ঢাকা , শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
স্পেন ম্যাচের আগে কোচের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ উরুগুয়ে শিবিরে জব্দ হেরোইনও কখনো ‘আটা-ময়দা’ হয়ে যায়, বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গ থেকে পুশইনের চেষ্টা ঠেকাতে সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ডেনমার্কে আজান নিষিদ্ধের নতুন উদ্যোগ, আইনি বৈধতা যাচাই শুরু বাংলাদেশ–মিয়ানমার হয়ে নতুন করিডোরের প্রস্তাব চীনের জার্মানিকে হারানোর আনন্দে জাতীয় ছুটি দিল ইকুয়েডর ইউক্রেনকে ইউরেনিয়াম সহায়তায় ক্ষোভে ফুঁসছে রাশিয়া আটকে থাকা ইরানি তহবিল দিয়ে ইরানের জন্যই মার্কিন কৃষিপণ্য কিনতে চান ট্রাম্প এক বছরের মধ্যেই গুমের সব মামলার নিষ্পত্তি: ট্রাইব্যুনাল অব্যবহৃত মোবাইল ডাটার মেয়াদ নিয়ে সংসদে ক্ষোভ

অন্তর্বর্তী সরকারের উন্নয়ন বরাদ্দের টাকায় ৭৭টি আসন কিনেছে জামায়াত-এনসিপি: রাশেদ খান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:০৩:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬
  • ৭৮ বার পড়া হয়েছে

এবার বিএনপি নেতা রাশেদ খান দাবি করেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উন্নয়ন বরাদ্দের নামে দেওয়া অর্থ ব্যবহার করে জামায়াত ও এনসিপি নির্বাচনে সুবিধা নিয়েছে এবং এভাবেই তারা ৭৭টি আসন পেয়েছে। সোমবার (১ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টের এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন। রাশেদ খান প্রশ্ন তুলে বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জেলা পরিষদের তহবিল থেকে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার উন্নয়নের জন্য কেন এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ ১০ কোটি টাকা পেয়েছিলেন। তিনি জানতে চান, সে সময় হাসনাত আব্দুল্লাহ সরকারের কোনো উপদেষ্টা বা দায়িত্বশীল পদে ছিলেন কিনা।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্বে থাকাকালে দেশের সব উপজেলায় সমানভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা সরকারের দায়িত্ব ছিল। কিন্তু রাজনৈতিক নেতাদের মাধ্যমে উন্নয়ন বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত কীভাবে নেওয়া হলো, সেটি বড় প্রশ্ন। রাশেদ খানের ভাষ্য, যদি রাজনৈতিক নেতাদের মাধ্যমেই উন্নয়ন বরাদ্দ দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে বিএনপি বা গণঅধিকার পরিষদের নেতারা কেন সেই সুবিধা পাননি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সম্প্রতি জামায়াত নেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের একটি বক্তব্যে দাবি করা হয়েছে যে, তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নিজের নির্বাচনি এলাকার জন্য ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ এনেছিলেন। রাশেদ খানের অভিযোগ, একইভাবে জামায়াত ও এনসিপির নেতাদের নির্বাচনি সুবিধা দিতে কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস জামায়াতএনসিপিকে জেতাতে উন্নয়ন বরাদ্দের নামে রাজনৈতিক ইঞ্জিনিয়ারিং করেছেন। তাহের ও হাসনাত এসব উন্নয়ন প্রকল্পকে নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহার করতে পেরেছেন, কিন্তু অন্য দলের নেতারা সে সুযোগ পাননি।তার দাবি, অতীতে সর্বোচ্চ ১৮টি আসন পাওয়া একটি দল এবার ৭৭টি আসন পেয়েছে মূলত অন্তর্বর্তী সরকারের উন্নয়ন বরাদ্দের অর্থ ব্যবহার করে।

