ঢাকা , বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মামলা ডিবিতে, নেপথ্যে ‘বড় শক্তির’ ইঙ্গিত চালু হলো ‘চাঁদাবিডি ডটকম’, কয়েক ঘণ্টাতেই একাধিক অভিযোগ ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি সীমান্তে বাংলাদেশির সঙ্গে ধস্তাধস্তি, রাইফেল ফেলে পালালো বিএসএফ সদস্য মক্কা চুক্তিতে অংশগ্রহণ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির ভারসাম্যকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে: রয়টার্স পাকিস্তানের পারমাণবিক স্থাপনা এলাকায় আঘাত হানে ভারতের ড্রোন মহানবী (সা.)-এর আদর্শে হিংসা-বিদ্বেষ পরিহারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) ‘ব্রাজিল ম্যাচের জন্য টাকা ব্যয়ের মানসিকতা আপাতত নেই সরকারের’ প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন আশিক চৌধুরী

পাকিস্তানের পারমাণবিক স্থাপনা এলাকায় আঘাত হানে ভারতের ড্রোন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:১৯:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানের কিরানা হিলস এলাকায় একটি ভারতীয় ‘লোইটারিং মিউনিশন’ আঘাত করেছিল বলে জানিয়েছেন ভারতের সাবেক চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) জেনারেল অনিল চৌহান। তবে ওই এলাকায় হামলা চালানো ভারতের উদ্দেশ্য ছিল না বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

নয়াদিল্লির বিবেকানন্দ সেন্টারে এক অনুষ্ঠানে জেনারেল চৌহান বলেন, ভারতীয় একটি লোইটারিং মিউনিশন সারগোধা ও কিরানা হিলসের আশপাশে রাডার খুঁজছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লক্ষ্য শনাক্ত করতে না পারার পর জ্বালানি শেষ হয়ে যাওয়ায় সেটি কিরানা হিলসের একটি স্থাপনায় আঘাত করে। জেনারেল চৌহানের ভাষ্য অনুযায়ী, অপারেশন সিঁদুরের আগে সারগোধা ও কিরানা হিলস এলাকায় বেশ কয়েকটি লোইটারিং মিউনিশন পাঠানো হয়েছিল। কিরানা হিলস সারগোধা থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত।

তিনি বলেন, এসব ড্রোনের উদ্দেশ্য ছিল সারগোধা ও এর আশপাশে থাকা রাডার শনাক্ত করা। একটি লোইটারিং মিউনিশন প্রায় দুই ঘণ্টা পর্যন্ত নির্দিষ্ট এলাকায় ঘুরে লক্ষ্য খুঁজতে পারে। ওই সময়ের মধ্যে লক্ষ্য শনাক্ত করতে না পারলে সেটি অন্য কোনো স্থানে আঘাত করতে পারে।‘আমি ব্যাখ্যাটা দিতে পারি,’ অনুষ্ঠানে বলেন জেনারেল চৌহান। তিনি জানান, ড্রোনটি কিরানা হিলসের আশপাশে জ্বালানি শেষ করে সম্ভবত সেখানকার কোনো স্থাপনায় আঘাত করে। কিরানা হিলসকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়নি—এ বিষয়ে অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারতীয় বিমানবাহিনীর ডিরেক্টর জেনারেল অব এয়ার অপারেশনস থাকা অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল এ কে ভারতীর বক্তব্যেরও উল্লেখ করেন জেনারেল চৌহান।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা কিরানা হিলস দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি ও পারমাণবিক অস্ত্র সক্ষমতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে বিবেচিত হয়। এ কারণে সেখানে ভারতীয় কোনো অস্ত্র আঘাত হানার খবর বিশেষ গুরুত্ব পায়। তবে জেনারেল চৌহানের বক্তব্য অনুযায়ী, ভারতের লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানের রাডার ব্যবস্থা। কিরানা হিলসের পারমাণবিক স্থাপনা বা পারমাণবিক সক্ষমতাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়নি। অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের স্কারদুতে হামলার অনুমোদনও দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন জেনারেল চৌহান।

তিনি বলেন, সারগোধায় হামলার বিষয়ে বিমানবাহিনীর প্রধানের কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া হলে তাকে আরও দুটি লক্ষ্য নির্ধারণ করতে বলা হয়েছিল। এর মধ্যে একটি ছিল স্কারদু। হামলার অনুমোদন দেওয়া হলেও পরে খারাপ আবহাওয়ার কারণে সেখানে অভিযান চালানো সম্ভব হয়নি। এরপর বিকল্প লক্ষ্য হিসেবে ভোলারিকে বেছে নেওয়া হয়। জেনারেল চৌহানের ভাষ্য অনুযায়ী, ভোলারির একটি হ্যাঙ্গারে ভারতীয় বিমানবাহিনীর হামলা পরবর্তী সময়ে ওই অভিযানের অন্যতম আলোচিত দৃশ্যে পরিণত হয়। সূত্র: এনডিটিভি

