তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা চললেও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেছেন, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না।
বুধবার (৫ আগস্ট) দেওয়া এক বক্তব্যে নেতানিয়াহু বলেন, ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কমান্ডার আহমেদ ওয়াহিদি পারমাণবিক কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এ প্রেক্ষাপটে তিনি ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন।
যুক্তরাষ্ট্রকে ইসরায়েলের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র উল্লেখ করে নেতানিয়াহু বলেন, দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় যা প্রয়োজন, তা করতেই তার সরকার প্রস্তুত। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে।
এদিকে, গত মঙ্গলবার কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার পরোক্ষ আলোচনা এখন ‘উন্নত পর্যায়ে’ রয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, উভয় পক্ষ ইতোমধ্যে খসড়া প্রস্তাব বিনিময় করেছে এবং কূটনৈতিক সমাধানের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। ইরানের দাবি, ওই হামলায় তিন হাজারের বেশি মানুষ নিহত হন। এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায় তেহরান।
পরে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ১৮ জুন একটি সমঝোতা স্মারক সই হলেও হরমুজ প্রণালীতে নৌ চলাচল নিয়ে মতবিরোধের কারণে আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ে। এরপর জুলাই মাসে নতুন করে হামলা-পাল্টা হামলায় অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা আবারও বৃদ্ধি পায়।

ডেস্ক রিপোর্ট 























