ঢাকা , রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘আটটি যুদ্ধ থামিয়েছি, তবু নোবেল পেলাম না’—হাস্যরসে ট্রাম্পের আক্ষেপ হলফনামায় ছিল ৩১ শতাংশ জমি, প্রতিমন্ত্রী হওয়ার তিন মাসেই সম্পদ বেড়েছে ৮ গুণ ফেস দ্যা পিপলের সম্পাদক-রিপোর্টারের বিরুদ্ধে মামলা ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে না: মিশরের প্রেসিডেন্ট ট্রাফিক পুলিশকে অনুরোধ না করতে সব মন্ত্রীকে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী অণ্ডকোষ চেপে চেক-স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়া সেই অভিযুক্ত গ্রেপ্তার শিশুর পাইলসের চিকিৎসা নিতে গিয়ে জানাজানি হলো ধর্ষণের ঘটনা ‘আ.লীগের আমলের আইনেই দলটির বিচার হবে’ বলে ব্যাখ্যা দিলেন চিফ প্রসিকিউটর মাত্র একটি আঘাতেই সবাইকে শেষ করে দিতে পারতাম: ট্রাম্প প্রেস ও মিডিয়া কমিটির নতুন নেতৃত্বে তাসনোভা মাহবুব সালাম

নিরাপত্তা কৌশল যেন সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না সরায়: প্রধানমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৩৪:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

নিরাপত্তার নামে সরকারপ্রধান যেন জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন না হন—এমন নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এমনভাবে সাজাতে হবে, যাতে জনগণ কখনো মনে না করেন যে সরকারপ্রধান তাদের থেকে দূরে সরে গেছেন।

রোববার (৫ জুলাই) ঢাকা সেনানিবাসে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর)-এর ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক সরকারের শক্তি জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা। তাই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারপ্রধানের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততাও বজায় রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন করেন এবং পিজিআর সদর দপ্তরে একটি স্মারক বৃক্ষ রোপণ করেন। এছাড়া চট্টগ্রামে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে নিহত পাঁচ পিজিআর সদস্যের পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

সশস্ত্র বাহিনীকে দেশের সাহস ও গৌরবের প্রতীক উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধে তাদের অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তিনি বলেন, পিজিআরের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতে তাদের পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠা প্রশংসার দাবিদার।

ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নের ওপরও জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সাইবার যুদ্ধসহ নতুন ধরনের হুমকি মোকাবিলায় প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা, সততা ও পেশাদারিত্ব আরও শক্তিশালী করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আধুনিক ও দক্ষ সশস্ত্র বাহিনী দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের নিরাপত্তা রক্ষায় ভবিষ্যতেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘আটটি যুদ্ধ থামিয়েছি, তবু নোবেল পেলাম না’—হাস্যরসে ট্রাম্পের আক্ষেপ

নিরাপত্তা কৌশল যেন সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না সরায়: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:৩৪:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

নিরাপত্তার নামে সরকারপ্রধান যেন জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন না হন—এমন নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এমনভাবে সাজাতে হবে, যাতে জনগণ কখনো মনে না করেন যে সরকারপ্রধান তাদের থেকে দূরে সরে গেছেন।

রোববার (৫ জুলাই) ঢাকা সেনানিবাসে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর)-এর ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক সরকারের শক্তি জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা। তাই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারপ্রধানের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততাও বজায় রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন করেন এবং পিজিআর সদর দপ্তরে একটি স্মারক বৃক্ষ রোপণ করেন। এছাড়া চট্টগ্রামে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে নিহত পাঁচ পিজিআর সদস্যের পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

সশস্ত্র বাহিনীকে দেশের সাহস ও গৌরবের প্রতীক উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধে তাদের অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তিনি বলেন, পিজিআরের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতে তাদের পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠা প্রশংসার দাবিদার।

ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নের ওপরও জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সাইবার যুদ্ধসহ নতুন ধরনের হুমকি মোকাবিলায় প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা, সততা ও পেশাদারিত্ব আরও শক্তিশালী করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আধুনিক ও দক্ষ সশস্ত্র বাহিনী দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের নিরাপত্তা রক্ষায় ভবিষ্যতেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।