ঢাকা , মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সড়কবাতির প্রযুক্তি শিখতে ফ্রান্সে যাচ্ছেন রাসিক প্রশাসক প্যান্টে বসলো রানি মৌমাছি, মুহূর্তে যুবকের পশ্চাৎদেশে চাক বাঁধলো মৌমাছির ঝাঁক! পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানালেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর গরু পশু নয়, আমাদের মা: মুসলিম ধর্মীয় নেতাদের যোগী আদিত্যনাথ আর্জেন্টিনার পতাকা টাঙাতে গিয়ে মৌমাছির কামড়ে সমর্থক আহত মোহাম্মদপুরে বাসার গেটে চাপাতি ঠেকিয়ে ছিনতাই, গ্রেপ্তার ২ ইউনিয়ন বিএনপির নেতা একাই গিলে খাচ্ছেন জনগণের সকল বরাদ্দ ও সুযোগ সুবিধা ইউনিয়ন বিএনপির নেতা একাই গিলে খাচ্ছেন জনগণের সকল বরাদ্দ ও সুযোগ সুবিধা বাসার গেটের সামনে ছিনতাইয়ের শিকার দুই নারী, গ্রেফতার ২ জামায়াত দেশের দায়িত্ব নিতে চায়: আযাদ

রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যায় নাম আসা সেই ডলারের পরিচয় জানা গেল

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
  • ৩০৪ বার পড়া হয়েছে

এবার রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলার ঘটনায় নতুন করে নাম আসাডলারনামের এক ব্যক্তিকে ঘিরে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে বারবার তার নাম বলেছেন। যদিও তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তদন্ত, সাক্ষ্যপ্রমাণ কিংবা ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণে এ পর্যন্ত ডলার নামের ব্যক্তির সম্পৃক্ততার প্রমাণ মেলেনি। বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, ডলারের বাড়ি পল্লবী এলাকায়। যে বাসায় শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যা করা হয়েছে, তার কয়েকটি বাড়ি পরেই থাকেন তিনি। স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, ডলার পেশায় অটোরিকশাচালক ও মাদকাসক্ত। একই এলাকায় রিকশার গ্যারেজের মেকানিক হিসেবে কাজ করতো সোহেল রানা। সে সূত্রে তাদের মধ্যে পরিচয় ছিল।

ডলারের আর্থিক অবস্থা ভালো না হলেও তাদের পরিবারের অবস্থা ভালো। তাদের বাড়ি রয়েছে। নেশার খরচ জোগাতেই অটোরিকশা চালান। পাঁচ ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি ছোট। ডলারের বড় ভাই সেলিম রায়হান গণমাধ্যমকে বলেছেন, ১৯ বছর ধরে পরিবারের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই ডলারের। নিজের মতো চলাফেরা করেন। মাদকাসক্ত হওয়ায় পরিবারের সদস্যরাও এড়িয়ে চলেন তাকে। রামিসা হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত বলে মত তার।

সোমবার মামলার আসামি সোহেল রানা আদালতে সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, ‘রামিসাকে ধর্ষণ করেছে ডলার, মারছেও। আমি শুধু লাশ গুম করতে চেয়েছি। মেয়েটাকে এনে দিতে পারলে আমাকে দুই লাখ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল ডলার।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক ওহিদুজ্জামান ভূঁইয়া বলেছেন, ‘তদন্ত চলাকালে ডলারের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেলেও তার প্রমাণ মেলেনি। ডিজিটাল তদন্তেও তার উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগপত্রে তার নাম নেই।শিশু রামিসা আক্তারকে হত্যা মামলার আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আজ মঙ্গলবার (২ জুন) সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে। সোমবার সকালে আদালতে হাজির করা হয় মামলার আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে। 

ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের এজলাসে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। মামলার স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আজিজুর রহমান দুলু অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন। এ সময় তিনি আদালতে রামিসা হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা তুলে ধরেন। প্রসঙ্গত, গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসা থেকে শিশু রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। পরদিন প্রধান আসামি সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সোহেল রানা। অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ম্যাজিস্ট্রেট।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সড়কবাতির প্রযুক্তি শিখতে ফ্রান্সে যাচ্ছেন রাসিক প্রশাসক

রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যায় নাম আসা সেই ডলারের পরিচয় জানা গেল

আপডেট সময় ১০:৪৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

এবার রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলার ঘটনায় নতুন করে নাম আসাডলারনামের এক ব্যক্তিকে ঘিরে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে বারবার তার নাম বলেছেন। যদিও তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তদন্ত, সাক্ষ্যপ্রমাণ কিংবা ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণে এ পর্যন্ত ডলার নামের ব্যক্তির সম্পৃক্ততার প্রমাণ মেলেনি। বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, ডলারের বাড়ি পল্লবী এলাকায়। যে বাসায় শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যা করা হয়েছে, তার কয়েকটি বাড়ি পরেই থাকেন তিনি। স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, ডলার পেশায় অটোরিকশাচালক ও মাদকাসক্ত। একই এলাকায় রিকশার গ্যারেজের মেকানিক হিসেবে কাজ করতো সোহেল রানা। সে সূত্রে তাদের মধ্যে পরিচয় ছিল।

ডলারের আর্থিক অবস্থা ভালো না হলেও তাদের পরিবারের অবস্থা ভালো। তাদের বাড়ি রয়েছে। নেশার খরচ জোগাতেই অটোরিকশা চালান। পাঁচ ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি ছোট। ডলারের বড় ভাই সেলিম রায়হান গণমাধ্যমকে বলেছেন, ১৯ বছর ধরে পরিবারের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই ডলারের। নিজের মতো চলাফেরা করেন। মাদকাসক্ত হওয়ায় পরিবারের সদস্যরাও এড়িয়ে চলেন তাকে। রামিসা হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত বলে মত তার।

সোমবার মামলার আসামি সোহেল রানা আদালতে সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, ‘রামিসাকে ধর্ষণ করেছে ডলার, মারছেও। আমি শুধু লাশ গুম করতে চেয়েছি। মেয়েটাকে এনে দিতে পারলে আমাকে দুই লাখ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল ডলার।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক ওহিদুজ্জামান ভূঁইয়া বলেছেন, ‘তদন্ত চলাকালে ডলারের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেলেও তার প্রমাণ মেলেনি। ডিজিটাল তদন্তেও তার উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগপত্রে তার নাম নেই।শিশু রামিসা আক্তারকে হত্যা মামলার আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আজ মঙ্গলবার (২ জুন) সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে। সোমবার সকালে আদালতে হাজির করা হয় মামলার আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে। 

ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের এজলাসে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। মামলার স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আজিজুর রহমান দুলু অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন। এ সময় তিনি আদালতে রামিসা হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা তুলে ধরেন। প্রসঙ্গত, গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসা থেকে শিশু রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। পরদিন প্রধান আসামি সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সোহেল রানা। অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ম্যাজিস্ট্রেট।