ঢাকা , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আর্জেন্টিনার জার্সি পরে এলে ফি অর্ধেক নেওয়ার ঘোষণা দিলেন চিকিৎসক তিন দিনের সফরে ঢাকায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরকার পতনের পর আ. লীগ নেতাদের সঙ্গে কয়েক ধাপে মিটিং হান্নান মাসউদের সিআইডি প্রধানের দায়িত্ব পাওয়ার তিন দিনের মাথায় অবসরের আবেদন কারাগারে গান-কবিতার আড্ডা, আইভীর কবিতায় সুর দেন মমতাজ আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রাঘাতে নিহত ৬, শোকের ছায়া চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘জনগণ ভাবছে সরকার ভোট নয়, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে নির্বাচিত’ যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, হামলা অব্যাহত ইসরায়েলের ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের মশাল মিছিল নিখোঁজের ৬ দিন পর এভারেস্টে জীবিত উদ্ধার নেপালি শেরপা

৫ কোটি টাকা ব্রিজ নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ স্থায়িত্ব নিয়ে সন্দিহান এলাকাবাসী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:০৪:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

খুলনার কয়রা উপজেলা সদর থেকে হায়াতখালি জিসি হয়ে গিলাবাড়ি জিসি সড়কের শাকবাড়িয়া নদীর উপর ৪ হাজার ২৫৫ চেইনেজে ৩৬ মিটার আরসিসি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণে উপজেলার স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিইডি) কর্মকর্তাদের ম্যানেজ নিম্ন মানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে নিয়ম বহির্ভূতভাবে কাজ সম্পন্ন করার পাঁয়তারা করছে নির্মাণকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। শুধু তাই নয়, লোক চক্ষুর আড়ালে যেনতেনভাবে রাতের আঁধারে ব্রিজের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। নির্মাণ কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার হওয়ায় সেতুর স্থায়িত্ব নিয়ে সন্দিহান এলাকাবাসী।

 

গত বুধবার (০৩ জুন ) সকালে উন্নয়ন কাজে অনিয়ম দেখতে পেয়ে মহারাজপুর শাকবাড়িয়া নদের ওপরে সেতু নির্মাণ কাজে বাধা দেয় তারা। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ মানতে নারাজ উপজেলার স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিইডি)।

 

স্থানীয়দের দাবি, সেতু নির্মাণে নিম্নমানের ইট, বালিমিশ্রিত ও নিম্ন মানের পাথর (হাত দিলে চা দিলে ভেঙে যাচ্ছে) ও নিম্নমানের ঢালাই সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। তাই আমরা কর্মকর্তাদের জানালেও কোন কাজ না হলে আমরা কাজ বন্ধ করে দিয়ে প্রতিবাদ করি । এ নিয়ে প্রতিবাদ করাই কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির মাধ্যমে হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।তারা আরও জানান কাজ শুরুর পর নিম্ন মানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করাই স্থানীয় সংবাদককর্মী ও স্থানীয়রা এ পর্যন্ত মোট ৪ চার কাজ বন্ধ করে দেন৷ কিছু সময় বন্ধ থেকে আবার নিম্ন মানের সামগ্রী উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তাদের সামনে নিম্ন মানের সামগ্রী দিয়ে কাজ শুরু করে দেন।

 

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, ‘উপজেলা সদর থেকে হায়াতখালি জিসি হয়ে গিলাবাড়ি জিসি সড়কের ৪ হাজার ২৫৫ চেইনেজে ৩৬ মিটার আরসিসি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ’ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। দরপত্রে অংশ নেওয়া কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে থেকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে ‘এসএ-জেডটি জেভি’ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ২০২২ সালের ৩ আগস্ট কার্যাদেশ দেওয়া হয়। ২০২৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর কাজ শেষ হওয়ার কথা। তবে মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৬ সালের ৩০ জুন করা হয়। ব্রিজ নির্মাণের অগ্রগতি ৫৫ শতাংশ। ব্রিজটির ব্যয় ধরা হয় চার কোটি ৭১ লাখ টাকা।

 

স্থানীয় আব্দুল গফফার বলেন, ‘সেতুটি নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম হচ্ছে। মানুষ যাতে দেখতে না পাই সেজন্য গভীর রাতে সব কাজ করা হচ্ছে। যে পাথর ব্যবহার করা হচ্ছে তা হাত দিয়ে চাপ দিলে ধুলোর মতো হয়ে যাচ্ছে। এজন্যই আমরা সেতু নির্মাণে বাধা দিয়েছি।কিন্তু ম্যানেজ করে আবার কাজ শুরু করেছে। সেতুর নির্মাণ কাজে ব্যয় প্রায় পাঁচ কোটি টাকা। এত টাকায় সেতু নির্মাণ করলে ৫০০ বছরেও কিছু হওয়ার কথা না। তবে যেভাবে মানহীন মালামাল দিয়ে কাজ করা হচ্ছে তাতে ১০ বছর পরেই সেতু ভেঙে পড়বে।

