ঢাকা , শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

মস্কোকে থামানো কিয়েভের পক্ষে অসম্ভব: পুতিন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

ইউক্রেনের হামলায় রাশিয়ার অবস্থান বদলাবে না— এমন বার্তা দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তার দাবি, কিয়েভ যতই চেষ্টা করুক, মস্কোকে দমাতে কিংবা নীতিগতভাবে পিছু হটাতে পারবে না।

বুধবার (৮ জুলাই) ক্রেমলিন থেকে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভার বৈঠকে পুতিন বলেন, ইউক্রেনের লক্ষ্য রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালিয়ে অর্থনীতিকে দুর্বল করা। তবে রাশিয়ার জ্বালানি ব্যবস্থা এতটাই শক্তিশালী যে, এসব হামলায় দেশের অর্থনীতি কিংবা সাধারণ মানুষের মনোবল ভাঙবে না।

পুতিনের এই মন্তব্যের মধ্যেই রণক্ষেত্রেও নিজেদের অগ্রগতির দাবি করেছে মস্কো। রুশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পূর্ব ইউক্রেনের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহর কস্তিয়ানতিনিভকা তাদের নিয়ন্ত্রণে এসেছে। যদিও এ বিষয়ে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে ভিন্ন অবস্থান রয়েছে।

অন্যদিকে, ইউক্রেনকে আরও শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ন্যাটো সম্মেলনের ফাঁকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে তিনি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরির লাইসেন্স দেওয়ার প্রস্তাব দেন।

বিশ্বের অন্যতম কার্যকর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত প্যাট্রিয়ট ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্ষম। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বেড়ে যাওয়ায় ইউক্রেনের জন্য এই প্রযুক্তি এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সব মিলিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতার পাশাপাশি যুদ্ধক্ষেত্রেও উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। একদিকে রাশিয়ার কঠোর অবস্থান, অন্যদিকে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর পশ্চিমা উদ্যোগ— সংঘাতের নতুন অধ্যায়েরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অনলাইনে অস্ত্রের বাণিজ্য, বাড়ছে নিরাপত্তা শঙ্কা

মস্কোকে থামানো কিয়েভের পক্ষে অসম্ভব: পুতিন

আপডেট সময় ১১:০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

ইউক্রেনের হামলায় রাশিয়ার অবস্থান বদলাবে না— এমন বার্তা দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তার দাবি, কিয়েভ যতই চেষ্টা করুক, মস্কোকে দমাতে কিংবা নীতিগতভাবে পিছু হটাতে পারবে না।

বুধবার (৮ জুলাই) ক্রেমলিন থেকে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভার বৈঠকে পুতিন বলেন, ইউক্রেনের লক্ষ্য রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালিয়ে অর্থনীতিকে দুর্বল করা। তবে রাশিয়ার জ্বালানি ব্যবস্থা এতটাই শক্তিশালী যে, এসব হামলায় দেশের অর্থনীতি কিংবা সাধারণ মানুষের মনোবল ভাঙবে না।

পুতিনের এই মন্তব্যের মধ্যেই রণক্ষেত্রেও নিজেদের অগ্রগতির দাবি করেছে মস্কো। রুশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পূর্ব ইউক্রেনের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহর কস্তিয়ানতিনিভকা তাদের নিয়ন্ত্রণে এসেছে। যদিও এ বিষয়ে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে ভিন্ন অবস্থান রয়েছে।

অন্যদিকে, ইউক্রেনকে আরও শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ন্যাটো সম্মেলনের ফাঁকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে তিনি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরির লাইসেন্স দেওয়ার প্রস্তাব দেন।

বিশ্বের অন্যতম কার্যকর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত প্যাট্রিয়ট ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্ষম। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বেড়ে যাওয়ায় ইউক্রেনের জন্য এই প্রযুক্তি এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সব মিলিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতার পাশাপাশি যুদ্ধক্ষেত্রেও উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। একদিকে রাশিয়ার কঠোর অবস্থান, অন্যদিকে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর পশ্চিমা উদ্যোগ— সংঘাতের নতুন অধ্যায়েরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।