ঢাকা , শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সত্যি হলো না ভবিষ্যদ্বাণী, মেসিকে হারাতে গিয়ে নিজ দেশকেই বাঁচাতে পারলেন না তান্ত্রিক খামেনির জানাজায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য তৈরি হচ্ছে ৫ কোটি রুটি ‘নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নেবে ব্রাজিল’ আমরা ভালো মানুষ বলেই খামেনির দাফনের জন্য ৭ দিন ছুটি দিয়েছি: ট্রাম্প জুলাই আন্দোলন নিয়ে কটাক্ষ, শাওন ও মাহির বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় অভিযোগ ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ, তিন দেশে ৩৭০০ জনের মৃত্যু সরকারি নথিতে মৃত, নিজেকে ‘জীবিত’ প্রমাণ করতে সরকারি দপ্তরে ঘুরছেন বাদশা নরওয়ের বিপক্ষে লড়াইয়ের আগে বড় সুখবর পেল ব্রাজিল খামেনির জানাজায় অংশ না নিতে বিভিন্ন দেশকে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ, সহায়তা বন্ধের হুমকি ঢাবি নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্য, ব্যারিস্টার ফুয়াদকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে আইনি নোটিশ

খামেনির জানাজায় অংশ না নিতে বিভিন্ন দেশকে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ, সহায়তা বন্ধের হুমকি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:১৭:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

এবার ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা নিয়ে পর্দার আড়ালে গত পাঁচ দিনে ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। খামেনির জানাজার অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশকে অংশ না নেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ এবং নিরুৎসাহিত করার চেষ্টা করেছে মার্কিন প্রশাসন। এক জ্যেষ্ঠ ইরানি সূত্রের বরাত দিয়ে তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, এই প্রচারণা সর্বোচ্চ পর্যায়ে সমন্বয় করা হয়। এতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতরা জড়িত ছিলেন।

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, কোনো দেশ খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রতিনিধিদল পাঠালে তাদের উন্নয়ন সহায়তা কমিয়ে বা আটকে দেওয়া এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করার হুমকিও দেওয়া হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৬ জুন রুবিও একটি গোপন নির্দেশনা জারি করে বিশ্বের সব মার্কিন দূতাবাস ও কূটনৈতিক মিশনকে নির্দেশ দেন। এর মাধ্যমে তারা স্বাগতিক দেশের কর্মকর্তাদের বোঝানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের কূটনৈতিক সক্ষমতা ব্যবহার করে। নির্দেশনায় বলা হয়, ইরানের জানাজায় অংশগ্রহণকে যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিতেঅবন্ধুত্বপূর্ণ পদক্ষেপহিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং এর নেতিবাচক প্রভাব দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে পড়তে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই আরব কূটনীতিকও দাবি করেছেন, রুবিও ব্যক্তিগতভাবে অন্তত পাঁচটি আরব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের অনুষ্ঠানে অংশ না নেওয়ার আহ্বান জানান। এদিকে, আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতরা আরও কঠোর অবস্থান নেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট দেশগুলো তেহরানে প্রতিনিধি পাঠালে মার্কিন উন্নয়ন সহায়তা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। মার্কিন এই তীব্র চাপের ফলে অন্তত ১৩টি দেশ শেষ পর্যন্ত জানাজায় অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়ায় বলে দাবি করেছে তাসনিম নিউজ এজেন্সি। এর মধ্যে তিনটি পূর্ব ইউরোপীয় দেশ, পাঁচটি আফ্রিকান রাষ্ট্র, দুটি পারস্য উপসাগরীয় আরব দেশ এবং পূর্ব এশিয়ার দুটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ রয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এসব দেশের কয়েকটি জেনেভা ও নিউইয়র্কে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে দুঃখ প্রকাশ করে তাদের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দেয়। অন্য কয়েকটি দেশ তেহরানে অবস্থানরত নিম্নপদস্থ কূটনীতিকদের অনুষ্ঠানে পাঠানোর প্রস্তাব দিলেও ইরান তা গ্রহণ করেনি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক চাপ সত্ত্বেও ১০০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি জানাজার অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, এটি খামেনির প্রতি আন্তর্জাতিক সম্মান এবং মার্কিন কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ব্যর্থতারই প্রতিফলন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, কয়েক দিনব্যাপী এই রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানে তেহরানে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য খামেনির মরদেহ রাখা হবে। পরে তাকে দাফনের জন্য পবিত্র ইমাম রেজার মাজারসংলগ্ন মাশহাদে নেওয়া হবে।

