এবার ‘হেক্সা‘ মিশনের প্রস্তুতিটা জয় দিয়েই শুরু করল ব্রাজিল। সোমবার (১ জুন) রিও ডি জেনেরিওর ঐতিহাসিক মারাকানা স্টেডিয়ামে রীতিমতো গোল উৎসব করে পানামাকে ৬–২ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। বিরতির পর গোলরক্ষক ছাড়া একবারে ১০ খেলোয়াড় বদলে কার্লো আনচেলত্তির যে মাস্টারস্ট্রোক, তাতেই রীতিমতো কুপোকাত হয়েছে অতিথিরা।
এদিন মারাকানা স্টেডিয়াম ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। ম্যাচের সময় যখন মাত্র দুই মিনিট, ৩৫ গজ দূর থেকে রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ভিনিসিউস জুনিয়রের এক বুলেট গতির শটে চূর্ণ পানামার রক্ষণ। ম্যাচে লিড পায় স্বাগতিকরা। ম্যাচের ১৪তম মিনিটে দুর্ভাগ্যের ছোঁয়ায় কুইয়ার আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে পানামা। এই সমতা ভাঙতে সেলেসাওদের অপেক্ষা করতে হয়েছে অনেকটা সময়। ৩৯ মিনিটে ভিনির নিখুঁত ক্রসে কাসেমিরোর সেই চেনা বুলেট হেড। ২–১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ব্রাজিল।
খেলার আসল রোমাঞ্চের দেখা মেলে দ্বিতীয়ার্ধে। সেলেসাও কোচ কার্লো আনচেলত্তি গোলরক্ষক ছাড়া বেঞ্চের বাকি ১০ জনকেই নামিয়ে দেন মাঠে। আর এতেই যেন রীতিমত ঝড় নেমে আসে মাঠে। মাত্র ১০ মিনিটে তিনবার বল জড়ালো পানামার জালে। ৫৩ মিনিটে তরুন তুর্কী হায়ান, ৬০ মিনিটে পাকেতা আর ৬৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল উৎসবের স্কোরলাইন ৫–১ করেন থিয়াগো।
গোলক্ষুধা তখনও মেটেনি ব্রাজিলের। ৮১ মিনিটে পাকেতার পাস থেকে ডিফেন্ডারকে নাচিয়ে ব্রাজিলের ষষ্ঠ গোলটি করেন দানিলো সান্তোস। ৮৪ মিনিটে পানামার কার্লোস হার্ভে দূরপাল্লার শটে ব্যবধান কমালেও তা কেবল সান্ত্বনাই জুগিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ৬–২ গোলের এক বিধ্বংসী জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আনচেলত্তির শিষ্যরা। বিশ্বকাপের আগে ঘরের মাঠে এই জয় যেন প্রতিপক্ষদের জন্য এক হুঙ্কার। উল্লেখ্য, আগামী রোববার প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ মিশর। আর ১৪ জুন মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে সেলেসাওদের বিশ্বকাপ মিশন।

ডেস্ক রিপোর্ট 



















