ঢাকা , শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
তেহরানে খামেনিকে শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ঢল ৩ মিনিটের বক্তৃতায় বাণিজ্যমন্ত্রীকে ৮৬ বার ‘স্যার’, আলোচনায় কৃষি কর্মকর্তা খামেনির পাশে ছোট্ট কফিনে ১৪ মাসের জাহরা তেলের মজুত বাড়াতে আরও ৫ লাখ টন জ্বালানি কিনছে সরকার মেসির পিছু নিতে গিয়ে নিজের দলকেই হারতে দেখলেন সেই তান্ত্রিক ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে পা হারানো শিশুর স্বপ্ন পূরণ করলেন রোনালদো ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে পা ও পরিবার হারানো শিশুর স্বপ্ন পূরণ করলেন রোনালদো সত্যি হলো না ভবিষ্যদ্বাণী, মেসিকে হারাতে গিয়ে নিজ দেশকেই বাঁচাতে পারলেন না তান্ত্রিক খামেনির জানাজায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য তৈরি হচ্ছে ৫ কোটি রুটি ‘নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নেবে ব্রাজিল’

‘নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নেবে ব্রাজিল’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:২১:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

রোববারের শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ে নয়, বরং বেশি চাপে থাকবে ব্রাজিলই, এমনটাই মনে করেন ক্যেতিল রেকডাল। ১৯৯৮ সালে পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিপক্ষে নরওয়ের ইতিহাসের অন্যতম সেরা জয়ে শেষ মুহূর্তের পেনাল্টি থেকে গোল করেছিলেন তিনিই। রয়টার্সকে রেকডাল বলেন, ‘রোববার সবচেয়ে বেশি চাপে থাকবে ব্রাজিলই।তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর নকআউট পর্বে ফেরাটাই নরওয়ের জন্য এই টুর্নামেন্টকে সফল করে তুলেছে, কিন্তু ব্রাজিলের জন্য জয় ছাড়া অন্য কিছুই জাতীয় লজ্জার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

কাগজেকলমে এই লড়াই একপেশেই মনে হয়, পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিপরীতে ছাব্বিশ বছর পর নকআউটে ফেরা নরওয়ে। তবে এখন পর্যন্ত চারবার মুখোমুখি হয়ে একবারও নরওয়েকে হারাতে পারেনি ব্রাজিল। আর ১৯৯৮ সালের সেই ম্যাচটি এখনও নরওয়ের ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে প্রিয় স্মৃতিগুলোর একটি। মার্শেইয়ের স্তাদ ভেলোদ্রমে ১৯৯৮ সালে ৮৯ মিনিটে ঠান্ডা মাথায় পেনাল্টি থেকে গোল করেছিলেন রেকডাল, যা আগেই বাছাই নিশ্চিত করা ব্রাজিলকে ২১ গোলে হারিয়ে নরওয়েকে নকআউট পর্বে পৌঁছে দিয়েছিল। তার বিশ্বাস, সেই ফলাফল আর নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের এই না জেতার রেকর্ড এখনও প্রতিপক্ষের মনের কোথাও একটা জায়গায় রয়ে গেছে।

তিনি বলেন, ‘সেই ভয়টা সবসময়ই থেকে যাবে, এই আতঙ্ক যে তারা আবারও নরওয়ের কাছে হোঁচট খেতে পারে।আর্লিং হালান্ড, মার্টিন ওডেগার্ড ও আন্তোনিও নুসাকে নিয়ে গড়া নরওয়ের নতুন প্রজন্মের কাছে ১৯৯৮ সাল কোনো বোঝা নয়, বরং শুধুই ইতিহাস বলে মনে করেন রেকডাল। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না হালান্ড আর ওডেগার্ড ১৯৯৮ সালে নরওয়ের ব্রাজিলকে হারানোর কথা ভাবছে। নিজেদের পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের সমকক্ষ মনে করার জন্য তাদের অতীতের ভূতের দরকার নেই, ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলের একদম শীর্ষে তাদের প্রতিদিনের বাস্তবতাই তাদের সেটা শিখিয়ে দিয়েছে।

রেকডাল মনে করেন, ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়মিত খেলা খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া বর্তমান প্রজন্ম আটাশ বছর আগে ফ্রান্সে শেষ ষোলোতে ওঠা নরওয়ে দলের চেয়ে অনেক শক্তিশালী। তার মতে ব্রাজিলই এগিয়ে থাকবে ফেভারিট হিসেবে, তবে নরওয়ের আক্রমণভাগ আরেকটি অঘটনের সুযোগ করে দিতে পারে। হালান্ড এখন বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম ভয়ংকর ফরোয়ার্ড। ওদিকে ওডেগার্ডের সৃজনশীলতা আর নুসার গতি ১৯৯৮ সালের সেই সুশৃঙ্খল, পাল্টা আক্রমণনির্ভর দলের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা এক হুমকি তৈরি করছে।

