ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মেহেরপুরে বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছিল ‘ছুটির ঘণ্টা’ সিনেমা, বাথরুমে বন্দি ছাত্রীকে অবশেষে উদ্ধার অদক্ষ ব্যক্তিদের হাতে রাষ্ট্র পড়লে জনগণের অনেক ভোগান্তি হয়: স্পিকার ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে বলল চীন বাউফলের পাঁচ নবজাতকের অসহায় পরিবারে ড. মাসুদ এমপির মানবতার স্পর্শ সাবেক আইআরজিসি প্রধান কেন চান যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ‘স্থল আক্রমণ’ চালাক ম্যাচ হারের পর ভিনিসিউসকে বায়ার্নের মাঠে রেখেই চলে গেল রিয়ালের বাস মার্কিন যুদ্ধবিমানের নতুন আতঙ্ক, চীনের তৈরি ইরানের অত্যাধুনিক ম্যানপ্যাড গণভোটের রায় পূর্ণ বাস্তবায়নে দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মামুনুল হক সন্ধ্যায় সাবেক অধিনায়কদের ক্যাপ্টেনস কার্ড দেবে বিসিবি আমার স্বামীকে হাত-পা বেঁধে পেট কেটে সিমেন্টের বস্তায় বেঁধে হত্যা করা হয়: বিডিআর সদস্যর স্ত্রী

এবার চিকিৎসা নিতে নিজেই পশু হাসপাতালে হাজির কাক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

এবার চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে পক্স রোগে আক্রান্ত একটি কাক চিকিৎসা নিতে নিজে থেকেই পশু হাসপাতালে এসে হাজির হয়েছে। কাকের চিকিৎসা নেওয়ার কয়েকটি ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মুহুর্তে ভাইরাল হয়।  বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে বাঁশখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় হাসপাতালের বারান্দার প্রবেশ মুখে কাকটি দেখতে পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুপন নন্দী ও প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ ডা. জুলকারনাইন শাওন ওই কাকের চিকিৎসা করেন। উপজেলা ডা. প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ ডা. জুলকারনাইন শাওন বলেন, সকাল ৯টার দিকে আমরা হাসপাতালের গেট পেরিয়ে রুমে প্রবেশ করতেই দরজার প্রবেশ মুখে একটি কাক দেখতে পাই। আমরা সেটাকে সুস্থস্বাভাবিক কাক মনে করে যে যার মতো করে রুমে ডুকে যায়। পরে কাকটি (ডাক) চিৎকার করে করে আমাদের দিকে চলে আসলে আমরা সেটাকে হাতে নিতেই দেখি কাকটি পক্স রোগে (ভাইরাস) আক্রান্ত। এরপর আমি ও স্যার মিলে কাকটিকে চিকিৎসা করি।

তিনি বলেন, পরে যখন চিকিৎসা দেওয়া শুরু করা হয়, আশ্চর্যজনকভাবে কাকটি শান্ত হয়ে যায়, কোনো বাধা দেয়নি। প্রথমে কাকটির ক্ষতস্থান আয়োডিন দিয়ে পরিষ্কার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর ব্যাথানাশক ঔষধ ও অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়েছে। কাকটির শরীরে অসংখ্য চামড়া পিণ্ড (বিষফোড়া) ছিল। সময় মত চিকিৎসা না পেলে কাকটি মারা যেতো। 

তিনি আরও বলেন, কাকটি বাকপ্রতিবন্ধী মানুষের মতো নিজেই তার চিকিৎসার জন্য ছুটে আসছিল। বর্তমানে কাকটি সুস্থ রয়েছে। কিছুক্ষণ পর পর গাছের ডাল থেকে হাসপাতালে বারান্দায় আসছেন। আবার উড়ে চলে যাচ্ছেন। কাকটিকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখতেছি আমরা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মেহেরপুরে বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছিল ‘ছুটির ঘণ্টা’ সিনেমা, বাথরুমে বন্দি ছাত্রীকে অবশেষে উদ্ধার

এবার চিকিৎসা নিতে নিজেই পশু হাসপাতালে হাজির কাক

আপডেট সময় ১০:৩৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

এবার চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে পক্স রোগে আক্রান্ত একটি কাক চিকিৎসা নিতে নিজে থেকেই পশু হাসপাতালে এসে হাজির হয়েছে। কাকের চিকিৎসা নেওয়ার কয়েকটি ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মুহুর্তে ভাইরাল হয়।  বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে বাঁশখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় হাসপাতালের বারান্দার প্রবেশ মুখে কাকটি দেখতে পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুপন নন্দী ও প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ ডা. জুলকারনাইন শাওন ওই কাকের চিকিৎসা করেন। উপজেলা ডা. প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ ডা. জুলকারনাইন শাওন বলেন, সকাল ৯টার দিকে আমরা হাসপাতালের গেট পেরিয়ে রুমে প্রবেশ করতেই দরজার প্রবেশ মুখে একটি কাক দেখতে পাই। আমরা সেটাকে সুস্থস্বাভাবিক কাক মনে করে যে যার মতো করে রুমে ডুকে যায়। পরে কাকটি (ডাক) চিৎকার করে করে আমাদের দিকে চলে আসলে আমরা সেটাকে হাতে নিতেই দেখি কাকটি পক্স রোগে (ভাইরাস) আক্রান্ত। এরপর আমি ও স্যার মিলে কাকটিকে চিকিৎসা করি।

তিনি বলেন, পরে যখন চিকিৎসা দেওয়া শুরু করা হয়, আশ্চর্যজনকভাবে কাকটি শান্ত হয়ে যায়, কোনো বাধা দেয়নি। প্রথমে কাকটির ক্ষতস্থান আয়োডিন দিয়ে পরিষ্কার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর ব্যাথানাশক ঔষধ ও অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়েছে। কাকটির শরীরে অসংখ্য চামড়া পিণ্ড (বিষফোড়া) ছিল। সময় মত চিকিৎসা না পেলে কাকটি মারা যেতো। 

তিনি আরও বলেন, কাকটি বাকপ্রতিবন্ধী মানুষের মতো নিজেই তার চিকিৎসার জন্য ছুটে আসছিল। বর্তমানে কাকটি সুস্থ রয়েছে। কিছুক্ষণ পর পর গাছের ডাল থেকে হাসপাতালে বারান্দায় আসছেন। আবার উড়ে চলে যাচ্ছেন। কাকটিকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখতেছি আমরা।