এদিকে, জানাজার সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে যেকোনো ধরনের উসকানিমূলক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ইরানি কর্মকর্তারা। প্রসঙ্গত, জেনেভা শহরে আলোচনা চলা অবস্থায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় মার্কিনইসরায়েলি যৌথবাহিনী। এতে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশকিছু শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হন। এর প্রতিবাদে ৩৯ দিনে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ১০০ দফা হামলা চালায় ইরান। এরপর ইরানের ১০ দফা প্রস্তাবের ভিত্তিতে ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেন ট্রাম্প। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় এবং ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে সরাসরি বৈঠক করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়া ১৩ এপ্রিল হরমুজে নৌঅবরোধ আরোপ করা হয়। এরপর কয়েক দফা যুদ্ধবিরতির সময় বাড়ান ট্রাম্প।

সর্বশেষ, ইরানের ১৪ দফা শর্তের ভিত্তিতে ১৪ জুন একটি সমঝোতা স্মারক ভার্চুয়ালি স্বাক্ষর করে দুই পক্ষ। অ্যাক্সিওস এর সংবাদের তথ্য মতে, ১৪ দফার ভিত্তিতে দুই পক্ষ ৬০ দিনের জন্য আলোচনায় সম্মত হয়েছে এবং ইরানের ওপর হামলা তথা যুদ্ধ বন্ধের বিনিময়ে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হয়েছে। ইরানের লিগ্যাল মেডিসিন সংস্থার তথ্যমতে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সংঘাতে মোট ৩ হাজার ৩৭৫ জন নিহত হন, যার মধ্যে ২ হাজার ৮৭৫ জন পুরুষ এবং ৪৯৬ জন নারী। এছাড়া জরুরি চিকিৎসা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এই যুদ্ধে ১১৮ জন চিকিৎসাকর্মী আহত হন এবং ২৬ জন নিহত হন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সত্যি হলো না ভবিষ্যদ্বাণী, মেসিকে হারাতে গিয়ে নিজ দেশকেই বাঁচাতে পারলেন না তান্ত্রিক

খামেনির জানাজায় অংশ না নিতে বিভিন্ন দেশকে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ, সহায়তা বন্ধের হুমকি

আপডেট সময় ১১:১৭:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

এবার ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা নিয়ে পর্দার আড়ালে গত পাঁচ দিনে ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। খামেনির জানাজার অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশকে অংশ না নেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ এবং নিরুৎসাহিত করার চেষ্টা করেছে মার্কিন প্রশাসন। এক জ্যেষ্ঠ ইরানি সূত্রের বরাত দিয়ে তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, এই প্রচারণা সর্বোচ্চ পর্যায়ে সমন্বয় করা হয়। এতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতরা জড়িত ছিলেন।