 

আব্দুল নামে আরেক ব্যক্তি বলেন, সেতুতে বালু সিমেন্ট সঠিক নিয়মে ব্যবহার করা হচ্ছে না। নিম্নমানের বালু-সিমেন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে।কোন নিয়ম তোয়াক্কা করা হচ্ছে না। কাজের সাইডে বাধ্যতা মুলক সাইনবোর্ড দেওয়ার কথা থাকলেও সেটা দেয়া হয়নি। শিডিউল ও নকশা এলাকাবাসী দেখতে চাইলেও না দেখিয়ে প্রভাবশালীদের দিয়ে হুমকি দেয়া হচ্ছে। দেখানো হচ্ছে মামলার ভয়।

 

আসাদুল ইসলাম, মইনুল গাজি, আহাদ আলীসহ একাধিক স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সরকার জনগণের জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণের জন্য অনুমোদন দিলেও তা সরকারি কর্মকর্তা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মিলে নয়-ছয় করে কাজ করে যাচ্ছে। ইতিপুর্বেও সাংবাদিক এসেছিল উপজেলা প্রকৌশলী তাদেরকে বলেছিল যে সমস্ত নির্মাণ সামগ্রী খারাপ আছে তা সরিয়ে ভাল জিনিস দিয়ে কাজ করবে।কিন্তু উপজেলার এলজিইডির কর্মকর্তারা ও ঠিকাদাররা কয়েকজন প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে আবার নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ শুরু করছে।এমন ভাবে এই চার থেকে পাঁচ বার বাধা দেয়া হয় আবার শুধু হয় সেই নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে।

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার মো. মিরাজ হোসেন । তিনি বলেন, এসব বিষয়ে কাজের দায়িত্বে থাকা স্যারের সঙ্গে কথা বলুন।আমাকে যে ভাবে কাজ করার কথা বলা হয়েছে। আমি নিয়ম অনুযায়ী সেই ভাই কাজ করছি।

উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী আফজাল হোসেন সাথে কথা বললে তিনি ঠিকাদারের পক্ষে সাফাই গেয়ে বলেন, সিলেট বালু (লাল বালু) ও পাথর খুবই ভাল মানের।নিয়ম মাফিক কাজ হচ্ছে। জেলা অফিসের ল্যাব থেকে নির্মাণ সামগ্রী টেস্ট করে কাজ করা হচ্ছে।আবার বাঁধা দিয়েছে আবার টেস্টে পাঠানো হয়েছে। জনগণ বাধা দিয়েছে টেস্ট রিপোর্ট না আসলেও সেই নিম্ন মানের সামগ্রী দিয়ে কাজ শুধু করছে এমন প্রশ্নের তিনি কোন উত্তর দিতে পারেননি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্জেন্টিনার জার্সি পরে এলে ফি অর্ধেক নেওয়ার ঘোষণা দিলেন চিকিৎসক

৫ কোটি টাকা ব্রিজ নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ স্থায়িত্ব নিয়ে সন্দিহান এলাকাবাসী

আপডেট সময় ০৮:০৪:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

খুলনার কয়রা উপজেলা সদর থেকে হায়াতখালি জিসি হয়ে গিলাবাড়ি জিসি সড়কের শাকবাড়িয়া নদীর উপর ৪ হাজার ২৫৫ চেইনেজে ৩৬ মিটার আরসিসি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণে উপজেলার স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিইডি) কর্মকর্তাদের ম্যানেজ নিম্ন মানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে নিয়ম বহির্ভূতভাবে কাজ সম্পন্ন করার পাঁয়তারা করছে নির্মাণকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। শুধু তাই নয়, লোক চক্ষুর আড়ালে যেনতেনভাবে রাতের আঁধারে ব্রিজের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। নির্মাণ কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার হওয়ায় সেতুর স্থায়িত্ব নিয়ে সন্দিহান এলাকাবাসী।

 

গত বুধবার (০৩ জুন ) সকালে উন্নয়ন কাজে অনিয়ম দেখতে পেয়ে মহারাজপুর শাকবাড়িয়া নদের ওপরে সেতু নির্মাণ কাজে বাধা দেয় তারা। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ মানতে নারাজ উপজেলার স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিইডি)।

 

স্থানীয়দের দাবি, সেতু নির্মাণে নিম্নমানের ইট, বালিমিশ্রিত ও নিম্ন মানের পাথর (হাত দিলে চা দিলে ভেঙে যাচ্ছে) ও নিম্নমানের ঢালাই সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। তাই আমরা কর্মকর্তাদের জানালেও কোন কাজ না হলে আমরা কাজ বন্ধ করে দিয়ে প্রতিবাদ করি । এ নিয়ে প্রতিবাদ করাই কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির মাধ্যমে হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।তারা আরও জানান কাজ শুরুর পর নিম্ন মানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করাই স্থানীয় সংবাদককর্মী ও স্থানীয়রা এ পর্যন্ত মোট ৪ চার কাজ বন্ধ করে দেন৷ কিছু সময় বন্ধ থেকে আবার নিম্ন মানের সামগ্রী উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তাদের সামনে নিম্ন মানের সামগ্রী দিয়ে কাজ শুরু করে দেন।

