবং এই নিশ্চয়তা ছাড়া আলোচনার পথে হাঁটা সম্ভব নয়।বিদ্বেষ থেমে গেলে কেবলমাত্র আলোচনার পথ খোলা যাবেউল্লেখ করে তিনি জানান, যুদ্ধ সম্পূর্ণভাবে থামলেই কেবল ইরান আলোচনার টেবিলে বসার কথা বিবেচনা করতে পারে।

ফাতেমা মোহাজেরানি আশা প্রকাশ করেছেন যে চলমান শত্রুতা ও সংঘাত দ্রুতই বন্ধ হবে, তবে যেকোনো ধরনের পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে ইরান পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। তার বক্তব্যে ফুটে উঠেছে, ইরান বর্তমান এই আঞ্চলিক অস্থিরতাকে দীর্ঘায়িত করতে চায় না, কিন্তু সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত এলে তারা এর চূড়ান্ত ফয়সালা না হওয়া পর্যন্ত পিছু হটবে না। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, জনগণের নিরাপত্তা এবং জাতীয় নিশ্চয়তার প্রশ্নে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, মোহাজেরানির এই বক্তব্য মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কঠোর হুমকির পাল্টা প্রতিক্রিয়া। ইরান এই বার্তার মাধ্যমে এটিই বোঝাতে চেয়েছে যে, তারা যুদ্ধের উস্কানিদাতা নয়, তবে আক্রান্ত হলে সেই যুদ্ধকে নিজস্ব শক্তিতে সমাপ্ত করার সক্ষমতা তাদের রয়েছে। বর্তমান এই সংকটময় মুহূর্তে তেহরান যে কেবল সামরিকভাবে নয়, বরং রাজনৈতিকভাবেও সুনির্দিষ্ট শর্তের ভিত্তিতে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে, তা এই মুখপাত্রের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াতের এমপির গাড়িতে হামলা: বিএনপি-ছাত্রদলের ৩ নেতা বহিষ্কার

বাংলাদেশ কখনো আফগানিস্তান হবে না: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:৩৬:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

এবার ইরানি প্রশাসনের মুখপাত্র ফাতেমা মোহাজেরানি অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করেছেন, বর্তমান সংঘাত ইরান শুরু না করলেও এই যুদ্ধের সমাপ্তি টানার দায়িত্ব তারা নিজেরাই গ্রহণ করবে। আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও আধাসরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সিতে দেওয়া এক বিশেষ বিবৃতিতে তিনি এই মন্তব্য করেন। সরাসরি সম্প্রচারিত ওই বক্তব্যে তিনি পরিষ্কার করে বলেন, ‘আমরা যুদ্ধ শুরু করিনি, কিন্তু আমরাই এই যুদ্ধ শেষ করার দায়িত্ব নিয়েছি।তার এই মন্তব্য মূলত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ইরানের অনড় অবস্থানকেই বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছে।

বিবৃতিতে মোহাজেরানি মধ্যস্থতা বা আলোচনার জন্য বিশেষ কিছু শর্তারোপ করেছেন। তার মতে, কোনো ধরনের আলোচনা বা মধ্যস্থতা তখনই সফল হতে পারে যখন কেবল যুদ্ধবিরতি নয়, বরং হামলার পূর্ণাঙ্গ অবসান ঘটবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলে সুনির্দিষ্ট নিশ্চয়তা দেওয়া হবে। তিনি বলেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে এটিই ইরানি জনগণের প্রধান দাবি এবং এই নিশ্চয়তা ছাড়া আলোচনার পথে হাঁটা সম্ভব নয়।বিদ্বেষ থেমে গেলে কেবলমাত্র আলোচনার পথ খোলা যাবেউল্লেখ করে তিনি জানান, যুদ্ধ সম্পূর্ণভাবে থামলেই কেবল ইরান আলোচনার টেবিলে বসার কথা বিবেচনা করতে পারে।

ফাতেমা মোহাজেরানি আশা প্রকাশ করেছেন যে চলমান শত্রুতা ও সংঘাত দ্রুতই বন্ধ হবে, তবে যেকোনো ধরনের পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে ইরান পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। তার বক্তব্যে ফুটে উঠেছে, ইরান বর্তমান এই আঞ্চলিক অস্থিরতাকে দীর্ঘায়িত করতে চায় না, কিন্তু সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত এলে তারা এর চূড়ান্ত ফয়সালা না হওয়া পর্যন্ত পিছু হটবে না। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, জনগণের নিরাপত্তা এবং জাতীয় নিশ্চয়তার প্রশ্নে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, মোহাজেরানির এই বক্তব্য মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কঠোর হুমকির পাল্টা প্রতিক্রিয়া। ইরান এই বার্তার মাধ্যমে এটিই বোঝাতে চেয়েছে যে, তারা যুদ্ধের উস্কানিদাতা নয়, তবে আক্রান্ত হলে সেই যুদ্ধকে নিজস্ব শক্তিতে সমাপ্ত করার সক্ষমতা তাদের রয়েছে। বর্তমান এই সংকটময় মুহূর্তে তেহরান যে কেবল সামরিকভাবে নয়, বরং রাজনৈতিকভাবেও সুনির্দিষ্ট শর্তের ভিত্তিতে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে, তা এই মুখপাত্রের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা