ঢাকা , বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বুধবার সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক এনসিপির এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সার্কিট হাউসে আশ্রয় নিয়েছিলেন সারজিস নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী কি মির্জা ফখরুলের জুতা টানার যোগ্যতা রাখে: রাশেদ খাঁন সারজিস-পাটোয়ারীর ওপর হামলার প্রতিবাদে রাজধানীতে এনসিপির বিক্ষোভ পুলিশের উপস্থিতিতেই নাসীরুদ্দীন-সারজিসের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ আসিফ মাহমুদের মিরপুরে দেয়াল ধসে আহতদের চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আপনার পতন ছাত্রদল আর যুবদলই নিয়ে আসবে—প্রধানমন্ত্রীকে শিবির সভাপতি পুলিশের উপস্থিতিতেই নাসীরুদ্দীন-সারজিসের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ আসিফ মাহমুদের নাসীরুদ্দীন-সারজিসের ওপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি নাহিদের হাসপাতালে নেয়ার সময়ও হামলাকারীরা থামেনি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

হাসপাতালে নেয়ার সময়ও হামলাকারীরা থামেনি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩২:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। তিনি বলেন, হবিগঞ্জে জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচি সফলভাবে শেষ করে আমরা যখন পরবর্তী নির্ধারিত কর্মসূচির উদ্দেশ্যে মৌলভীবাজারের দিকে রওনা হই, ঠিক সেই সময় হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের একদল সন্ত্রাসী হকিস্টিক, রামদা, চেইনসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর পরিকল্পিত ও অতর্কিত হামলা চালায়।

 

তিনি বলেন, সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো হামলার সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ ও র‍্যাব উপস্থিত থাকলেও তারা কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে। হামলাকারীরা আমাদের মিডিয়া টিমের ক্যামেরাসহ মূল্যবান সরঞ্জাম ছিনিয়ে নিয়ে যায় এবং গাড়িচালক থেকে শুরু করে আমাদের মিডিয়া টিমের সদস্যদের ওপর নির্বিচারে হামলা চালায়। উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের ওপরও হামলা করা হয়। হবিগঞ্জের স্থানীয় নেতা-কর্মীদের ওপর নির্মমভাবে আঘাত করা হয়। কারও হাত ভেঙে দেয়া হয়েছে, কারও পা ভেঙে দেয়া হয়েছে। অনেকেই রক্তাক্ত অবস্থায় সড়কে লুটিয়ে পড়ে আছে।

 

তিনি আরও বলেন, আমরা এই ন্যাক্কারজনক, বর্বরোচিত ও কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মোকাবিলা করতে যারা অস্ত্র, সন্ত্রাস ও সহিংসতার পথ বেছে নেয়, তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। এই হামলার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক হামলাকারী, তাদের মদদদাতা এবং দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ সংশ্লিষ্টদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে জবাবদিহির মুখোমুখি করতে হবে।

 

হাসপাতালের সামনে পুনরায় হামলার রোমহর্ষক বিবরণ দিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তার পোস্টে লিখেছেন, আমাদের ৫-৬ জন ভাইয়ের হাত ভেঙে দেয়া হয়েছে, কারও চোখে রড দিয়ে আঘাত করে গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে। তাদেরকে দ্রুত হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময়ও হামলাকারীরা থামেনি।

 

সদর হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনেই ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা আবারও আমাদের ওপর রক্তাক্ত হামলা চালায়। আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করার পরিবর্তে, হাসপাতালের সামনেই তাদের ওপর নির্মম ও নৃশংস হামলা চালানো হয় বলে তিনি পোস্টে জানান।

 

হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি জাহিদ হোসেন জানান, এনসিপির পদযাত্রা শেষে ছাত্রদলের নেতারা বিক্ষোভ করেন। এতে উত্তেজনা দেখা দিলে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে কয়েকজন এনসিপি নেতাকে সার্কিট হাউজে পৌঁছে দিয়েছি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বুধবার সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক এনসিপির

হাসপাতালে নেয়ার সময়ও হামলাকারীরা থামেনি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

আপডেট সময় ১১:৩২:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। তিনি বলেন, হবিগঞ্জে জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচি সফলভাবে শেষ করে আমরা যখন পরবর্তী নির্ধারিত কর্মসূচির উদ্দেশ্যে মৌলভীবাজারের দিকে রওনা হই, ঠিক সেই সময় হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের একদল সন্ত্রাসী হকিস্টিক, রামদা, চেইনসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর পরিকল্পিত ও অতর্কিত হামলা চালায়।

 

তিনি বলেন, সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো হামলার সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ ও র‍্যাব উপস্থিত থাকলেও তারা কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে। হামলাকারীরা আমাদের মিডিয়া টিমের ক্যামেরাসহ মূল্যবান সরঞ্জাম ছিনিয়ে নিয়ে যায় এবং গাড়িচালক থেকে শুরু করে আমাদের মিডিয়া টিমের সদস্যদের ওপর নির্বিচারে হামলা চালায়। উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের ওপরও হামলা করা হয়। হবিগঞ্জের স্থানীয় নেতা-কর্মীদের ওপর নির্মমভাবে আঘাত করা হয়। কারও হাত ভেঙে দেয়া হয়েছে, কারও পা ভেঙে দেয়া হয়েছে। অনেকেই রক্তাক্ত অবস্থায় সড়কে লুটিয়ে পড়ে আছে।

 

তিনি আরও বলেন, আমরা এই ন্যাক্কারজনক, বর্বরোচিত ও কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মোকাবিলা করতে যারা অস্ত্র, সন্ত্রাস ও সহিংসতার পথ বেছে নেয়, তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। এই হামলার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক হামলাকারী, তাদের মদদদাতা এবং দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ সংশ্লিষ্টদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে জবাবদিহির মুখোমুখি করতে হবে।

 

হাসপাতালের সামনে পুনরায় হামলার রোমহর্ষক বিবরণ দিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তার পোস্টে লিখেছেন, আমাদের ৫-৬ জন ভাইয়ের হাত ভেঙে দেয়া হয়েছে, কারও চোখে রড দিয়ে আঘাত করে গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে। তাদেরকে দ্রুত হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময়ও হামলাকারীরা থামেনি।

 

সদর হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনেই ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা আবারও আমাদের ওপর রক্তাক্ত হামলা চালায়। আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করার পরিবর্তে, হাসপাতালের সামনেই তাদের ওপর নির্মম ও নৃশংস হামলা চালানো হয় বলে তিনি পোস্টে জানান।

 

হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি জাহিদ হোসেন জানান, এনসিপির পদযাত্রা শেষে ছাত্রদলের নেতারা বিক্ষোভ করেন। এতে উত্তেজনা দেখা দিলে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে কয়েকজন এনসিপি নেতাকে সার্কিট হাউজে পৌঁছে দিয়েছি।