পর্তুগিজ ফুটবলে একই সঙ্গে বইছে দুই ‘রোনালদো’র হাওয়া। বাবা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো যখন ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, তখন দেশটির ফুটবলের ভবিষ্যৎ হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করে চলেছেন ছেলে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো জুনিয়র। পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশন (এফপিএফ) জানিয়েছে, উয়েফা ডেভেলপমেন্ট টুর্নামেন্টের জন্য আবারও জাতীয় অনূর্ধ্ব-১৬ দলে ডাক পেয়েছেন এই তরুণ প্রতিভা।
আগামী ১৯ মে থেকে ২৪ মে পর্যন্ত পর্তুগালের ব্রাগানসায় বসবে উয়েফা ডেভেলপমেন্ট টুর্নামেন্টের আসর। এই চার জাতি টুর্নামেন্টে স্বাগতিকদের প্রতিপক্ষ গ্রিস, ইতালি এবং চেক প্রজাতন্ত্র। ১৫ বছর বয়সী জুনিয়র রোনালদোর ওপর এই টুর্নামেন্টে বড় প্রত্যাশা রাখছে দেশটির ফুটবল ভক্তরা। ইতোমধ্যে পর্তুগাল অনূর্ধ্ব-১৬ দলের হয়ে এখন পর্যন্ত ৬ ম্যাচে ১টি গোল করে নিজের জাত চিনিয়েছেন রোনালদো পূত্র।
এর আগে, পর্তুগাল অনূর্ধ্ব-১৫ দলেও রোনালদো জুনিয়রের পারফরম্যান্স ছিল নজরকাড়া। গত ফেব্রুয়ারিতে আলগার্ভ ইন্টারন্যাশনাল টুর্নামেন্ট এবং অক্টোবরে তুরস্কে অনুষ্ঠিত কনফেডারেশন কাপে চ্যাম্পিয়ন দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। বিশেষ করে ক্রোয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত একটি টুর্নামেন্টের ফাইনালে জোড়া গোল করে পর্তুগালকে শিরোপা জেতানোয় বড় ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি।
বাবার ক্লাব পরিবর্তনের সাথে সাথে জুনিয়র রোনালদোও খেলেছেন জুভেন্টাস ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের যুব একাডেমিতে। বর্তমানে তিনি সৌদি ক্লাব আল নাসরের হয়ে খেলছেন। মাঝেমধ্যেই আল নাসরের মূল দলের সাথে তার অনুশীলনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। বিশ্লেষকদের মতে, শারীরিক শক্তি, গোল করার ক্ষমতা এবং মাঠের লড়াকু মানসিকতা- সব দিক থেকেই তিনি এখন বাবার প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠছেন।
উল্লেখ্য, পর্তুগালের ফুটবল ইতিহাসে তো বটেই, বিশ্ব ফুটবলে সিআর সেভেন এক কিংবদন্তির নাম। ফুটবলপ্রেমীদের ধারণা, ২০২৬ বিশ্বকাপে বাবা রোনালদো যখন তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায় লিখবেন, তখন পর্তুগিজ ফুটবলের নতুন মশাল হাতে যাত্রা শুরু করবেন এই রোনালদো জুনিয়র।

ডেস্ক রিপোর্ট 


