রাশেদ খান আরও অভিযোগ করেন, অন্য উপজেলার উন্নয়ন বঞ্চিত করে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় অর্থ বরাদ্দ দেওয়ার মাধ্যমে বড় ধরনের বৈষম্য, দুর্নীতি ও অনিয়ম করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘তাহের, হাসনাত ও আসিফ সাহেবরা শুধুমাত্র নিজেদের এলাকায় উন্নয়ন বরাদ্দ নিয়ে গিয়ে বৈষম্য ও দুর্নীতির জন্ম দিয়েছেন। এটি ক্ষমার অযোগ্য।একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব বিষয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে। ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খান বলেন, রাজনৈতিক নেতাদের মাধ্যমে এ ধরনের উন্নয়ন বরাদ্দ দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার অন্যায় করেছে। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের কর্মকাণ্ডের তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

স্পেন ম্যাচের আগে কোচের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ উরুগুয়ে শিবিরে

অন্তর্বর্তী সরকারের উন্নয়ন বরাদ্দের টাকায় ৭৭টি আসন কিনেছে জামায়াত-এনসিপি: রাশেদ খান

আপডেট সময় ১২:০৩:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

এবার বিএনপি নেতা রাশেদ খান দাবি করেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উন্নয়ন বরাদ্দের নামে দেওয়া অর্থ ব্যবহার করে জামায়াত ও এনসিপি নির্বাচনে সুবিধা নিয়েছে এবং এভাবেই তারা ৭৭টি আসন পেয়েছে। সোমবার (১ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টের এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন। রাশেদ খান প্রশ্ন তুলে বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জেলা পরিষদের তহবিল থেকে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার উন্নয়নের জন্য কেন এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ ১০ কোটি টাকা পেয়েছিলেন। তিনি জানতে চান, সে সময় হাসনাত আব্দুল্লাহ সরকারের কোনো উপদেষ্টা বা দায়িত্বশীল পদে ছিলেন কিনা।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্বে থাকাকালে দেশের সব উপজেলায় সমানভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা সরকারের দায়িত্ব ছিল। কিন্তু রাজনৈতিক নেতাদের মাধ্যমে উন্নয়ন বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত কীভাবে নেওয়া হলো, সেটি বড় প্রশ্ন। রাশেদ খানের ভাষ্য, যদি রাজনৈতিক নেতাদের মাধ্যমেই উন্নয়ন বরাদ্দ দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে বিএনপি বা গণঅধিকার পরিষদের নেতারা কেন সেই সুবিধা পাননি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সম্প্রতি জামায়াত নেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের একটি বক্তব্যে দাবি করা হয়েছে যে, তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নিজের নির্বাচনি এলাকার জন্য ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ এনেছিলেন। রাশেদ খানের অভিযোগ, একইভাবে জামায়াত ও এনসিপির নেতাদের নির্বাচনি সুবিধা দিতে কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস জামায়াতএনসিপিকে জেতাতে উন্নয়ন বরাদ্দের নামে রাজনৈতিক ইঞ্জিনিয়ারিং করেছেন। তাহের ও হাসনাত এসব উন্নয়ন প্রকল্পকে নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহার করতে পেরেছেন, কিন্তু অন্য দলের নেতারা সে সুযোগ পাননি।তার দাবি, অতীতে সর্বোচ্চ ১৮টি আসন পাওয়া একটি দল এবার ৭৭টি আসন পেয়েছে মূলত অন্তর্বর্তী সরকারের উন্নয়ন বরাদ্দের অর্থ ব্যবহার করে।

রাশেদ খান আরও অভিযোগ করেন, অন্য উপজেলার উন্নয়ন বঞ্চিত করে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় অর্থ বরাদ্দ দেওয়ার মাধ্যমে বড় ধরনের বৈষম্য, দুর্নীতি ও অনিয়ম করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘তাহের, হাসনাত ও আসিফ সাহেবরা শুধুমাত্র নিজেদের এলাকায় উন্নয়ন বরাদ্দ নিয়ে গিয়ে বৈষম্য ও দুর্নীতির জন্ম দিয়েছেন। এটি ক্ষমার অযোগ্য।একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব বিষয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে। ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খান বলেন, রাজনৈতিক নেতাদের মাধ্যমে এ ধরনের উন্নয়ন বরাদ্দ দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার অন্যায় করেছে। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের কর্মকাণ্ডের তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।