ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ময়মনসিংহ-১০ আসনে বৈধতা ফিরল স্বতন্ত্র প্রার্থী মুশফিকুর রহমানের মাগুরা থেকেই নির্বাচন করতে চান সাকিব! নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলি, ভাঙচুর ঋণখেলাপি: হাসনাতের আসনে নির্বাচন করতে পারছেন না বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী গ্রেপ্তারের তিনদিনে বিচার শেষ, আজ হবে সোলতানির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর জুলাই সনদ আমরা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করব: সালাহউদ্দিন আহমদ ইরানে বিক্ষোভ থেকে গ্রেপ্তারদের দ্রুত বিচারের অঙ্গীকার প্রধান বিচারপতির তুরস্কের সামরিক শক্তি-সৌদির অর্থ-পাকিস্তানের পারমাণবিক মিলিয়ে আসছে ‘ইসলামিক ন্যাটো’ মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই: মির্জা আব্বাস সাহস থাকলে আইনের মুখোমুখি হক, বিদেশ থেকে হুমকির কোনো ভ্যালু নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

হাদি ভাই বলেছিলেন জিততে হবে, আমি জিতে এসেছি: শান্তা আক্তার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫৬:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে

এবার ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব শান্তা আক্তার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনে কার্যনির্বাহী সদস্য পদে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। জয়ী ঘোষণার পর হত্যাকাণ্ডের শিকার ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির কথা স্মরণ করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন শান্তা। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, এই জয় কেবল তার ব্যক্তিগত নয়, বরং শহীদ ওসমান বিন হাদির বিশ্বাস ও শেষ ইচ্ছার প্রতিফলন।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) দিনগত মধ্যরাতে জকসু নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর সাংবাদিকদের শান্তা আক্তার এসব কথা জানান। শান্তা বলেন, ‘নির্বাচনের আগে হাদি ভাই আমাকে ফোন করে বলেছিলেন শান্তা জিততে হবে।’ হাদি ভাইয়ের সেদিনের কথাই ছিল আমার লড়াইয়ের মূল অনুপ্রেরণা। এখন আমি কেবল হাদির কবরের পাশে দাঁড়িয়ে বলতে চাই—ভাই, আমি জিতে এসেছি।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর আমি পুরো সময় হাসপাতালেই ছিলাম। এই কারণে আমি শিক্ষার্থীদের কাছে গিয়ে ভোট চাওয়ার সুযোগ পাইনি। তবু শিক্ষার্থীরা আমার পরিচয় এবং বিশ্বাসের ওপর আস্থা রেখেছেন। আমার অনিচ্ছাকৃত সীমাবদ্ধতার পরও শিক্ষার্থীরা আমাকে চিনেছেন এবং ভোটের মাধ্যমে ভালোবাসা দিয়েছেন।’

জয়ের পর শান্তা সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ‘নির্বাচনী চাপের মাঝেও শিক্ষার্থীদের দেওয়া সাহস ও ভালোবাসাই আমাকে এ পর্যন্ত এগিয়ে এনেছে। আমি এখন আরও দৃঢ়ভাবে তাদের অধিকার রক্ষা এবং কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার করছি।’ শান্তা আরও বলেন, ‘এই জয় আমাকে আরও দায়িত্বশীল করেছে। আমি নির্বাচিত হওয়ার পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা, নিরাপত্তা ও কল্যাণে কাজ করব।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ময়মনসিংহ-১০ আসনে বৈধতা ফিরল স্বতন্ত্র প্রার্থী মুশফিকুর রহমানের

হাদি ভাই বলেছিলেন জিততে হবে, আমি জিতে এসেছি: শান্তা আক্তার

আপডেট সময় ১১:৫৬:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

এবার ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব শান্তা আক্তার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনে কার্যনির্বাহী সদস্য পদে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। জয়ী ঘোষণার পর হত্যাকাণ্ডের শিকার ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির কথা স্মরণ করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন শান্তা। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, এই জয় কেবল তার ব্যক্তিগত নয়, বরং শহীদ ওসমান বিন হাদির বিশ্বাস ও শেষ ইচ্ছার প্রতিফলন।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) দিনগত মধ্যরাতে জকসু নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর সাংবাদিকদের শান্তা আক্তার এসব কথা জানান। শান্তা বলেন, ‘নির্বাচনের আগে হাদি ভাই আমাকে ফোন করে বলেছিলেন শান্তা জিততে হবে।’ হাদি ভাইয়ের সেদিনের কথাই ছিল আমার লড়াইয়ের মূল অনুপ্রেরণা। এখন আমি কেবল হাদির কবরের পাশে দাঁড়িয়ে বলতে চাই—ভাই, আমি জিতে এসেছি।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর আমি পুরো সময় হাসপাতালেই ছিলাম। এই কারণে আমি শিক্ষার্থীদের কাছে গিয়ে ভোট চাওয়ার সুযোগ পাইনি। তবু শিক্ষার্থীরা আমার পরিচয় এবং বিশ্বাসের ওপর আস্থা রেখেছেন। আমার অনিচ্ছাকৃত সীমাবদ্ধতার পরও শিক্ষার্থীরা আমাকে চিনেছেন এবং ভোটের মাধ্যমে ভালোবাসা দিয়েছেন।’

জয়ের পর শান্তা সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ‘নির্বাচনী চাপের মাঝেও শিক্ষার্থীদের দেওয়া সাহস ও ভালোবাসাই আমাকে এ পর্যন্ত এগিয়ে এনেছে। আমি এখন আরও দৃঢ়ভাবে তাদের অধিকার রক্ষা এবং কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার করছি।’ শান্তা আরও বলেন, ‘এই জয় আমাকে আরও দায়িত্বশীল করেছে। আমি নির্বাচিত হওয়ার পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা, নিরাপত্তা ও কল্যাণে কাজ করব।’