ঢাকা , বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সড়কবাতির প্রযুক্তি শিখতে ফ্রান্সে যাচ্ছেন রাসিক প্রশাসক প্যান্টে বসলো রানি মৌমাছি, মুহূর্তে যুবকের পশ্চাৎদেশে চাক বাঁধলো মৌমাছির ঝাঁক! পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানালেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর গরু পশু নয়, আমাদের মা: মুসলিম ধর্মীয় নেতাদের যোগী আদিত্যনাথ আর্জেন্টিনার পতাকা টাঙাতে গিয়ে মৌমাছির কামড়ে সমর্থক আহত মোহাম্মদপুরে বাসার গেটে চাপাতি ঠেকিয়ে ছিনতাই, গ্রেপ্তার ২ ইউনিয়ন বিএনপির নেতা একাই গিলে খাচ্ছেন জনগণের সকল বরাদ্দ ও সুযোগ সুবিধা ইউনিয়ন বিএনপির নেতা একাই গিলে খাচ্ছেন জনগণের সকল বরাদ্দ ও সুযোগ সুবিধা বাসার গেটের সামনে ছিনতাইয়ের শিকার দুই নারী, গ্রেফতার ২ জামায়াত দেশের দায়িত্ব নিতে চায়: আযাদ

একা ঘরে বৃদ্ধা মায়ের মরদেহে পচন, জানেনা সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছেলেরা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
  • ১১৮ বার পড়া হয়েছে

এবার রাজধানীর মিরপুর১১ এলাকায় একটি বাসা থেকে নুরজাহান বেগম (৭৫) নামে এক বৃদ্ধার পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মৃত্যুর অন্তত সাত থেকে আট দিন পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (১ জুন) রাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯এ ফোন পেয়ে মিরপুরের ৬ নম্বর সেকশনের সি ব্লকের একটি ফ্ল্যাটে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে পল্লবী থানা পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়।

পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান বাসির জানান, নুরজাহান বেগম তার মেয়ের বাসায় থাকতেন। তবে তিনি একটি আলাদা কক্ষে অবস্থান করতেন। কয়েকদিন ধরে কোনো সাড়া না পেয়ে মেয়ে একজন নার্সকে ডেকে আনেন। ওই নার্স কক্ষে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় মরদেহে পচন ধরেছিল এবং কক্ষটিতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছিল। যে ঘরে বৃদ্ধা থাকতেন, সেটি অত্যন্ত অপরিচ্ছন্ন, অগোছালো ও আবর্জনায় ভরা ছিল। ঘটনাস্থলের অবস্থা দেখে দীর্ঘদিন ধরে তিনি অবহেলা ও পরিচর্যার অভাবে ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওসি বলেন, বৃদ্ধার মৃত্যুর সময় ও কারণ সম্পর্কে পরিবারের পক্ষ থেকে সন্তোষজনক তথ্য পাওয়া যায়নি। এ কারণে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের অনুসন্ধানে জানা গেছে, নুরজাহান বেগমের তিন ছেলে সমাজে প্রতিষ্ঠিত। তাদের একজন সরকারের একজন যুগ্ম সচিব, একজন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক এবং অন্যজন কানাডাপ্রবাসী। এছাড়া তার মেয়ের স্বামীও একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সড়কবাতির প্রযুক্তি শিখতে ফ্রান্সে যাচ্ছেন রাসিক প্রশাসক

একা ঘরে বৃদ্ধা মায়ের মরদেহে পচন, জানেনা সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছেলেরা

আপডেট সময় ১০:০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

এবার রাজধানীর মিরপুর১১ এলাকায় একটি বাসা থেকে নুরজাহান বেগম (৭৫) নামে এক বৃদ্ধার পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মৃত্যুর অন্তত সাত থেকে আট দিন পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (১ জুন) রাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯এ ফোন পেয়ে মিরপুরের ৬ নম্বর সেকশনের সি ব্লকের একটি ফ্ল্যাটে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে পল্লবী থানা পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়।

পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান বাসির জানান, নুরজাহান বেগম তার মেয়ের বাসায় থাকতেন। তবে তিনি একটি আলাদা কক্ষে অবস্থান করতেন। কয়েকদিন ধরে কোনো সাড়া না পেয়ে মেয়ে একজন নার্সকে ডেকে আনেন। ওই নার্স কক্ষে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় মরদেহে পচন ধরেছিল এবং কক্ষটিতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছিল। যে ঘরে বৃদ্ধা থাকতেন, সেটি অত্যন্ত অপরিচ্ছন্ন, অগোছালো ও আবর্জনায় ভরা ছিল। ঘটনাস্থলের অবস্থা দেখে দীর্ঘদিন ধরে তিনি অবহেলা ও পরিচর্যার অভাবে ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওসি বলেন, বৃদ্ধার মৃত্যুর সময় ও কারণ সম্পর্কে পরিবারের পক্ষ থেকে সন্তোষজনক তথ্য পাওয়া যায়নি। এ কারণে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের অনুসন্ধানে জানা গেছে, নুরজাহান বেগমের তিন ছেলে সমাজে প্রতিষ্ঠিত। তাদের একজন সরকারের একজন যুগ্ম সচিব, একজন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক এবং অন্যজন কানাডাপ্রবাসী। এছাড়া তার মেয়ের স্বামীও একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।