ঢাকা , শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান না হলে সরকারকে ‘লাল কার্ড’: নাহিদ ইসলাম মাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সম্পত্তি আত্মসাৎ, ২৬ বছর পর উদ্ধার মানুষ নামাজে এসে বলে গ্যাস নাই, গ্যাস দেন: জামায়াত আমির ঘরে আলো নেই, মোমবাতিই এখন একমাত্র সম্বল: সেলিম উদ্দিন নাহিদ-আসিফের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ১৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৫২ জন কারাগারে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতার মাদরাসায় মিলল ১৩ বস্তা সরকারি ধানের বীজ বন্ধ হয়ে গেল বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিটের উৎপাদন গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করলে সরকারকে ক্ষমতায় থাকতে দেব না: নাহিদ ইসলাম ইরানের পরমাণু ইস্যুর চেয়ে তেলের দাম কম রাখাই এখন ‘টপ প্রায়োরিটি’: ভ্যান্স

কন্নড় অভিনেতা হরিশ রাই’র জীবনযাত্রা শেষ, ৫৫ বছরে থাইরয়েড ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই শেষ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪৩:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৬৭৮ বার পড়া হয়েছে

 

কন্নড় সিনেমার পরিচিত মুখ হরিশ রাই বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বেঙ্গালুরুর একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। ৫৫ বছর বয়সে থাইরয়েড ক্যানসারের সঙ্গে এক বছরের দীর্ঘ লড়াই শেষে তার মৃত্যু হয়। চিকিৎসকদের মতে, ক্যানসার পেটসহ শরীরের নানা অঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে তার জীবন শেষ করে। নিয়মিত কেমোথেরাপি ও পালিয়েটিভ কেয়ারেও অবনতির পথ ঠেকানো যায়নি।

‘ওম’ ও ‘কেজিএফ’-এর মতো জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকের মনে বিশেষ স্থান করে নিয়েছিলেন হরিশ। তিন দশকের ক্যারিয়ারে তিনি কখনও খলনায়ক, কখনও সহ-নায়ক, তবে সবসময়ই শক্ত উপস্থিতি বজায় রেখেছিলেন। তার অভিনীত অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে সামারা, ব্যাঙ্গালোর আন্ডারওয়ার্ল্ড, জোধিহাক্কি, রাজ বাহাদুর, সঞ্জু ওয়েডস গীথা, স্বয়ংবর ও নল্লা।

অসুস্থতার মাঝেও হরিশ চিকিৎসার ব্যয় ও কষ্ট প্রকাশ্যে তুলে ধরেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, একটি ইনজেকশনের দাম ৩ লাখ ৫৫ হাজার রুপি, প্রতি ৬৩ দিনে তিনটি ইনজেকশন নেওয়া লাগত, যা এক সাইকেলে প্রায় ১০.৫ লাখ রুপি পড়ত। পুরো চিকিৎসার খরচ দাঁড়িয়েছিল প্রায় ৭০ লাখ রুপি।

সহ-অভিনেতা যশের সহায়তার প্রসঙ্গও তিনি তুলেছিলেন, তবে বলেছিলেন—“একজন মানুষ কতটুকু করতে পারে?”

কন্নড়, তামিল ও তেলুগু সিনেমায় অগণিত চরিত্রকে জীবন্ত করে রেখে গেলেন হরিশ রাই। আজ পর্দা নামল তার জীবনের, কিন্তু তার স্মৃতি চিরকাল জীবন্ত থাকবে।


 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান না হলে সরকারকে ‘লাল কার্ড’: নাহিদ ইসলাম

কন্নড় অভিনেতা হরিশ রাই’র জীবনযাত্রা শেষ, ৫৫ বছরে থাইরয়েড ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই শেষ

আপডেট সময় ১০:৪৩:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

 

কন্নড় সিনেমার পরিচিত মুখ হরিশ রাই বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বেঙ্গালুরুর একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। ৫৫ বছর বয়সে থাইরয়েড ক্যানসারের সঙ্গে এক বছরের দীর্ঘ লড়াই শেষে তার মৃত্যু হয়। চিকিৎসকদের মতে, ক্যানসার পেটসহ শরীরের নানা অঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে তার জীবন শেষ করে। নিয়মিত কেমোথেরাপি ও পালিয়েটিভ কেয়ারেও অবনতির পথ ঠেকানো যায়নি।

‘ওম’ ও ‘কেজিএফ’-এর মতো জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকের মনে বিশেষ স্থান করে নিয়েছিলেন হরিশ। তিন দশকের ক্যারিয়ারে তিনি কখনও খলনায়ক, কখনও সহ-নায়ক, তবে সবসময়ই শক্ত উপস্থিতি বজায় রেখেছিলেন। তার অভিনীত অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে সামারা, ব্যাঙ্গালোর আন্ডারওয়ার্ল্ড, জোধিহাক্কি, রাজ বাহাদুর, সঞ্জু ওয়েডস গীথা, স্বয়ংবর ও নল্লা।

অসুস্থতার মাঝেও হরিশ চিকিৎসার ব্যয় ও কষ্ট প্রকাশ্যে তুলে ধরেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, একটি ইনজেকশনের দাম ৩ লাখ ৫৫ হাজার রুপি, প্রতি ৬৩ দিনে তিনটি ইনজেকশন নেওয়া লাগত, যা এক সাইকেলে প্রায় ১০.৫ লাখ রুপি পড়ত। পুরো চিকিৎসার খরচ দাঁড়িয়েছিল প্রায় ৭০ লাখ রুপি।

সহ-অভিনেতা যশের সহায়তার প্রসঙ্গও তিনি তুলেছিলেন, তবে বলেছিলেন—“একজন মানুষ কতটুকু করতে পারে?”

কন্নড়, তামিল ও তেলুগু সিনেমায় অগণিত চরিত্রকে জীবন্ত করে রেখে গেলেন হরিশ রাই। আজ পর্দা নামল তার জীবনের, কিন্তু তার স্মৃতি চিরকাল জীবন্ত থাকবে।