ভারতের হায়দরাবাদে অবৈধভাবে এলপিজি সিলিন্ডার মজুত ও কালোবাজারির সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানে একটি কবরস্থান থেকে বিপুল পরিমাণ—৪১৪টি গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া।
সোমবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) জুবিলি হিলস জোন টাস্কফোর্স ও বানজারা হিলস থানার পুলিশের যৌথ অভিযানে এই চক্রের কার্যক্রম উন্মোচিত হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তরা সরকার নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি করে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করছিল।
পুলিশ জানায়, একটি বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের সরকারি মূল্য প্রায় ২ হাজার রুপি হলেও চক্রটি প্রতিটি সিলিন্ডার প্রায় ৬ হাজার রুপিতে বিক্রি করছিল। এতে সাধারণ গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছিল।
তদন্তে উঠে এসেছে, মূল অভিযুক্ত মোহাম্মদ আমির (৪২) শামশাবাদের মামিদিপল্লি এলাকায় একটি এইচপি গ্যাস এজেন্সি পরিচালনা করতেন। তার নেতৃত্বে সহযোগীরা বানজারা হিলসের নাগার্জুনা এক্স রোড এলাকার একটি কবরস্থানে সিলিন্ডার মজুত করে কালোবাজারি চালাতেন।
অভিযানে উদ্ধার হওয়া ৪১৪টি সিলিন্ডারের মধ্যে বিভিন্ন ওজনের পূর্ণ ও খালি সিলিন্ডার রয়েছে। জব্দকৃত এসব সিলিন্ডারের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২১ লাখ ৮৮ হাজার রুপি বলে জানিয়েছে পুলিশ। পাশাপাশি সিলিন্ডার পরিবহনে ব্যবহৃত ১১টি যানবাহনও জব্দ করা হয়েছে।
জুবিলি হিলস টাস্কফোর্সের ডেপুটি কমিশনার বৈভব রঘুনাথ গাইকোয়াড বলেন, অভিযুক্তরা নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘন করে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণভাবে কবরস্থানে সিলিন্ডার সংরক্ষণ করছিল এবং উচ্চমূল্যে বিক্রি করছিল। তাদের লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করে সিভিল সাপ্লাইস বিভাগে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।
এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতকে কেন্দ্র করে জ্বালানি সংকট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য বিশ্বাস না করার জন্য সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 
























