ঢাকা , শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
৭ সহকারী পুলিশ সুপারকে বাধ্যতামূলক অবসর ইতালিতে নিহত একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশীর মরদেহ দেশে ফিরেছে যান্ত্রিক ত্রুটিতে ফের বন্ধ বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট নেত্রকোণায় কবরস্থানের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১২০ নেত্রকোণায় কবরস্থানের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১২০ চট্টগ্রামে জামায়াত নেতার মাদ্রাসায় মিলল সরকারি ধানের বীজ শেখ হাসিনাকে ফেরত না দিলে ভারত সফর করবেন না তারেক রহমান মোহাম্মদপুরে কোনো ‘কিশোর গ্যাং’ সক্রিয় নেই: র‌্যাব প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতির সময় ছেলেকে গুলি ‘গুমের পর জিজ্ঞাসাবাদে আমাকে ঝুলিয়ে পেটানোর পর কানে ইলেকট্রিক শক দেয় র‍্যাব’

অলাভজনক সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বন্ধ করবে ইন্দোনেশিয়া

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৩২:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

ইন্দোনেশিয়ায় চলতি বছরের শেষ নাগাদ ৭৫০টির বেশি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো। পাশাপাশি অলাভজনক ও অদক্ষ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য বিশেষ আদালত গঠনের বিষয়টিও বিবেচনা করছে সরকার।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) পার্লামেন্টে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এসব কথা জানান প্রাবোও।

তিনি বলেন, ইন্দোনেশিয়ায় এমন অনেক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেগুলো কার্যত কোনো উৎপাদনশীল কাজ করছে না। নিয়মিত লোকসান করলেও এসব প্রতিষ্ঠান লাভ দেখায় এবং অনেক ক্ষেত্রে সেই লাভের হিসাব কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হয়।

প্রাবোও জানান, গত বছর রাষ্ট্রীয় সম্পদ পরিচালনার জন্য সার্বভৌম সম্পদ তহবিল ‘দানান্তারা’ প্রতিষ্ঠার পর জানা যায়, দেশটিতে মোট ১ হাজার ৭৪টি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

তিনি বলেন, আগে ধারণা ছিল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩০০ থেকে ৪০০টির মধ্যে হবে। কিন্তু বাস্তবে সংখ্যা ১ হাজার ৭৪টি। এসব প্রতিষ্ঠান অনেক সময় রাষ্ট্র ও জনগণের প্রতি দায়িত্বশীল না হয়ে নিজেদের মতো করে পরিচালিত হয়।

প্রেসিডেন্ট জানান, এরই মধ্যে ২৯০টি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে। আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে সর্বোচ্চ ৩০০টি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রাবোও বলেন, ৭৫০টির বেশি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে শুধু উৎপাদনশীল এবং জনগণের জন্য অতিরিক্ত মূল্য তৈরি করে—এমন প্রতিষ্ঠানগুলোই রাখা হবে। তিনি এই উদ্যোগকে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ, এমনকি সম্ভবত সবচেয়ে বড় করপোরেট পুনর্গঠন হিসেবে উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনের মাধ্যমে এরই মধ্যে প্রায় ৫০ ট্রিলিয়ন ইন্দোনেশীয় রুপিয়া, অর্থাৎ ২ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় সাশ্রয় হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এই সাশ্রয়ের মধ্যে রয়েছে পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের বেতন, ভবন ও গাড়ি ভাড়া এবং ব্যবসায়িক ভ্রমণের ব্যয়। চলতি বছর সরকারের লক্ষ্য ৭০ ট্রিলিয়ন রুপিয়ার বেশি ব্যয় সাশ্রয় করা।

সূত্র: এএফপি

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

৭ সহকারী পুলিশ সুপারকে বাধ্যতামূলক অবসর

অলাভজনক সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বন্ধ করবে ইন্দোনেশিয়া

আপডেট সময় ০৪:৩২:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ায় চলতি বছরের শেষ নাগাদ ৭৫০টির বেশি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো। পাশাপাশি অলাভজনক ও অদক্ষ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য বিশেষ আদালত গঠনের বিষয়টিও বিবেচনা করছে সরকার।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) পার্লামেন্টে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এসব কথা জানান প্রাবোও।

তিনি বলেন, ইন্দোনেশিয়ায় এমন অনেক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেগুলো কার্যত কোনো উৎপাদনশীল কাজ করছে না। নিয়মিত লোকসান করলেও এসব প্রতিষ্ঠান লাভ দেখায় এবং অনেক ক্ষেত্রে সেই লাভের হিসাব কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হয়।

প্রাবোও জানান, গত বছর রাষ্ট্রীয় সম্পদ পরিচালনার জন্য সার্বভৌম সম্পদ তহবিল ‘দানান্তারা’ প্রতিষ্ঠার পর জানা যায়, দেশটিতে মোট ১ হাজার ৭৪টি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

তিনি বলেন, আগে ধারণা ছিল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩০০ থেকে ৪০০টির মধ্যে হবে। কিন্তু বাস্তবে সংখ্যা ১ হাজার ৭৪টি। এসব প্রতিষ্ঠান অনেক সময় রাষ্ট্র ও জনগণের প্রতি দায়িত্বশীল না হয়ে নিজেদের মতো করে পরিচালিত হয়।

প্রেসিডেন্ট জানান, এরই মধ্যে ২৯০টি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে। আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে সর্বোচ্চ ৩০০টি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রাবোও বলেন, ৭৫০টির বেশি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে শুধু উৎপাদনশীল এবং জনগণের জন্য অতিরিক্ত মূল্য তৈরি করে—এমন প্রতিষ্ঠানগুলোই রাখা হবে। তিনি এই উদ্যোগকে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ, এমনকি সম্ভবত সবচেয়ে বড় করপোরেট পুনর্গঠন হিসেবে উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনের মাধ্যমে এরই মধ্যে প্রায় ৫০ ট্রিলিয়ন ইন্দোনেশীয় রুপিয়া, অর্থাৎ ২ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় সাশ্রয় হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এই সাশ্রয়ের মধ্যে রয়েছে পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের বেতন, ভবন ও গাড়ি ভাড়া এবং ব্যবসায়িক ভ্রমণের ব্যয়। চলতি বছর সরকারের লক্ষ্য ৭০ ট্রিলিয়ন রুপিয়ার বেশি ব্যয় সাশ্রয় করা।

সূত্র: এএফপি