এবার সরকারি ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারির পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক দীর্ঘ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিএনপি নেতা মোঃ রাশেদ খান। আজ দুপুরে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই প্রজ্ঞাপনকে রাষ্ট্রের প্রকৃত সংস্কার ও পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সাথে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংস্কারের সময়সীমা এবং জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান নিয়ে নানা তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন তিনি।
রাশেদ খান তাঁর পোস্টে লেখেন, “সরকারি ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকারি প্রজ্ঞাপন! শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কিংবা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছবিও সরকারি দপ্তরে ব্যবহৃত হচ্ছে না। এটাই তো সংস্কার, এটাই তো রাষ্ট্রের পুনর্গঠন, এটাই তো পরিবর্তন।”
.তিনি দাবি করেন, জনগণ যেভাবে পরিবর্তন চায়, ঠিক সেভাবেই বাস্তবায়ন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে এর জন্য কিছুটা ধৈর্য্য ও অপেক্ষার প্রয়োজন। সাড়ে চার মাস বয়সী এই সরকার কথার সাথে বাস্তবের মিল রাখছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঠিক এভাবেই স্বাক্ষরিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর পুরোটাই বাস্তবায়ন করবে বিএনপি। .চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিরোধী শিবিরের সমালোচনা করে এই বিএনপি নেতা বলেন, “কামড়াকামড়ি করলে রাষ্ট্রের কোন পরিবর্তন হবে না। বিএনপি ব্যর্থ হলে কি আপনারা সরকারে গিয়ে দেশ চালাতে পারবেন? যেখানে বিরোধীদলকেই আপনারা পরিচালনা করতে পারছেন না।”
তিনি আরও যোগ করেন, বিরোধী দলের উচিত আরও ১০–১৫ বছর বিরোধীদলে থেকে নিজেদের যোগ্য করে তোলা। এরপর আপনারা ক্ষমতায় যাওয়ার চিন্তা করতে পারেন। এখনই ক্ষমতার মোহে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করে তুললে আওয়ামী লীগ ছাড়া কারও লাভ হবে না বলে তিনি সতর্ক করেন। “আর বুঝতেই পারছেন, আওয়ামীলীগ ফিরলে সবার কি পরিণতি ভোগ করতে হবে। শহীদ ওসমান হাদীর ভাষায়, জামায়াত তো রিমোট কন্ট্রোলের মত, এক চাপে সব নাই হয়ে যাবে…..! অর্থাৎ আওয়ামীলীগ ফিরলে জামায়াত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সুতরাং জামায়াত– শিবিরের বাঁচার জন্য হলেও বিএনপিকে ক্ষমতায় রাখা প্রয়োজন”, লিখেছেন তিনি।

ডেস্ক রিপোর্ট 























