পাকিস্তানের সঙ্গে বেইজিংয়ের ‘অটুট’ বন্ধুত্বের প্রশংসা করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সফররত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও গভীর করার আহ্বান জানান তিনি।
পাকিস্তানকে ‘অল-ওয়েদার স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার’ হিসেবে বিবেচনা করে চীন। অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।
সোমবার (২৫ মে) বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে শরিফকে স্বাগত জানিয়ে তাকে ‘পুরোনো বন্ধু’ হিসেবে উল্লেখ করেন শি জিনপিং। তিনি বলেন, কয়েক দশক ধরে দুই দেশ ‘পারস্পরিক বোঝাপড়া, আস্থা ও সমর্থনের’ ভিত্তিতে একটি ‘ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্ব’ গড়ে তুলেছেন।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য পাকিস্তানের বৃত্তি ঘোষণা, আবেদন যেভাবে
শি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি যেভাবেই পরিবর্তিত হোক না কেন, বেইজিং সবসময় চীন-পাকিস্তান সম্পর্কের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেয়।’
অন্যদিকে চীন ও পাকিস্তানকে ‘আয়রন ব্রাদার্স’ হিসেবে বর্ণনা করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেন, তাদের সম্পর্কের তুলনা নেই।
চীনা নেতাদের উদ্দেশে শরিফের বার্তা, ‘বিশ্ব বর্তমানে এক সংকটপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে। পরিস্থিতি সঠিক পথে এগোচ্ছে। শান্তি প্রতিষ্ঠায় চীনের সমর্থনের জন্য আমি কৃতজ্ঞতা জানাই।’
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে পাকিস্তান। গত মাসে দেশটি উভয় পক্ষের সরাসরি আলোচনা আয়োজন করলেও তাতে স্থায়ী কোনও সমঝোতা হয়নি।
এই ইস্যুতে তুলনামূলক নীরব ভূমিকা পালন করেছে চীন। উপসাগরীয় দেশগুলোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফোনালাপ ও বৈঠকের আয়োজনের মাধ্যমে তারা কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। বেইজিং জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় পাকিস্তানের সঙ্গে কাজ করে ‘ইতিবাচক অবদান’ রাখতে চায় তারা।
সূত্র: আল জাজিরা

ডেস্ক রিপোর্ট 


















