ঢাকা , বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সমতার ভিত্তিতে সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ: রিজভী একনেকে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন মোবাইল অপারেটরদের কলড্রপ কমানোর নির্দেশ মন্ত্রীর কুমিল্লায় এআই ক্যামেরা চালুর প্রথম দিনেই ৪৪৯ মামলা, জরিমানা সাড়ে ১৫ লাখ দক্ষিণ সিটিতে উত্তরের রিকশা চলবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক স্বামীর শেষযাত্রায় ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেলেন দীপু মনি মাত্র ৫০–৬০ ডলারে স্মার্টফোন পৌঁছে দিতে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার স্বামীর মৃত্যুতে ১২ ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি দক্ষিণ সিটিতে উত্তরের রিকশা চলবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক রাষ্ট্র হিসেবে অস্তিত্ব বিলুপ্ত হওয়ার ঝুঁকিতে ইসরায়েল: রুশ জেনারেল

খাবারে লবণের পরিবর্তে ডিটারজেন্ট, হাসপাতালে ভর্তি ৪০ শিক্ষার্থী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৩৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

ভারতের বিহারের একটি সরকারি স্কুলে মিড-ডে মিলের খাবারে লবণের বদলে ডিটারজেন্ট পাউডার মিশে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সেই খাবার খেয়ে অন্তত ৪০ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। অসুস্থদের মধ্যে প্রায় ৩৬ জন ছাত্রী বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) নালন্দা জেলার নুরসরাই থানার পারাসি গ্রামের পারসি মিডল স্কুলে এ ঘটনা ঘটে। স্কুল কর্তৃপক্ষও ভুলটি তাদের পক্ষ থেকেই হয়েছে বলে স্বীকার করেছে।

প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবারও শিক্ষার্থীদের জন্য সয়াবিন ও ভাতের মিড-ডে মিল সরবরাহ করা হয়। খাবার পরিবেশনের পর কয়েকজন শিক্ষার্থী তরকারিতে লবণ কম থাকার অভিযোগ করে। পরে স্কুল থেকেই খাবারে লবণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এর কিছুক্ষণ পরই একে একে অসুস্থ হতে শুরু করে শিক্ষার্থীরা।

অভিযোগ রয়েছে, রান্নার সময় এক রাঁধুনি ভুল করে লবণের পরিবর্তে ডিটারজেন্ট পাউডার খাবারে মিশিয়ে ফেলেন। স্থানীয়দের দাবি, রান্নাঘরে লবণ ও ডিটারজেন্ট একই জায়গায় রাখার কারণেই এই ভুল হয়েছে।

খাবার খাওয়ার পর কয়েকজনের মাথা ঘোরা, পেটব্যথা ও বমি শুরু হয়। একসঙ্গে অনেক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে স্কুলেই তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাদের বিহার শরিফ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।

হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে ৪০ শিক্ষার্থী চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকদের মতে, তাদের সবার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল এবং তারা আশঙ্কামুক্ত। তবে পর্যবেক্ষণের জন্য তাদের হাসপাতালে রাখা হয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে যান বিহারের পল্লি উন্নয়নমন্ত্রী শ্রবণ কুমার। তিনি অসুস্থ শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেন। এ ছাড়া সিভিল সার্জন জয় প্রকাশ সিংও হাসপাতালে গিয়ে শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সমতার ভিত্তিতে সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ: রিজভী

খাবারে লবণের পরিবর্তে ডিটারজেন্ট, হাসপাতালে ভর্তি ৪০ শিক্ষার্থী

আপডেট সময় ০২:৩৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের বিহারের একটি সরকারি স্কুলে মিড-ডে মিলের খাবারে লবণের বদলে ডিটারজেন্ট পাউডার মিশে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সেই খাবার খেয়ে অন্তত ৪০ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। অসুস্থদের মধ্যে প্রায় ৩৬ জন ছাত্রী বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) নালন্দা জেলার নুরসরাই থানার পারাসি গ্রামের পারসি মিডল স্কুলে এ ঘটনা ঘটে। স্কুল কর্তৃপক্ষও ভুলটি তাদের পক্ষ থেকেই হয়েছে বলে স্বীকার করেছে।

প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবারও শিক্ষার্থীদের জন্য সয়াবিন ও ভাতের মিড-ডে মিল সরবরাহ করা হয়। খাবার পরিবেশনের পর কয়েকজন শিক্ষার্থী তরকারিতে লবণ কম থাকার অভিযোগ করে। পরে স্কুল থেকেই খাবারে লবণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এর কিছুক্ষণ পরই একে একে অসুস্থ হতে শুরু করে শিক্ষার্থীরা।

অভিযোগ রয়েছে, রান্নার সময় এক রাঁধুনি ভুল করে লবণের পরিবর্তে ডিটারজেন্ট পাউডার খাবারে মিশিয়ে ফেলেন। স্থানীয়দের দাবি, রান্নাঘরে লবণ ও ডিটারজেন্ট একই জায়গায় রাখার কারণেই এই ভুল হয়েছে।

খাবার খাওয়ার পর কয়েকজনের মাথা ঘোরা, পেটব্যথা ও বমি শুরু হয়। একসঙ্গে অনেক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে স্কুলেই তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাদের বিহার শরিফ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।

হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে ৪০ শিক্ষার্থী চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকদের মতে, তাদের সবার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল এবং তারা আশঙ্কামুক্ত। তবে পর্যবেক্ষণের জন্য তাদের হাসপাতালে রাখা হয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে যান বিহারের পল্লি উন্নয়নমন্ত্রী শ্রবণ কুমার। তিনি অসুস্থ শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেন। এ ছাড়া সিভিল সার্জন জয় প্রকাশ সিংও হাসপাতালে গিয়ে শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন।