ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিজেকে শিশু মুক্তিযোদ্ধা দাবি তাহেরের, স্বাগত জানিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:৫৫:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

 

নিজেকে শিশু মুক্তিযোদ্ধা দাবি তাহেরের, স্বাগত জানিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

 

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের নিজেকে শিশু মুক্তিযোদ্ধা দাবি করায় তাকে স্বাগত জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তাহের বলেন, আজকে রাজাকার-আলবদরের কথা বলছেন। এটা এখন ডেড ইস্যু। কেন বলছি- আজকে আমরা এখানে বসে আছি। আমরা তো কেউ রাজাকার ছিলাম না, আলবদর ছিলাম না। উই আর লিডারশিপ ইন দ্য জামায়াতে ইসলামী। যদি আপনি সেভাবে মুক্তিযোদ্ধার কথা বলেন- আমিও একজন শিশু মুক্তিযোদ্ধা।

 

আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের বক্তব্যের পর সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমি আজকে নতুন করে আবিষ্কার করলাম আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের শিশু মুক্তিযোদ্ধা- তাকে আমি স্বাগতম জানাই। আমাদের সম্মানিত ব্যক্তি, আমি সবাইকে সম্মান প্রদর্শন করতে কসুর করি না- মাননীয় স্পিকার। আমাদের বিরোধীদলীয় নেতা নিজেকে শহীদ পরিবারের সন্তান দাবি করেন সেটা আমার ভালো লাগল। কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা ওইপারে (বিরোধী দলীয় আসনে) আছেন। আজকে ইতিহাসের একটা ফয়সালা করে দেওয়ার মতো একটা বিষয় আমি মনে রেখেছি।

যদি সময় পাই- এটা নিয়ে আর কখনো বিতর্ক হওয়া ঠিক হবে না। মাননীয় স্পিকার-মহামান্য রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর যেহেতু ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপরে বক্তব্য রাখছি- রাষ্ট্রপতিকে ইনস্টিটিউশনের প্রধান হিসেবে ধন্যবাদ এ জন্যই জানাই যে চব্বিশের আগস্ট থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত এ রাষ্ট্রে সরকার বিহীন অবস্থায় যে অভিভাবকের ভূমিকা পালন করেছেন সেজন্য। সেই ৫ থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী তৎকালীন ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে গেছেন; পার্লামেন্ট ডিজলভ হয়েছে মন্ত্রিপরিষদ নাই এবং ১০৬-এ কনস্টিটিউশনের অ্যাডভাইজারি রোলের বিপরীতে রাষ্ট্রপতি অ্যাডভাইস চেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের কাছে। যার অনুবলে অন্তর্বর্তী সরকার সৃজন হয়েছে কিন্তু কোনো টাইম লিমিট দেওয়া ছিলো না; তারও একটা কারণ ছিলো।

 

তিনি আরও বলেন, চিফ জাস্টিস এবং আপিলেট ডিভিশন পদত্যাগ করেছে। সেই রকম একটা অবস্থায় রাষ্ট্রপতি এ রাষ্ট্রের অভিভাবকের ভূমিকা হিসেবে তাকে দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে। সেজন্য তাকে আমি ধন্যবাদ জানাই।

 

সালাহউদ্দিন বলেন, আমাদের এখানে একজন মাননীয় সংসদ সদস্য আছেন, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদসহ আরও অনেকেই। চিফ অ্যাডভাইজর ড. ইউনূস সাহেবের নেতৃত্বে শপথ গ্রহণ করেছিলেন রাষ্ট্রপতিকে তখন তারা স্বীকৃতি দিয়েছিলেন- মাননীয় স্পিকার।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নিজেকে শিশু মুক্তিযোদ্ধা দাবি তাহেরের, স্বাগত জানিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:৫৫:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

 

নিজেকে শিশু মুক্তিযোদ্ধা দাবি তাহেরের, স্বাগত জানিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

 

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের নিজেকে শিশু মুক্তিযোদ্ধা দাবি করায় তাকে স্বাগত জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তাহের বলেন, আজকে রাজাকার-আলবদরের কথা বলছেন। এটা এখন ডেড ইস্যু। কেন বলছি- আজকে আমরা এখানে বসে আছি। আমরা তো কেউ রাজাকার ছিলাম না, আলবদর ছিলাম না। উই আর লিডারশিপ ইন দ্য জামায়াতে ইসলামী। যদি আপনি সেভাবে মুক্তিযোদ্ধার কথা বলেন- আমিও একজন শিশু মুক্তিযোদ্ধা।

 

আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের বক্তব্যের পর সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমি আজকে নতুন করে আবিষ্কার করলাম আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের শিশু মুক্তিযোদ্ধা- তাকে আমি স্বাগতম জানাই। আমাদের সম্মানিত ব্যক্তি, আমি সবাইকে সম্মান প্রদর্শন করতে কসুর করি না- মাননীয় স্পিকার। আমাদের বিরোধীদলীয় নেতা নিজেকে শহীদ পরিবারের সন্তান দাবি করেন সেটা আমার ভালো লাগল। কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা ওইপারে (বিরোধী দলীয় আসনে) আছেন। আজকে ইতিহাসের একটা ফয়সালা করে দেওয়ার মতো একটা বিষয় আমি মনে রেখেছি।

যদি সময় পাই- এটা নিয়ে আর কখনো বিতর্ক হওয়া ঠিক হবে না। মাননীয় স্পিকার-মহামান্য রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর যেহেতু ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপরে বক্তব্য রাখছি- রাষ্ট্রপতিকে ইনস্টিটিউশনের প্রধান হিসেবে ধন্যবাদ এ জন্যই জানাই যে চব্বিশের আগস্ট থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত এ রাষ্ট্রে সরকার বিহীন অবস্থায় যে অভিভাবকের ভূমিকা পালন করেছেন সেজন্য। সেই ৫ থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী তৎকালীন ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে গেছেন; পার্লামেন্ট ডিজলভ হয়েছে মন্ত্রিপরিষদ নাই এবং ১০৬-এ কনস্টিটিউশনের অ্যাডভাইজারি রোলের বিপরীতে রাষ্ট্রপতি অ্যাডভাইস চেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের কাছে। যার অনুবলে অন্তর্বর্তী সরকার সৃজন হয়েছে কিন্তু কোনো টাইম লিমিট দেওয়া ছিলো না; তারও একটা কারণ ছিলো।

 

তিনি আরও বলেন, চিফ জাস্টিস এবং আপিলেট ডিভিশন পদত্যাগ করেছে। সেই রকম একটা অবস্থায় রাষ্ট্রপতি এ রাষ্ট্রের অভিভাবকের ভূমিকা হিসেবে তাকে দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে। সেজন্য তাকে আমি ধন্যবাদ জানাই।

 

সালাহউদ্দিন বলেন, আমাদের এখানে একজন মাননীয় সংসদ সদস্য আছেন, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদসহ আরও অনেকেই। চিফ অ্যাডভাইজর ড. ইউনূস সাহেবের নেতৃত্বে শপথ গ্রহণ করেছিলেন রাষ্ট্রপতিকে তখন তারা স্বীকৃতি দিয়েছিলেন- মাননীয় স্পিকার।