ঢাকা , বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুনিয়া হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড দিলীপ আগরওয়ালা দাবি সাংবাদিক ইলিয়াসের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৫৬:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১১৫৬ বার পড়া হয়েছে

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে মুনিয়া হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড বলে দাবি করেছেন সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে দিলীপ আগরওয়ালা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদীকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানিয়েছেন।

শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে ইলিয়াস হোসাইন উল্লেখ করেন, মুনিয়া হত্যার আসল রহস্য উদঘাটনে এই দুই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তিনি আরও দাবি করেন, এই দুজনকে মুনিয়া হত্যার আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হোক।

এছাড়া তিনি বলেন, মুনিয়ার বড় বোনকেও সবার আগে গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন। ইলিয়াসের অভিযোগ, তিনি মুনিয়াকে অন্ধকার জগতে ঠেলে দিয়ে টাকার মেশিন হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন।

ইলিয়াস হোসাইনের এই দাবিতে হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও দোষীদের শনাক্তকরণের প্রক্রিয়ার প্রতি নতুন দৃষ্টি আকর্ষণ হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মুনিয়া হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড দিলীপ আগরওয়ালা দাবি সাংবাদিক ইলিয়াসের

আপডেট সময় ০২:৫৬:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে মুনিয়া হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড বলে দাবি করেছেন সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে দিলীপ আগরওয়ালা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদীকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানিয়েছেন।

শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে ইলিয়াস হোসাইন উল্লেখ করেন, মুনিয়া হত্যার আসল রহস্য উদঘাটনে এই দুই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তিনি আরও দাবি করেন, এই দুজনকে মুনিয়া হত্যার আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হোক।

এছাড়া তিনি বলেন, মুনিয়ার বড় বোনকেও সবার আগে গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন। ইলিয়াসের অভিযোগ, তিনি মুনিয়াকে অন্ধকার জগতে ঠেলে দিয়ে টাকার মেশিন হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন।

ইলিয়াস হোসাইনের এই দাবিতে হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও দোষীদের শনাক্তকরণের প্রক্রিয়ার প্রতি নতুন দৃষ্টি আকর্ষণ হয়েছে।