ঢাকা , সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাত্র একটি আঘাতেই সবাইকে শেষ করে দিতে পারতাম: ট্রাম্প

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:২৯:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
  • ৭৬ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নেওয়া দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র চাইলে হামলা চালাতে পারতো। কিন্তু তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার পথ খোলা রাখতেই তারা ইচ্ছাকৃতভাবে এই হামলা থেকে বিরত ছিলো। সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের বরাত দিয়ে ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নিবিড়ভাবে খামেনির জানাজা পর্যবেক্ষণ করছিলো, যেখানে ইরানের শীর্ষস্থানীয় অনেক রাজনৈতিক ও সামরিক নেতা জড়ো হয়েছিলেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘তারা সবাই সেখানে ছিলেন। মাত্র একটি আঘাতেই আমরা তাদের সবাইকে শেষ করে দিতে পারতাম। কিন্তু আমরা তা করিনি, কারণ তেমনটি করলে আলোচনা করার মতো আর কেউই অবশিষ্ট থাকতো না।তিনি ইঙ্গিত দেন যে, আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য ইরানি কর্মকর্তারা যেন বেঁচে থাকেন, তা নিশ্চিত করতেই ওয়াশিংটন ইচ্ছাকৃতভাবে সামরিক পদক্ষেপ এড়িয়ে গেছে।

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, সাম্প্রতিক বৈরিতার পর ওয়াশিংটনের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে তেহরান বেশ আগ্রহী। অ্যাক্সিওসের তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দেশটিকেভয়াবহভাবে পর্যুদস্তকরার পর ইরান এখনচুক্তির জন্য ভিক্ষা চাইছেএবংমীমাংসা করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেবলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, জানাজা ও শোক পালনের সময় প্রায় এক সপ্তাহের জন্য পারমাণবিক আলোচনা স্থগিত রাখতে উভয় পক্ষই সম্মত হয়েছিলো।

তিনি জানান, আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার সুযোগ দিতেই এই সাময়িক স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছিলো। তিনি আরও বলেন, ওই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র বা ইরান কেউই একে অপরের ওপর কোনো হামলা চালাবে না। এদিকে, খামেনির জানাজায় মানুষের শোক প্রকাশের ধরন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ট্রাম্প। তিনি জানান, মানুষকে কাঁদতে দেখে তিনি অবাক হয়েছেন। কারণ, তিনি মনে করেন, অনেক ইরানিই প্রয়াত এই নেতাকে অপছন্দ করতেন। ট্রাম্প বলেন, ‘হতে পারে এগুলো নকল কান্না (মায়াকান্না)তার মতে, এই শোক হয়তো জনগণের সত্যিকারের আবেগের প্রতিফলন নয়।সূত্র: সামা টিভি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মাত্র একটি আঘাতেই সবাইকে শেষ করে দিতে পারতাম: ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৪:২৯:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নেওয়া দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র চাইলে হামলা চালাতে পারতো। কিন্তু তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার পথ খোলা রাখতেই তারা ইচ্ছাকৃতভাবে এই হামলা থেকে বিরত ছিলো। সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের বরাত দিয়ে ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নিবিড়ভাবে খামেনির জানাজা পর্যবেক্ষণ করছিলো, যেখানে ইরানের শীর্ষস্থানীয় অনেক রাজনৈতিক ও সামরিক নেতা জড়ো হয়েছিলেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘তারা সবাই সেখানে ছিলেন। মাত্র একটি আঘাতেই আমরা তাদের সবাইকে শেষ করে দিতে পারতাম। কিন্তু আমরা তা করিনি, কারণ তেমনটি করলে আলোচনা করার মতো আর কেউই অবশিষ্ট থাকতো না।তিনি ইঙ্গিত দেন যে, আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য ইরানি কর্মকর্তারা যেন বেঁচে থাকেন, তা নিশ্চিত করতেই ওয়াশিংটন ইচ্ছাকৃতভাবে সামরিক পদক্ষেপ এড়িয়ে গেছে।

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, সাম্প্রতিক বৈরিতার পর ওয়াশিংটনের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে তেহরান বেশ আগ্রহী। অ্যাক্সিওসের তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দেশটিকেভয়াবহভাবে পর্যুদস্তকরার পর ইরান এখনচুক্তির জন্য ভিক্ষা চাইছেএবংমীমাংসা করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেবলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, জানাজা ও শোক পালনের সময় প্রায় এক সপ্তাহের জন্য পারমাণবিক আলোচনা স্থগিত রাখতে উভয় পক্ষই সম্মত হয়েছিলো।

তিনি জানান, আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার সুযোগ দিতেই এই সাময়িক স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছিলো। তিনি আরও বলেন, ওই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র বা ইরান কেউই একে অপরের ওপর কোনো হামলা চালাবে না। এদিকে, খামেনির জানাজায় মানুষের শোক প্রকাশের ধরন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ট্রাম্প। তিনি জানান, মানুষকে কাঁদতে দেখে তিনি অবাক হয়েছেন। কারণ, তিনি মনে করেন, অনেক ইরানিই প্রয়াত এই নেতাকে অপছন্দ করতেন। ট্রাম্প বলেন, ‘হতে পারে এগুলো নকল কান্না (মায়াকান্না)তার মতে, এই শোক হয়তো জনগণের সত্যিকারের আবেগের প্রতিফলন নয়।সূত্র: সামা টিভি।