বর্তমানে নরওয়ের শীর্ষ লিগের ক্লাব আলেসুন্দ এফকের কোচ এবং বিশ্বকাপ বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করা রেকডাল স্টুডিও থেকেই দেখবেন, তাকে জাতীয় নায়ক বানানো সেই ফলাফল আবার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে কি না নরওয়ে। তার ভবিষ্যদ্বাণী স্পষ্ট, ‘নরওয়ে দুইএক গোলে জিতবে। ফুটবলে ইতিহাস নিজে নিজেই ফিরে আসে। আসলেই এটা প্রায়ই ঘটে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

তেহরানে খামেনিকে শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ঢল

‘নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নেবে ব্রাজিল’

আপডেট সময় ১২:২১:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

রোববারের শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ে নয়, বরং বেশি চাপে থাকবে ব্রাজিলই, এমনটাই মনে করেন ক্যেতিল রেকডাল। ১৯৯৮ সালে পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিপক্ষে নরওয়ের ইতিহাসের অন্যতম সেরা জয়ে শেষ মুহূর্তের পেনাল্টি থেকে গোল করেছিলেন তিনিই। রয়টার্সকে রেকডাল বলেন, ‘রোববার সবচেয়ে বেশি চাপে থাকবে ব্রাজিলই।তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর নকআউট পর্বে ফেরাটাই নরওয়ের জন্য এই টুর্নামেন্টকে সফল করে তুলেছে, কিন্তু ব্রাজিলের জন্য জয় ছাড়া অন্য কিছুই জাতীয় লজ্জার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

কাগজেকলমে এই লড়াই একপেশেই মনে হয়, পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিপরীতে ছাব্বিশ বছর পর নকআউটে ফেরা নরওয়ে। তবে এখন পর্যন্ত চারবার মুখোমুখি হয়ে একবারও নরওয়েকে হারাতে পারেনি ব্রাজিল। আর ১৯৯৮ সালের সেই ম্যাচটি এখনও নরওয়ের ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে প্রিয় স্মৃতিগুলোর একটি। মার্শেইয়ের স্তাদ ভেলোদ্রমে ১৯৯৮ সালে ৮৯ মিনিটে ঠান্ডা মাথায় পেনাল্টি থেকে গোল করেছিলেন রেকডাল, যা আগেই বাছাই নিশ্চিত করা ব্রাজিলকে ২১ গোলে হারিয়ে নরওয়েকে নকআউট পর্বে পৌঁছে দিয়েছিল। তার বিশ্বাস, সেই ফলাফল আর নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের এই না জেতার রেকর্ড এখনও প্রতিপক্ষের মনের কোথাও একটা জায়গায় রয়ে গেছে।

তিনি বলেন, ‘সেই ভয়টা সবসময়ই থেকে যাবে, এই আতঙ্ক যে তারা আবারও নরওয়ের কাছে হোঁচট খেতে পারে।আর্লিং হালান্ড, মার্টিন ওডেগার্ড ও আন্তোনিও নুসাকে নিয়ে গড়া নরওয়ের নতুন প্রজন্মের কাছে ১৯৯৮ সাল কোনো বোঝা নয়, বরং শুধুই ইতিহাস বলে মনে করেন রেকডাল। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না হালান্ড আর ওডেগার্ড ১৯৯৮ সালে নরওয়ের ব্রাজিলকে হারানোর কথা ভাবছে। নিজেদের পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের সমকক্ষ মনে করার জন্য তাদের অতীতের ভূতের দরকার নেই, ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলের একদম শীর্ষে তাদের প্রতিদিনের বাস্তবতাই তাদের সেটা শিখিয়ে দিয়েছে।

রেকডাল মনে করেন, ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়মিত খেলা খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া বর্তমান প্রজন্ম আটাশ বছর আগে ফ্রান্সে শেষ ষোলোতে ওঠা নরওয়ে দলের চেয়ে অনেক শক্তিশালী। তার মতে ব্রাজিলই এগিয়ে থাকবে ফেভারিট হিসেবে, তবে নরওয়ের আক্রমণভাগ আরেকটি অঘটনের সুযোগ করে দিতে পারে। হালান্ড এখন বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম ভয়ংকর ফরোয়ার্ড। ওদিকে ওডেগার্ডের সৃজনশীলতা আর নুসার গতি ১৯৯৮ সালের সেই সুশৃঙ্খল, পাল্টা আক্রমণনির্ভর দলের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা এক হুমকি তৈরি করছে।

বর্তমানে নরওয়ের শীর্ষ লিগের ক্লাব আলেসুন্দ এফকের কোচ এবং বিশ্বকাপ বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করা রেকডাল স্টুডিও থেকেই দেখবেন, তাকে জাতীয় নায়ক বানানো সেই ফলাফল আবার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে কি না নরওয়ে। তার ভবিষ্যদ্বাণী স্পষ্ট, ‘নরওয়ে দুইএক গোলে জিতবে। ফুটবলে ইতিহাস নিজে নিজেই ফিরে আসে। আসলেই এটা প্রায়ই ঘটে।