ঢাকা , শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গায় বাল্যবিয়ের আয়োজনে প্রশাসনের হানা, কনের মাকে জরিমানা লেবার পার্টির নেতা নির্বাচিত হলেন যুক্তরাজ্যের হবু প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফরের বিচার অন্য আসামিদের মতোই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেক্সিকোতে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা শিক্ষা সফর শেষে ফেরার পথে বাস খাদে, শিক্ষার্থীসহ নিহত ২১ শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ খতিয়ে দেখা হচ্ছে: নয়াদিল্লি ইরানি হামলায় কুয়েত সেনাবাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্য আহত র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দল কখনও বিশ্বকাপ ট্রফি জেতেনি, এবার পারবে আর্জেন্টিনা? ফকল্যান্ড নিয়ে ব্যানার প্রদর্শনের ঘটনায় আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু ফিফার জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়ে সিরিজে সমতা আনলো টাইগাররা

মানুষকে হ*ত্যা করা যায়, আদর্শকে নয়

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪২:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
  • ৫১ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিতর্কিত মন্তব্যের জবাবে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আর্মেনিয়ায় অবস্থিত ইরানের দূতাবাস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তারা লিখেছে, “মানুষকে হত্যা করা যায়, আদর্শকে নয়।”

সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কয়েকদিনব্যাপী জানাজা ও শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠান চলাকালে তিনি চাইলে সেখানে উপস্থিত সবাইকে হত্যা করতে পারতেন। তবে এতে ভবিষ্যৎ আলোচনার সম্ভাবনা নষ্ট হতে পারত বলেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নেননি।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও বলেন, তার ধারণা ছিল ইরানের জনগণ খামেনিকে ঘৃণা করে। তাই তার মৃত্যুর পর দেশজুড়ে শোকের আবহ দেখে তিনি বিস্মিত হয়েছেন।

ট্রাম্পের এমন বক্তব্যের জবাবে আর্মেনিয়ার রাজধানী ইয়েরেভানে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস এক্সে দেওয়া পোস্টে লিখেছে,

“মানুষকে হত্যা করা যায়, কিন্তু আদর্শকে নয়। আপনি আয়াতুল্লাহ খামেনিকে হত্যা করেছেন, কিন্তু বাস্তবে আপনি এমন একটি সুগন্ধির বোতল ভেঙেছেন, যার সুবাস চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব বিষয় আপনি বুঝবেন না, কারণ আপনার নেই সভ্যতা, নেই ইতিহাস, নেই সম্মান।”

এই বক্তব্যের মাধ্যমে ট্রাম্পের মন্তব্যকে শুধু প্রত্যাখ্যানই করেনি তেহরান, বরং তার রাজনৈতিক ও নৈতিক অবস্থান নিয়েও কঠোর সমালোচনা করেছে ইরানি কূটনৈতিক মিশন।

এদিকে, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ আলী খামেনিকে বিদায় জানাতে ৩ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি পালন করছে ইরান। এই আয়োজনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আমন্ত্রিত অতিথি, ইরান সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তা এবং দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অংশ নিচ্ছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চুয়াডাঙ্গায় বাল্যবিয়ের আয়োজনে প্রশাসনের হানা, কনের মাকে জরিমানা

মানুষকে হ*ত্যা করা যায়, আদর্শকে নয়

আপডেট সময় ১০:৪২:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিতর্কিত মন্তব্যের জবাবে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আর্মেনিয়ায় অবস্থিত ইরানের দূতাবাস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তারা লিখেছে, “মানুষকে হত্যা করা যায়, আদর্শকে নয়।”

সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কয়েকদিনব্যাপী জানাজা ও শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠান চলাকালে তিনি চাইলে সেখানে উপস্থিত সবাইকে হত্যা করতে পারতেন। তবে এতে ভবিষ্যৎ আলোচনার সম্ভাবনা নষ্ট হতে পারত বলেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নেননি।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও বলেন, তার ধারণা ছিল ইরানের জনগণ খামেনিকে ঘৃণা করে। তাই তার মৃত্যুর পর দেশজুড়ে শোকের আবহ দেখে তিনি বিস্মিত হয়েছেন।

ট্রাম্পের এমন বক্তব্যের জবাবে আর্মেনিয়ার রাজধানী ইয়েরেভানে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস এক্সে দেওয়া পোস্টে লিখেছে,

“মানুষকে হত্যা করা যায়, কিন্তু আদর্শকে নয়। আপনি আয়াতুল্লাহ খামেনিকে হত্যা করেছেন, কিন্তু বাস্তবে আপনি এমন একটি সুগন্ধির বোতল ভেঙেছেন, যার সুবাস চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব বিষয় আপনি বুঝবেন না, কারণ আপনার নেই সভ্যতা, নেই ইতিহাস, নেই সম্মান।”

এই বক্তব্যের মাধ্যমে ট্রাম্পের মন্তব্যকে শুধু প্রত্যাখ্যানই করেনি তেহরান, বরং তার রাজনৈতিক ও নৈতিক অবস্থান নিয়েও কঠোর সমালোচনা করেছে ইরানি কূটনৈতিক মিশন।

এদিকে, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ আলী খামেনিকে বিদায় জানাতে ৩ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি পালন করছে ইরান। এই আয়োজনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আমন্ত্রিত অতিথি, ইরান সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তা এবং দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অংশ নিচ্ছেন।