 

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, ‘উপজেলা সদর থেকে হায়াতখালি জিসি হয়ে গিলাবাড়ি জিসি সড়কের ৪ হাজার ২৫৫ চেইনেজে ৩৬ মিটার আরসিসি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ’ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। দরপত্রে অংশ নেওয়া কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে থেকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে ‘এসএ-জেডটি জেভি’ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ২০২২ সালের ৩ আগস্ট কার্যাদেশ দেওয়া হয়। ২০২৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর কাজ শেষ হওয়ার কথা। তবে মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৬ সালের ৩০ জুন করা হয়। ব্রিজ নির্মাণের অগ্রগতি ৫৫ শতাংশ। ব্রিজটির ব্যয় ধরা হয় চার কোটি ৭১ লাখ টাকা।

 

স্থানীয় আব্দুল গফফার বলেন, ‘সেতুটি নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম হচ্ছে। মানুষ যাতে দেখতে না পাই সেজন্য গভীর রাতে সব কাজ করা হচ্ছে। যে পাথর ব্যবহার করা হচ্ছে তা হাত দিয়ে চাপ দিলে ধুলোর মতো হয়ে যাচ্ছে। এজন্যই আমরা সেতু নির্মাণে বাধা দিয়েছি।কিন্তু ম্যানেজ করে আবার কাজ শুরু করেছে। সেতুর নির্মাণ কাজে ব্যয় প্রায় পাঁচ কোটি টাকা। এত টাকায় সেতু নির্মাণ করলে ৫০০ বছরেও কিছু হওয়ার কথা না। তবে যেভাবে মানহীন মালামাল দিয়ে কাজ করা হচ্ছে তাতে ১০ বছর পরেই সেতু ভেঙে পড়বে।

 

আব্দুল নামে আরেক ব্যক্তি বলেন, সেতুতে বালু সিমেন্ট সঠিক নিয়মে ব্যবহার করা হচ্ছে না। নিম্নমানের বালু-সিমেন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে।কোন নিয়ম তোয়াক্কা করা হচ্ছে না। কাজের সাইডে বাধ্যতা মুলক সাইনবোর্ড দেওয়ার কথা থাকলেও সেটা দেয়া হয়নি। শিডিউল ও নকশা এলাকাবাসী দেখতে চাইলেও না দেখিয়ে প্রভাবশালীদের দিয়ে হুমকি দেয়া হচ্ছে। দেখানো হচ্ছে মামলার ভয়।

 

আসাদুল ইসলাম, মইনুল গাজি, আহাদ আলীসহ একাধিক স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সরকার জনগণের জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণের জন্য অনুমোদন দিলেও তা সরকারি কর্মকর্তা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মিলে নয়-ছয় করে কাজ করে যাচ্ছে। ইতিপুর্বেও সাংবাদিক এসেছিল উপজেলা প্রকৌশলী তাদেরকে বলেছিল যে সমস্ত নির্মাণ সামগ্রী খারাপ আছে তা সরিয়ে ভাল জিনিস দিয়ে কাজ করবে।কিন্তু উপজেলার এলজিইডির কর্মকর্তারা ও ঠিকাদাররা কয়েকজন প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে আবার নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ শুরু করছে।এমন ভাবে এই চার থেকে পাঁচ বার বাধা দেয়া হয় আবার শুধু হয় সেই নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে।

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার মো. মিরাজ হোসেন । তিনি বলেন, এসব বিষয়ে কাজের দায়িত্বে থাকা স্যারের সঙ্গে কথা বলুন।আমাকে যে ভাবে কাজ করার কথা বলা হয়েছে। আমি নিয়ম অনুযায়ী সেই ভাই কাজ করছি।

উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী আফজাল হোসেন সাথে কথা বললে তিনি ঠিকাদারের পক্ষে সাফাই গেয়ে বলেন, সিলেট বালু (লাল বালু) ও পাথর খুবই ভাল মানের।নিয়ম মাফিক কাজ হচ্ছে। জেলা অফিসের ল্যাব থেকে নির্মাণ সামগ্রী টেস্ট করে কাজ করা হচ্ছে।আবার বাঁধা দিয়েছে আবার টেস্টে পাঠানো হয়েছে। জনগণ বাধা দিয়েছে টেস্ট রিপোর্ট না আসলেও সেই নিম্ন মানের সামগ্রী দিয়ে কাজ শুধু করছে এমন প্রশ্নের তিনি কোন উত্তর দিতে পারেননি।