ঢাকা , বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার এখন চীনের হাতে মিসাইল না থাকলে গাজার মতো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতো ইরান: ইরানের প্রেসিডেন্ট নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী স্কটল্যান্ডকে হারালে আরেক বিপদ ব্রাজিলের! শি জিনপিং-তারেক রহমান বৈঠকের অপেক্ষা, আলোচনায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা যমজ কন্যা সন্তান হওয়ায় তালাক, থানায় ফের বিয়ে কিছু দেশের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকবে কিন্তু ইরানের থাকবে না, এটা হতে পারে না: শেহবাজ ইরান রাষ্ট্র হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে বড় ধরনের অর্থনৈতিক সুযোগ পাবে: রুবিও বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি, খুলে দেওয়া হয়েছে সব জলকপাট মসজিদে ঝুলন্ত অবস্থায় ইমামের মরদেহ উদ্ধার, রুমে মিলল চিরকুট

বিয়েতে রাজি না কিশোরী, হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৫৮:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

এবার ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনে জেলার ঐতিহাসিক লোহাগাড দুর্গে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হবু স্বামীকে হত্যার অভিযোগ এক তরুণীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই কুশোরী ও তার প্রেমিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তরুণী বিয়েতে রাজি না থাকলেও পরিবারের কাছে তা প্রকাশ না করে হত্যার পরিকল্পনা করেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আগামী নভেম্বরে কেতন আগারওয়াল ও সিয়া গোস্বালের বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। বিয়ের জন্য রাজস্থানের জয়পুরে একটি বিলাসবহুল ভেন্যু বুকিংসহ ব্যাপক প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছিল। তবে সিয়া এই বিয়েতে সম্মত ছিলেন না বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

পুলিশের তথ্যমতে, গত ১৮ জুন নিজের জন্মদিনে কেতনকে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে লোহাগাড দুর্গে নিয়ে যান সিয়া। সেখানে তার প্রেমিকের সহযোগিতায় কেতনকে খাদে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দল কয়েক ঘণ্টার অভিযানে খাদ থেকে কেতনের মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার পর সিয়া দাবি করেছিলেন, ছবি তুলতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত খাদে পড়ে গেছেন কেতন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শোক প্রকাশ করে একাধিক আবেগঘন পোস্ট দেন। তবে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তার বক্তব্যে অসংগতি ধরা পড়লে পুলিশের সন্দেহ আরও গভীর হয়।

তদন্তের একপর্যায়ে ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত করে পুলিশ। পরে সিয়া ও তার প্রেমিককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। এরপর তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিহত কেতন আগারওয়ালের পরিবার রাজস্থানের সুপরিচিত ব্যবসায়ী পরিবার হিসেবে পরিচিত। তার বাবা আবাসন খাতের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ের আয়োজনেও বিপুল অর্থ ব্যয়ের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। পুলিশ ঘটনার বিস্তারিত কারণ ও পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার এখন চীনের হাতে

বিয়েতে রাজি না কিশোরী, হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা

আপডেট সময় ০৯:৫৮:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

এবার ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনে জেলার ঐতিহাসিক লোহাগাড দুর্গে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হবু স্বামীকে হত্যার অভিযোগ এক তরুণীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই কুশোরী ও তার প্রেমিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তরুণী বিয়েতে রাজি না থাকলেও পরিবারের কাছে তা প্রকাশ না করে হত্যার পরিকল্পনা করেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আগামী নভেম্বরে কেতন আগারওয়াল ও সিয়া গোস্বালের বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। বিয়ের জন্য রাজস্থানের জয়পুরে একটি বিলাসবহুল ভেন্যু বুকিংসহ ব্যাপক প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছিল। তবে সিয়া এই বিয়েতে সম্মত ছিলেন না বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

পুলিশের তথ্যমতে, গত ১৮ জুন নিজের জন্মদিনে কেতনকে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে লোহাগাড দুর্গে নিয়ে যান সিয়া। সেখানে তার প্রেমিকের সহযোগিতায় কেতনকে খাদে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দল কয়েক ঘণ্টার অভিযানে খাদ থেকে কেতনের মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার পর সিয়া দাবি করেছিলেন, ছবি তুলতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত খাদে পড়ে গেছেন কেতন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শোক প্রকাশ করে একাধিক আবেগঘন পোস্ট দেন। তবে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তার বক্তব্যে অসংগতি ধরা পড়লে পুলিশের সন্দেহ আরও গভীর হয়।

তদন্তের একপর্যায়ে ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত করে পুলিশ। পরে সিয়া ও তার প্রেমিককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। এরপর তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিহত কেতন আগারওয়ালের পরিবার রাজস্থানের সুপরিচিত ব্যবসায়ী পরিবার হিসেবে পরিচিত। তার বাবা আবাসন খাতের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ের আয়োজনেও বিপুল অর্থ ব্যয়ের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। পুলিশ ঘটনার বিস্তারিত কারণ ও পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।