ঢাকা , শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইউক্রেন যুদ্ধে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কথা ভাবছেন পুতিন ভেনেজুয়েলার মজুদ ৬৫০০ কোটি ব্যারেল তেলের নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র আজাদ কাশ্মীরের নতুন প্রধানমন্ত্রী ইফতিখার গিলানি এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণে রেকর্ডসংখ্যক আবেদন নেপালের বন্যায় ভারতের জন্যও বড় সতর্কবার্তা ইউক্রেন যুদ্ধে প্রতি মাসে ৬ হাজার সেনা হারাচ্ছে রাশিয়া এবার অর্থনৈতিক সংকট সমাধানে মার্কিন ডলার বর্জনের ডাক দিলেন মোজতবা খামেনি সংসদে হাসনাতের বক্তব্য ঘিরে মধ্যরাতে উত্তাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া, এনসিপির কর্মসূচি প্রতিহতের ঘোষণা যুদ্ধে ‘শেষ উপায়’ হিসেবে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কথা ভাবছেন পুতিন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ের পর দেশে ফিরলেন টাইগাররা

ফিফা কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার কথা স্বীকার করলেন দুই আর্জেন্টাইন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:০৭:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলের গুরুত্বপূর্ণ মিডিয়া ও বিপণন স্বত্ব পেতে বিভিন্ন দেশের ফুটবল কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন আর্জেন্টিনার ক্রীড়া বিপণন নির্বাহী হুগো জিনকিস ও তার ছেলে মারিয়ানো জিনকিস। যুক্তরাষ্ট্রের প্রসিকিউটরদের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে বিচারের মুখোমুখি হওয়া এড়াতে তারা এ স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।

গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে করা এক নথিতে বিষয়টি প্রকাশ করা হয়। বাবাছেলে দুজনই আর্জেন্টিনার ক্রীড়া বিপণন প্রতিষ্ঠান ফুল প্লের সহমালিক। ২০১৫ সালে ফিফাকে ঘিরে শুরু হওয়া ব্যাপক দুর্নীতির তদন্তে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল। ওই তদন্তে ফিফা এবং উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোতে বড় ধরনের দুর্নীতির তথ্য সামনে আসে। যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তের অংশ হিসেবে জুরিখে ফিফা কর্মকর্তাদের কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। এর পর একের পর এক গ্রেপ্তার, বিচার, দোষী সাব্যস্ত হওয়া এবং কর্মকর্তাদের দোষ স্বীকারের ঘটনা ঘটে।

সমঝোতা অনুযায়ী, জিনকিসদের বিরুদ্ধে আনা প্রতারণার অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ প্রত্যাহার করবে। তবে এর বিনিময়ে তারা ৫০ মিলিয়ন ডলার জরিমানা গুনতে সম্মত হয়েছেন। আদালতের নথিতে বলা হয়েছে, হুগো ও মারিয়ানো জিনকিস ফুটবলের বিভিন্ন টুর্নামেন্টের লাভজনক মিডিয়া ও বিপণন স্বত্ব পাওয়ার জন্য পরিকল্পিতভাবে ফিফা, কনকাফাফ ও কনমেবলকে প্রতারণার একটি স্কেম তৈরি করেছিলেন।

নথি অনুযায়ী, তারাদশ কোটি ডলারেরপর্যায়ের বাণিজ্যিক ঘুষ বিভিন্ন ফুটবল কর্মকর্তাকে দিয়েছেন। এর বিনিময়ে বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব ও কোপা আমেরিকাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচের সম্প্রচার ও বিপণন স্বত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের সমর্থন আদায় করেন। ২০১৫ সালের ফিফা দুর্নীতি কেলেঙ্কারি বিশ্ব ফুটবল প্রশাসনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। ওই তদন্তের পর ফিফা ও আঞ্চলিক ফুটবল সংস্থাগুলোর বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ঘুষের অভিযোগ ওঠে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউক্রেন যুদ্ধে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কথা ভাবছেন পুতিন

ফিফা কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার কথা স্বীকার করলেন দুই আর্জেন্টাইন

আপডেট সময় ১০:০৭:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলের গুরুত্বপূর্ণ মিডিয়া ও বিপণন স্বত্ব পেতে বিভিন্ন দেশের ফুটবল কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন আর্জেন্টিনার ক্রীড়া বিপণন নির্বাহী হুগো জিনকিস ও তার ছেলে মারিয়ানো জিনকিস। যুক্তরাষ্ট্রের প্রসিকিউটরদের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে বিচারের মুখোমুখি হওয়া এড়াতে তারা এ স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।

গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে করা এক নথিতে বিষয়টি প্রকাশ করা হয়। বাবাছেলে দুজনই আর্জেন্টিনার ক্রীড়া বিপণন প্রতিষ্ঠান ফুল প্লের সহমালিক। ২০১৫ সালে ফিফাকে ঘিরে শুরু হওয়া ব্যাপক দুর্নীতির তদন্তে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল। ওই তদন্তে ফিফা এবং উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোতে বড় ধরনের দুর্নীতির তথ্য সামনে আসে। যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তের অংশ হিসেবে জুরিখে ফিফা কর্মকর্তাদের কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। এর পর একের পর এক গ্রেপ্তার, বিচার, দোষী সাব্যস্ত হওয়া এবং কর্মকর্তাদের দোষ স্বীকারের ঘটনা ঘটে।

সমঝোতা অনুযায়ী, জিনকিসদের বিরুদ্ধে আনা প্রতারণার অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ প্রত্যাহার করবে। তবে এর বিনিময়ে তারা ৫০ মিলিয়ন ডলার জরিমানা গুনতে সম্মত হয়েছেন। আদালতের নথিতে বলা হয়েছে, হুগো ও মারিয়ানো জিনকিস ফুটবলের বিভিন্ন টুর্নামেন্টের লাভজনক মিডিয়া ও বিপণন স্বত্ব পাওয়ার জন্য পরিকল্পিতভাবে ফিফা, কনকাফাফ ও কনমেবলকে প্রতারণার একটি স্কেম তৈরি করেছিলেন।

নথি অনুযায়ী, তারাদশ কোটি ডলারেরপর্যায়ের বাণিজ্যিক ঘুষ বিভিন্ন ফুটবল কর্মকর্তাকে দিয়েছেন। এর বিনিময়ে বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব ও কোপা আমেরিকাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচের সম্প্রচার ও বিপণন স্বত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের সমর্থন আদায় করেন। ২০১৫ সালের ফিফা দুর্নীতি কেলেঙ্কারি বিশ্ব ফুটবল প্রশাসনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। ওই তদন্তের পর ফিফা ও আঞ্চলিক ফুটবল সংস্থাগুলোর বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ঘুষের অভিযোগ ওঠে।