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মামলা ডিবিতে, নেপথ্যে ‘বড় শক্তির’ ইঙ্গিত

পাকিস্তানের পারমাণবিক স্থাপনা এলাকায় আঘাত হানে ভারতের ড্রোন

আপডেট সময় ০৯:১৯:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানের কিরানা হিলস এলাকায় একটি ভারতীয় ‘লোইটারিং মিউনিশন’ আঘাত করেছিল বলে জানিয়েছেন ভারতের সাবেক চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) জেনারেল অনিল চৌহান। তবে ওই এলাকায় হামলা চালানো ভারতের উদ্দেশ্য ছিল না বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

নয়াদিল্লির বিবেকানন্দ সেন্টারে এক অনুষ্ঠানে জেনারেল চৌহান বলেন, ভারতীয় একটি লোইটারিং মিউনিশন সারগোধা ও কিরানা হিলসের আশপাশে রাডার খুঁজছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লক্ষ্য শনাক্ত করতে না পারার পর জ্বালানি শেষ হয়ে যাওয়ায় সেটি কিরানা হিলসের একটি স্থাপনায় আঘাত করে। জেনারেল চৌহানের ভাষ্য অনুযায়ী, অপারেশন সিঁদুরের আগে সারগোধা ও কিরানা হিলস এলাকায় বেশ কয়েকটি লোইটারিং মিউনিশন পাঠানো হয়েছিল। কিরানা হিলস সারগোধা থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত।

তিনি বলেন, এসব ড্রোনের উদ্দেশ্য ছিল সারগোধা ও এর আশপাশে থাকা রাডার শনাক্ত করা। একটি লোইটারিং মিউনিশন প্রায় দুই ঘণ্টা পর্যন্ত নির্দিষ্ট এলাকায় ঘুরে লক্ষ্য খুঁজতে পারে। ওই সময়ের মধ্যে লক্ষ্য শনাক্ত করতে না পারলে সেটি অন্য কোনো স্থানে আঘাত করতে পারে।‘আমি ব্যাখ্যাটা দিতে পারি,’ অনুষ্ঠানে বলেন জেনারেল চৌহান। তিনি জানান, ড্রোনটি কিরানা হিলসের আশপাশে জ্বালানি শেষ করে সম্ভবত সেখানকার কোনো স্থাপনায় আঘাত করে। কিরানা হিলসকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়নি—এ বিষয়ে অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারতীয় বিমানবাহিনীর ডিরেক্টর জেনারেল অব এয়ার অপারেশনস থাকা অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল এ কে ভারতীর বক্তব্যেরও উল্লেখ করেন জেনারেল চৌহান।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা কিরানা হিলস দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি ও পারমাণবিক অস্ত্র সক্ষমতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে বিবেচিত হয়। এ কারণে সেখানে ভারতীয় কোনো অস্ত্র আঘাত হানার খবর বিশেষ গুরুত্ব পায়। তবে জেনারেল চৌহানের বক্তব্য অনুযায়ী, ভারতের লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানের রাডার ব্যবস্থা। কিরানা হিলসের পারমাণবিক স্থাপনা বা পারমাণবিক সক্ষমতাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়নি। অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের স্কারদুতে হামলার অনুমোদনও দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন জেনারেল চৌহান।

তিনি বলেন, সারগোধায় হামলার বিষয়ে বিমানবাহিনীর প্রধানের কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া হলে তাকে আরও দুটি লক্ষ্য নির্ধারণ করতে বলা হয়েছিল। এর মধ্যে একটি ছিল স্কারদু। হামলার অনুমোদন দেওয়া হলেও পরে খারাপ আবহাওয়ার কারণে সেখানে অভিযান চালানো সম্ভব হয়নি। এরপর বিকল্প লক্ষ্য হিসেবে ভোলারিকে বেছে নেওয়া হয়। জেনারেল চৌহানের ভাষ্য অনুযায়ী, ভোলারির একটি হ্যাঙ্গারে ভারতীয় বিমানবাহিনীর হামলা পরবর্তী সময়ে ওই অভিযানের অন্যতম আলোচিত দৃশ্যে পরিণত হয়। সূত্র: এনডিটিভি