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, কোনো দেশ খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রতিনিধিদল পাঠালে তাদের উন্নয়ন সহায়তা কমিয়ে বা আটকে দেওয়া এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করার হুমকিও দেওয়া হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৬ জুন রুবিও একটি গোপন নির্দেশনা জারি করে বিশ্বের সব মার্কিন দূতাবাস ও কূটনৈতিক মিশনকে নির্দেশ দেন। এর মাধ্যমে তারা স্বাগতিক দেশের কর্মকর্তাদের বোঝানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের কূটনৈতিক সক্ষমতা ব্যবহার করে। নির্দেশনায় বলা হয়, ইরানের জানাজায় অংশগ্রহণকে যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিতেঅবন্ধুত্বপূর্ণ পদক্ষেপহিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং এর নেতিবাচক প্রভাব দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে পড়তে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই আরব কূটনীতিকও দাবি করেছেন, রুবিও ব্যক্তিগতভাবে অন্তত পাঁচটি আরব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের অনুষ্ঠানে অংশ না নেওয়ার আহ্বান জানান। এদিকে, আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতরা আরও কঠোর অবস্থান নেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট দেশগুলো তেহরানে প্রতিনিধি পাঠালে মার্কিন উন্নয়ন সহায়তা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। মার্কিন এই তীব্র চাপের ফলে অন্তত ১৩টি দেশ শেষ পর্যন্ত জানাজায় অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়ায় বলে দাবি করেছে তাসনিম নিউজ এজেন্সি। এর মধ্যে তিনটি পূর্ব ইউরোপীয় দেশ, পাঁচটি আফ্রিকান রাষ্ট্র, দুটি পারস্য উপসাগরীয় আরব দেশ এবং পূর্ব এশিয়ার দুটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ রয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এসব দেশের কয়েকটি জেনেভা ও নিউইয়র্কে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে দুঃখ প্রকাশ করে তাদের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দেয়। অন্য কয়েকটি দেশ তেহরানে অবস্থানরত নিম্নপদস্থ কূটনীতিকদের অনুষ্ঠানে পাঠানোর প্রস্তাব দিলেও ইরান তা গ্রহণ করেনি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক চাপ সত্ত্বেও ১০০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি জানাজার অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, এটি খামেনির প্রতি আন্তর্জাতিক সম্মান এবং মার্কিন কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ব্যর্থতারই প্রতিফলন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, কয়েক দিনব্যাপী এই রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানে তেহরানে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য খামেনির মরদেহ রাখা হবে। পরে তাকে দাফনের জন্য পবিত্র ইমাম রেজার মাজারসংলগ্ন মাশহাদে নেওয়া হবে।

এদিকে, জানাজার সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে যেকোনো ধরনের উসকানিমূলক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ইরানি কর্মকর্তারা। প্রসঙ্গত, জেনেভা শহরে আলোচনা চলা অবস্থায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় মার্কিনইসরায়েলি যৌথবাহিনী। এতে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশকিছু শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হন। এর প্রতিবাদে ৩৯ দিনে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ১০০ দফা হামলা চালায় ইরান। এরপর ইরানের ১০ দফা প্রস্তাবের ভিত্তিতে ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেন ট্রাম্প। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় এবং ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে সরাসরি বৈঠক করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়া ১৩ এপ্রিল হরমুজে নৌঅবরোধ আরোপ করা হয়। এরপর কয়েক দফা যুদ্ধবিরতির সময় বাড়ান ট্রাম্প।

সর্বশেষ, ইরানের ১৪ দফা শর্তের ভিত্তিতে ১৪ জুন একটি সমঝোতা স্মারক ভার্চুয়ালি স্বাক্ষর করে দুই পক্ষ। অ্যাক্সিওস এর সংবাদের তথ্য মতে, ১৪ দফার ভিত্তিতে দুই পক্ষ ৬০ দিনের জন্য আলোচনায় সম্মত হয়েছে এবং ইরানের ওপর হামলা তথা যুদ্ধ বন্ধের বিনিময়ে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হয়েছে। ইরানের লিগ্যাল মেডিসিন সংস্থার তথ্যমতে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সংঘাতে মোট ৩ হাজার ৩৭৫ জন নিহত হন, যার মধ্যে ২ হাজার ৮৭৫ জন পুরুষ এবং ৪৯৬ জন নারী। এছাড়া জরুরি চিকিৎসা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এই যুদ্ধে ১১৮ জন চিকিৎসাকর্মী আহত হন এবং ২৬ জন নিহত হন।