ঢাকা , বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
অবসরের ভাবনা নয়, এখনও বর্তমানেই মেসি; ২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে দিলেন নতুন বার্তা ‘হাসপাতালের টয়লেট পরিষ্কারের দায়িত্ব সাংবাদিকদের দিন’— স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মন্তব্যে বিতর্ক রোহিঙ্গাদের ১৩৭ কোটি টাকার মানবিক সহায়তা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া সামনের সারির একটি আসনের বিনিময়ে সব নীতি বিকিয়ে দিলেন: তাসনিম জারা নেতানিয়াহুকে ‘ডিভোর্স’ দেওয়ার হুমকি দিলেন ট্রাম্প শক্তিশালী মুসলিম দেশগুলো জোট গড়তে চায় ইরান বাংলাদেশ বিশ্বকাপ দেখে না, বাংলাদেশ বিশ্বকাপে বাঁচে: ফিফার পোস্ট সমঝোতার পর প্রথম বিদেশ সফরে পাকিস্তানে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইংল্যান্ড-ঘানা ম্যাচ চলাকালে স্টেডিয়ামেই চলছিলো ‘কালো জাদু’ সৌদি বাদশাহর খরচে, ওমরাহ পালনের সুযোগ পাচ্ছেন ১ হাজার মুসল্লি”

ইবি শিবিরের মানববন্ধন: ছাত্রদলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও সহিংসতার অভিযোগ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২২৫ বার পড়া হয়েছে

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবিরের নেতারা অভিযোগ করেছেন, ৫ আগস্টের পর গঠিত নতুন বাংলাদেশে ছাত্রলীগের মতোই ছাত্রদল ধর্ষণ ও সহিংসতার রাজনীতি শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে তারা এ অভিযোগ তোলেন।

ছাত্র অধিকার বিষয়ক সম্পাদক জাকারিয়া হোসেন বলেন, “আমরা ভেবেছিলাম নতুন বাংলাদেশে মা-বোনেরা নিরাপদ থাকবে। কিন্তু আজ ছাত্রলীগের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে ছাত্রদল। তারা ক্যাম্পাসে বহিরাগত ঢুকিয়ে অস্থিতিশীলতা তৈরি করছে, এমনকি জুলাই শহীদের মেয়েকেও ধর্ষণের পর বিচারহীনতায় আত্মহত্যার মুখে পড়তে হয়েছে। নতুন বাংলাদেশের ভিত্তি যদি রক্ত ও ত্যাগ হয়, তবে এ ধরনের ঘটনা ভয়াবহ বার্তা বহন করে।”

মানববন্ধনে শাখা সেক্রেটারি ইউসুব আলী বলেন, “ছাত্রদল তাদের পৈতৃক সম্পত্তি মনে করছে নতুন বাংলাদেশকে। রাবিতে তারা নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে কটূক্তি করেছে, ঢাবি ও চবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা উস্কে দিয়েছে। তাদের রাজনীতি এখন আদর্শ নয়, বরং সন্ত্রাস ও পেশিশক্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে।”

তিনি অভিযোগ করেন, ছাত্রদলের অফিশিয়াল পেইজসহ বিভিন্ন জায়গায় “একটা একটা শিবির ধর, ধইরা ধইরা জবাই কর” স্লোগান দেওয়া হচ্ছে, যা ছাত্রলীগের পুরনো সহিংস রাজনীতির পুনরাবৃত্তি। “এভাবে চলতে থাকলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের লাল কার্ড দেখাবে। আমরা এমন ক্যাম্পাস চাই যেখানে পড়াশোনার পরিবেশ অক্ষুণ্ন থাকবে,”—যোগ করেন তিনি।

মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন শাখা ছাত্রশিবিরের অর্থ সম্পাদক শেখ আল আমিন, আন্তর্জাতিক ও স্কিল ডেভেলপমেন্ট বিষয়ক সম্পাদক হাসানুল বান্না আলি এবং সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অবসরের ভাবনা নয়, এখনও বর্তমানেই মেসি; ২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে দিলেন নতুন বার্তা

ইবি শিবিরের মানববন্ধন: ছাত্রদলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও সহিংসতার অভিযোগ

আপডেট সময় ১১:০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবিরের নেতারা অভিযোগ করেছেন, ৫ আগস্টের পর গঠিত নতুন বাংলাদেশে ছাত্রলীগের মতোই ছাত্রদল ধর্ষণ ও সহিংসতার রাজনীতি শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে তারা এ অভিযোগ তোলেন।

ছাত্র অধিকার বিষয়ক সম্পাদক জাকারিয়া হোসেন বলেন, “আমরা ভেবেছিলাম নতুন বাংলাদেশে মা-বোনেরা নিরাপদ থাকবে। কিন্তু আজ ছাত্রলীগের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে ছাত্রদল। তারা ক্যাম্পাসে বহিরাগত ঢুকিয়ে অস্থিতিশীলতা তৈরি করছে, এমনকি জুলাই শহীদের মেয়েকেও ধর্ষণের পর বিচারহীনতায় আত্মহত্যার মুখে পড়তে হয়েছে। নতুন বাংলাদেশের ভিত্তি যদি রক্ত ও ত্যাগ হয়, তবে এ ধরনের ঘটনা ভয়াবহ বার্তা বহন করে।”

মানববন্ধনে শাখা সেক্রেটারি ইউসুব আলী বলেন, “ছাত্রদল তাদের পৈতৃক সম্পত্তি মনে করছে নতুন বাংলাদেশকে। রাবিতে তারা নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে কটূক্তি করেছে, ঢাবি ও চবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা উস্কে দিয়েছে। তাদের রাজনীতি এখন আদর্শ নয়, বরং সন্ত্রাস ও পেশিশক্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে।”

তিনি অভিযোগ করেন, ছাত্রদলের অফিশিয়াল পেইজসহ বিভিন্ন জায়গায় “একটা একটা শিবির ধর, ধইরা ধইরা জবাই কর” স্লোগান দেওয়া হচ্ছে, যা ছাত্রলীগের পুরনো সহিংস রাজনীতির পুনরাবৃত্তি। “এভাবে চলতে থাকলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের লাল কার্ড দেখাবে। আমরা এমন ক্যাম্পাস চাই যেখানে পড়াশোনার পরিবেশ অক্ষুণ্ন থাকবে,”—যোগ করেন তিনি।

মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন শাখা ছাত্রশিবিরের অর্থ সম্পাদক শেখ আল আমিন, আন্তর্জাতিক ও স্কিল ডেভেলপমেন্ট বিষয়ক সম্পাদক হাসানুল বান্না আলি এবং সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা।