ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধ থামাতে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা বাড়ানোর ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রীর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪১:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬
  • ৪৩ বার পড়া হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত থামাতে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার তীব্রতা আরও বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। রোববার (২২ মার্চ) এনবিসির জনপ্রিয় রাজনৈতিক অনুষ্ঠান ‘মিট দ্য প্রেস’-এ অংশ নিয়ে তিনি এ কথা জানান।

অনুষ্ঠানে বেসেন্ট বলেন, কখনো কখনো পরিস্থিতি শান্ত করতে সামরিক চাপ বৃদ্ধি করাও কৌশলের অংশ হতে পারে। তার ভাষায়, “এই দুটি বিষয় একে অপরের পরিপন্থি নয়। অনেক সময় উত্তেজনা কমাতে হামলার তীব্রতা বাড়াতে হয়।” তিনি দাবি করেন, ইরান এমন চাপের ভাষাই বেশি বুঝে থাকে।

এর আগে শনিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি উন্মুক্ত না করলে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়া হতে পারে। তবে এর মাত্র একদিন আগে তিনি জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের লক্ষ্য অর্জনের খুব কাছাকাছি এবং যুদ্ধ গুটিয়ে নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের এই পরস্পরবিরোধী বার্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে অর্থমন্ত্রী বেসেন্ট ব্যাখ্যা দেন, সামরিক চাপ ও কূটনৈতিক সমাধান একইসঙ্গে এগোতে পারে বলেই ওয়াশিংটনের বর্তমান কৌশল নির্ধারিত হচ্ছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর আমিনুর শাহ গ্রেপ্তার

যুদ্ধ থামাতে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা বাড়ানোর ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রীর

আপডেট সময় ১১:৪১:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত থামাতে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার তীব্রতা আরও বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। রোববার (২২ মার্চ) এনবিসির জনপ্রিয় রাজনৈতিক অনুষ্ঠান ‘মিট দ্য প্রেস’-এ অংশ নিয়ে তিনি এ কথা জানান।

অনুষ্ঠানে বেসেন্ট বলেন, কখনো কখনো পরিস্থিতি শান্ত করতে সামরিক চাপ বৃদ্ধি করাও কৌশলের অংশ হতে পারে। তার ভাষায়, “এই দুটি বিষয় একে অপরের পরিপন্থি নয়। অনেক সময় উত্তেজনা কমাতে হামলার তীব্রতা বাড়াতে হয়।” তিনি দাবি করেন, ইরান এমন চাপের ভাষাই বেশি বুঝে থাকে।

এর আগে শনিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি উন্মুক্ত না করলে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়া হতে পারে। তবে এর মাত্র একদিন আগে তিনি জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের লক্ষ্য অর্জনের খুব কাছাকাছি এবং যুদ্ধ গুটিয়ে নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের এই পরস্পরবিরোধী বার্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে অর্থমন্ত্রী বেসেন্ট ব্যাখ্যা দেন, সামরিক চাপ ও কূটনৈতিক সমাধান একইসঙ্গে এগোতে পারে বলেই ওয়াশিংটনের বর্তমান কৌশল নির্ধারিত হচ্ছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।