ঢাকা , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সালমান শাহর দেহাবশেষ উত্তোলনের অনুমতি আদালতের ‘পুলিশ হত্যা করেছি’ ঘোষণা দেওয়া সেই মাহাদী এবার প্রাণ বাঁচাতে আশ্রয় নিলেন থানায় প্রাথমিকে যুক্ত হচ্ছে সংগীত-নাট্যকলা-নৃত্যকলা-চারু ও কারুকলা মহাসড়কে ‘জয়বাংলা স্লোগান’ নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা-গাড়ি ভাঙচুর, আটক ১৯ ভোটের দায়িত্ব পালনকালে মৃত্যু হলে ১০ লাখ টাকা পাবে পরিবার: নির্বাচন কমিশন ১৭ বছর ভুয়া লাইসেন্সে ৯০০ ফ্লাইট চালানোর পর ধরা পড়ল পাইলট স্ত্রীর নামে এনজিও থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ তুলে আর্জেন্টিনার পতাকা-ব্যানারে রাঙালেন ভ্যানচালক আল আকসার ঐতিহাসিক নিদর্শন সরানোর চেষ্টা ইসরাইলের, সতর্ক করলো হামাস পুশ-ইন ও সীমান্ত হত্যা ইস্যুতে মাঠে নামছে জামায়াতের ১১ দলীয় ঐক্য নিজের ৩০ শতক জমি বিক্রি করে সাড়ে ৭ কিমি. দীর্ঘ জার্মান পতাকা বানালেন আমজাদ

ভোলায় জেলা রেজিস্ট্রারের হুমকি বিএনপি নেতাকে: ‘পদ যাবে, শেষে দৌড়ের ওপর থাকবেন’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:২৬:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৪৮৭ বার পড়া হয়েছে

ভোলা জেলা রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ মো. নুর নেওয়াজের বিরুদ্ধে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার সাথে অশোভন আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে ঘিরে নিন্দা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের রুপসী সিনেমা হল সংলগ্ন জেলা রেজিস্ট্রারের অফিস কক্ষে। ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা মো. মনির ভোলা সদর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি। ভিডিওতে দেখা যায়, জেলা রেজিস্ট্রার ও ওই বিএনপি নেতা উত্তপ্ত বাক্যে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে রেজিস্ট্রার নুর নেওয়াজ নিজেকে সাবেক ছাত্রদল নেতা পরিচয় দিয়ে মনিরকে শাসান। তিনি বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে তার সম্পর্ক আছে, ছাত্রদল করতে গিয়ে ৬১ দিন জেল খেটেছেন, এবং প্রয়োজনে কেন্দ্র থেকে ফোন করিয়ে মনিরের পদ হারাতে হবে বলে হুমকি দেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভুক্তভোগী নেতা মনির জানান, নকল নবিস কর্মচারীদের বদলির ঘটনায় তিনি এলাকাবাসীর প্রতিনিধি হিসেবে জেলা রেজিস্ট্রারের কাছে অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু তিনি উল্টো তার প্রতি বিরূপ আচরণ করেন এবং নিজেকে আরও বড় বিএনপি প্রমাণ করার চেষ্টা করেন। পরে অবশ্য নুর নেওয়াজ দুঃখ প্রকাশ করেন বলেও জানান মনির।

অভিযোগের বিষয়ে নুর নেওয়াজ বলেন, বিএনপি নেতা তার সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় করেছেন, আমিও করেছি। এরপর প্রতিবেদককে তিনি অফিসে এসে কথা বলার আহ্বান জানিয়ে ফোন কেটে দেন।

এ প্রসঙ্গে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) ভোলা জেলা সভাপতি মোবাশ্বির উল্লাহ বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তা কোনো নাগরিকের সঙ্গে অশোভন আচরণ করতে পারেন না। জনগণের টাকায় বেতন পান বলে তাদের কাজ সেবা দেওয়া, শাসানো নয়।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি হাইকোর্টের রায় অমান্য করে জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে পাঁচজন নকল নবিসকে ভোলার দক্ষিণ আইচায় বদলির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ২ সেপ্টেম্বর কার্যালয় প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন কর্মরত নকল নবিসরা। তারা রেজিস্ট্রারের বদলি এবং নিজেদের বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানান।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমান শাহর দেহাবশেষ উত্তোলনের অনুমতি আদালতের

ভোলায় জেলা রেজিস্ট্রারের হুমকি বিএনপি নেতাকে: ‘পদ যাবে, শেষে দৌড়ের ওপর থাকবেন’

আপডেট সময় ১২:২৬:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ভোলা জেলা রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ মো. নুর নেওয়াজের বিরুদ্ধে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার সাথে অশোভন আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে ঘিরে নিন্দা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের রুপসী সিনেমা হল সংলগ্ন জেলা রেজিস্ট্রারের অফিস কক্ষে। ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা মো. মনির ভোলা সদর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি। ভিডিওতে দেখা যায়, জেলা রেজিস্ট্রার ও ওই বিএনপি নেতা উত্তপ্ত বাক্যে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে রেজিস্ট্রার নুর নেওয়াজ নিজেকে সাবেক ছাত্রদল নেতা পরিচয় দিয়ে মনিরকে শাসান। তিনি বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে তার সম্পর্ক আছে, ছাত্রদল করতে গিয়ে ৬১ দিন জেল খেটেছেন, এবং প্রয়োজনে কেন্দ্র থেকে ফোন করিয়ে মনিরের পদ হারাতে হবে বলে হুমকি দেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভুক্তভোগী নেতা মনির জানান, নকল নবিস কর্মচারীদের বদলির ঘটনায় তিনি এলাকাবাসীর প্রতিনিধি হিসেবে জেলা রেজিস্ট্রারের কাছে অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু তিনি উল্টো তার প্রতি বিরূপ আচরণ করেন এবং নিজেকে আরও বড় বিএনপি প্রমাণ করার চেষ্টা করেন। পরে অবশ্য নুর নেওয়াজ দুঃখ প্রকাশ করেন বলেও জানান মনির।

অভিযোগের বিষয়ে নুর নেওয়াজ বলেন, বিএনপি নেতা তার সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় করেছেন, আমিও করেছি। এরপর প্রতিবেদককে তিনি অফিসে এসে কথা বলার আহ্বান জানিয়ে ফোন কেটে দেন।

এ প্রসঙ্গে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) ভোলা জেলা সভাপতি মোবাশ্বির উল্লাহ বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তা কোনো নাগরিকের সঙ্গে অশোভন আচরণ করতে পারেন না। জনগণের টাকায় বেতন পান বলে তাদের কাজ সেবা দেওয়া, শাসানো নয়।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি হাইকোর্টের রায় অমান্য করে জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে পাঁচজন নকল নবিসকে ভোলার দক্ষিণ আইচায় বদলির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ২ সেপ্টেম্বর কার্যালয় প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন কর্মরত নকল নবিসরা। তারা রেজিস্ট্রারের বদলি এবং নিজেদের বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানান।