ঢাকা , রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘আটটি যুদ্ধ থামিয়েছি, তবু নোবেল পেলাম না’—হাস্যরসে ট্রাম্পের আক্ষেপ হলফনামায় ছিল ৩১ শতাংশ জমি, প্রতিমন্ত্রী হওয়ার তিন মাসেই সম্পদ বেড়েছে ৮ গুণ ফেস দ্যা পিপলের সম্পাদক-রিপোর্টারের বিরুদ্ধে মামলা ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে না: মিশরের প্রেসিডেন্ট ট্রাফিক পুলিশকে অনুরোধ না করতে সব মন্ত্রীকে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী অণ্ডকোষ চেপে চেক-স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়া সেই অভিযুক্ত গ্রেপ্তার শিশুর পাইলসের চিকিৎসা নিতে গিয়ে জানাজানি হলো ধর্ষণের ঘটনা ‘আ.লীগের আমলের আইনেই দলটির বিচার হবে’ বলে ব্যাখ্যা দিলেন চিফ প্রসিকিউটর মাত্র একটি আঘাতেই সবাইকে শেষ করে দিতে পারতাম: ট্রাম্প প্রেস ও মিডিয়া কমিটির নতুন নেতৃত্বে তাসনোভা মাহবুব সালাম

ট্রাফিক পুলিশকে অনুরোধ না করতে সব মন্ত্রীকে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৫৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, একটা মন্ত্রী একদিন ট্রাফিক সিগনালে আটকে গেছেন, তার গান ম্যানকে বলেছেন, সার্জেন্টকে গিয়ে বলতে, মন্ত্রী সাহেব আছেন একটু ছেড়ে দেন। ওই কথাটা প্রধানমন্ত্রীর কানে চলে যায়। কেবিনেট মিটিংয়ে উনি উল্লেখ করেন, একজন মন্ত্রী এই কাজ করেছেন আর যেন কোনোদিন না শুনি, সো কেয়ারফুল। রবিবার (৫ জুলাই) রাজধানীর জাতীয় নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের নতুন ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এই বাংলাদেশের মানুষ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে নিয়ে যদি দেশটাকে উন্নত না করতে পারে, আর কোনও প্রধানমন্ত্রী এসে পারবে না। কেন পারবে না জানেন, কারণ আমরা উনাকে ভয় পাই। এই যে উনি সচিবালয় অফিস করেন এত বড় প্রাসাদ রেখে, কেন? এতে মজা কী? অফিস করেন আমাদের নিয়মানুবর্তিতা শেখানোর জন্য। উনি ওখানে বসার পর থেকে আমাদের কলিজা থেকে পানি যায় না। পৌনে ৯টার আগে সব মন্ত্রী, সচিব, অফিসার হাজির। এই সংসদে সকাল থেকে রাত ১১১২টা পর্যন্তআমরা অনেক সময় ঘুমঘুম ভাব হয়ে যাই, উনার চোখে একবারও ঘুম দেখি না।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এত পরিশ্রমউনি বসে থাকেন আমাদের সংসদে পাংচুয়েট করার জন্য। উনি ক্যান্টিনে বসে খান, আমাদের অভ্যাস করানোর জন্য। যাতে করে আমরা মানুষের সঙ্গে মিশি। উনি গাড়ি নিয়ে সিগনালে থামেন। এটা কিন্তু লোক দেখানোর জন্য না। আমরা যাতে অহংকার করে ট্রাফিক থামা অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে না যাই।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী কাজ করতে চান দেশের জন্য। কাজেই এই সুযোগ যদি আমরা হারাই, উনাকে ফলো না করি, আমাদের অপরাধ হবে। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে মনে করি, দেশটাকে গড়ার একটা সুন্দরতম সুযোগ এসেছে। আপনারা সহযোগিতা করুন, আমাদের নেতা তারেক রহমান উদার হস্তে আপনাদের দেবেন। দেশের স্বার্থে ৭০ হাজার কোটি টাকা দিয়েছেন। প্রয়োজনে আরও ৩০ হাজার কোটি টাকা এই বছরে উনি বাড়িয়ে দেবেন, যদি আমরা পারফরমেন্স শো করতে পারি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘আটটি যুদ্ধ থামিয়েছি, তবু নোবেল পেলাম না’—হাস্যরসে ট্রাম্পের আক্ষেপ

ট্রাফিক পুলিশকে অনুরোধ না করতে সব মন্ত্রীকে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:৫৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, একটা মন্ত্রী একদিন ট্রাফিক সিগনালে আটকে গেছেন, তার গান ম্যানকে বলেছেন, সার্জেন্টকে গিয়ে বলতে, মন্ত্রী সাহেব আছেন একটু ছেড়ে দেন। ওই কথাটা প্রধানমন্ত্রীর কানে চলে যায়। কেবিনেট মিটিংয়ে উনি উল্লেখ করেন, একজন মন্ত্রী এই কাজ করেছেন আর যেন কোনোদিন না শুনি, সো কেয়ারফুল। রবিবার (৫ জুলাই) রাজধানীর জাতীয় নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের নতুন ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এই বাংলাদেশের মানুষ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে নিয়ে যদি দেশটাকে উন্নত না করতে পারে, আর কোনও প্রধানমন্ত্রী এসে পারবে না। কেন পারবে না জানেন, কারণ আমরা উনাকে ভয় পাই। এই যে উনি সচিবালয় অফিস করেন এত বড় প্রাসাদ রেখে, কেন? এতে মজা কী? অফিস করেন আমাদের নিয়মানুবর্তিতা শেখানোর জন্য। উনি ওখানে বসার পর থেকে আমাদের কলিজা থেকে পানি যায় না। পৌনে ৯টার আগে সব মন্ত্রী, সচিব, অফিসার হাজির। এই সংসদে সকাল থেকে রাত ১১১২টা পর্যন্তআমরা অনেক সময় ঘুমঘুম ভাব হয়ে যাই, উনার চোখে একবারও ঘুম দেখি না।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এত পরিশ্রমউনি বসে থাকেন আমাদের সংসদে পাংচুয়েট করার জন্য। উনি ক্যান্টিনে বসে খান, আমাদের অভ্যাস করানোর জন্য। যাতে করে আমরা মানুষের সঙ্গে মিশি। উনি গাড়ি নিয়ে সিগনালে থামেন। এটা কিন্তু লোক দেখানোর জন্য না। আমরা যাতে অহংকার করে ট্রাফিক থামা অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে না যাই।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী কাজ করতে চান দেশের জন্য। কাজেই এই সুযোগ যদি আমরা হারাই, উনাকে ফলো না করি, আমাদের অপরাধ হবে। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে মনে করি, দেশটাকে গড়ার একটা সুন্দরতম সুযোগ এসেছে। আপনারা সহযোগিতা করুন, আমাদের নেতা তারেক রহমান উদার হস্তে আপনাদের দেবেন। দেশের স্বার্থে ৭০ হাজার কোটি টাকা দিয়েছেন। প্রয়োজনে আরও ৩০ হাজার কোটি টাকা এই বছরে উনি বাড়িয়ে দেবেন, যদি আমরা পারফরমেন্স শো করতে পারি।