ঢাকা , বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগে তীব্র নিন্দা মাওলানা আজহারীর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:৩০:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩১৫ বার পড়া হয়েছে

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন দুটি পদ—সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা—সৃষ্টি করে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি করেছে সরকার। তবে ইসলাম ধর্ম শিক্ষক নিয়োগ না দিয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইসলামিক স্কলার মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী।

৪ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টা ৪৯ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এক পোস্টে এই সিদ্ধান্তকে অবিবেচনাপ্রসূত হিসেবে উল্লেখ করে নিন্দা জানান। মাওলানা আজহারী বলেন, সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইসলাম ধর্ম শিক্ষক নিয়োগের দীর্ঘদিনের অভিভাবক চাহিদাকে উপেক্ষা করেছে এবং অযাচিতভাবে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে।

তিনি আরও লিখেছেন, “মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এই দেশে প্রাথমিক স্তরে ইসলাম শিক্ষার জন্য বিশেষায়িত ধর্মীয় শিক্ষক নেই। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। অথচ সংগীতের মতো বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে ডেডিকেটেড শিক্ষক নিয়োগ স্পষ্টতই জনআকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী। আমরা আমাদের সন্তানদের বিশ্বাস ও মূল্যবোধের নিরাপত্তা চাই।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগে তীব্র নিন্দা মাওলানা আজহারীর

আপডেট সময় ০৮:৩০:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন দুটি পদ—সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা—সৃষ্টি করে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি করেছে সরকার। তবে ইসলাম ধর্ম শিক্ষক নিয়োগ না দিয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইসলামিক স্কলার মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী।

৪ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টা ৪৯ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এক পোস্টে এই সিদ্ধান্তকে অবিবেচনাপ্রসূত হিসেবে উল্লেখ করে নিন্দা জানান। মাওলানা আজহারী বলেন, সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইসলাম ধর্ম শিক্ষক নিয়োগের দীর্ঘদিনের অভিভাবক চাহিদাকে উপেক্ষা করেছে এবং অযাচিতভাবে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে।

তিনি আরও লিখেছেন, “মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এই দেশে প্রাথমিক স্তরে ইসলাম শিক্ষার জন্য বিশেষায়িত ধর্মীয় শিক্ষক নেই। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। অথচ সংগীতের মতো বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে ডেডিকেটেড শিক্ষক নিয়োগ স্পষ্টতই জনআকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী। আমরা আমাদের সন্তানদের বিশ্বাস ও মূল্যবোধের নিরাপত্তা চাই।”