ঢাকা , রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
হুইলচেয়ারে ট্রাইব্যুনালে এসে দীপু মনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন অসুস্থ স্বামী অখণ্ড ভারতের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন এ কে ফজলুল হক: প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পের নৈশভোজে গুলি: আটক সন্দেহভাজনের পরিচয় শনাক্ত মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াতে পারে বাংলাদেশ, পূর্বাভাস আইএমএফ’র ফেসবুকে লেখালেখি নিয়ে কুড়িগ্রামে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষে আহত ৬ বজ্রপাতে ৭ জেলায় ১৪ জন নিহত কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট হত্যার রহস্য উদঘাটন: র‍্যাব এস আলমের আভিভা ফাইন্যান্সে তারেক খানকে প্রশাসক নিয়োগ ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ৬ চাঁদার দাবিতে ফলের দোকানে ভাঙচুর, বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার

এস আলমের আভিভা ফাইন্যান্সে তারেক খানকে প্রশাসক নিয়োগ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:০৫:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

সমস্যাগ্রস্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান আভিভা ফাইন্যান্সে এবার প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগের পরিচালক হাসান তারেক খানকে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

 

রোববার (২৬ এপিল) বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন প্রশাসক হিসেবে হাসান তারেক খানকে নিয়োগের নির্দেশনা জারি করেছে।

 

জানা গেছে, আভিভা ফাইন্যান্সের চেয়ারম্যান ছিলেন এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম মাসুদ। একসময় ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন আর্থিক খাতে আলোচিত প্রশান্ত কুমার হালদার (পি কে হালদার)।

 

মূলত ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর প্রতিষ্ঠানটির পর্ষদ ভেঙে স্বতন্ত্র পরিচালনা পর্ষদ বসায় বাংলাদেশ ব্যাংক। দীর্ঘদিন এমডি না থাকায় প্রতিষ্ঠানটি পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকারের মেয়াদে অনিয়মের কারণে প্রতিষ্ঠানটি বেশির ভাগ ঋণখেলাপি হয়ে পড়েছে। গ্রাহকেরা টাকা ফেরত পাচ্ছেন না। মাঝেমধ্যে গ্রাহকরা প্রতিবাদ করছেন।

 

আভিভা ফাইন্যান্সের স্বতন্ত্র পরিচালক এইচ এম মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘অনেক ঋণগ্রহীতাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে আদায় কম হচ্ছে। দীর্ঘদিন এমডি ছিল না। এখন প্রশাসক দেওয়ায় কার্যক্রম জোরদার হবে।’

 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সমস্যাগ্রস্ত ছয়টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আভিভা ফাইন্যান্সও রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধের পরিকল্পনা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের। যদিও বহুল আলোচিত প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদার ছিলেন রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এবং চেয়ারম্যান ছিলেন এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম। পি কে হালদারের মেয়াদকালে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় লুট হয়ে যায়। ফলে খেলাপি ঋণের হার বেড়ে ৮০ শতাংশেরও বেশি দাঁড়ায়। পি কে হালদার দেশত্যাগ করলে প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তন করে আভিভা ফাইন্যান্স রাখা হয়। তবে নাম পরিবর্তনের পরও এটি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।

 

২০২৪ সালের আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর কয়েকটি ব্যাংক থেকে এস আলম গ্রুপকে সরানোর উদ্যোগ শুরু হলে আভিভা ফাইন্যান্স থেকেও সরে যান সাইফুল আলম। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিষ্ঠানটির পর্ষদ ভেঙে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। পরে নতুন চারজন স্বতন্ত্র পরিচালক দিয়ে পর্ষদ পুনর্গঠন করা হয়।

 

বর্তমানে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মো. গোলাম মোস্তফা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

হুইলচেয়ারে ট্রাইব্যুনালে এসে দীপু মনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন অসুস্থ স্বামী

এস আলমের আভিভা ফাইন্যান্সে তারেক খানকে প্রশাসক নিয়োগ

আপডেট সময় ১০:০৫:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

সমস্যাগ্রস্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান আভিভা ফাইন্যান্সে এবার প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগের পরিচালক হাসান তারেক খানকে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

 

রোববার (২৬ এপিল) বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন প্রশাসক হিসেবে হাসান তারেক খানকে নিয়োগের নির্দেশনা জারি করেছে।

 

জানা গেছে, আভিভা ফাইন্যান্সের চেয়ারম্যান ছিলেন এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম মাসুদ। একসময় ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন আর্থিক খাতে আলোচিত প্রশান্ত কুমার হালদার (পি কে হালদার)।

 

মূলত ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর প্রতিষ্ঠানটির পর্ষদ ভেঙে স্বতন্ত্র পরিচালনা পর্ষদ বসায় বাংলাদেশ ব্যাংক। দীর্ঘদিন এমডি না থাকায় প্রতিষ্ঠানটি পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকারের মেয়াদে অনিয়মের কারণে প্রতিষ্ঠানটি বেশির ভাগ ঋণখেলাপি হয়ে পড়েছে। গ্রাহকেরা টাকা ফেরত পাচ্ছেন না। মাঝেমধ্যে গ্রাহকরা প্রতিবাদ করছেন।

 

আভিভা ফাইন্যান্সের স্বতন্ত্র পরিচালক এইচ এম মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘অনেক ঋণগ্রহীতাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে আদায় কম হচ্ছে। দীর্ঘদিন এমডি ছিল না। এখন প্রশাসক দেওয়ায় কার্যক্রম জোরদার হবে।’

 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সমস্যাগ্রস্ত ছয়টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আভিভা ফাইন্যান্সও রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধের পরিকল্পনা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের। যদিও বহুল আলোচিত প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদার ছিলেন রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এবং চেয়ারম্যান ছিলেন এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম। পি কে হালদারের মেয়াদকালে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় লুট হয়ে যায়। ফলে খেলাপি ঋণের হার বেড়ে ৮০ শতাংশেরও বেশি দাঁড়ায়। পি কে হালদার দেশত্যাগ করলে প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তন করে আভিভা ফাইন্যান্স রাখা হয়। তবে নাম পরিবর্তনের পরও এটি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।

 

২০২৪ সালের আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর কয়েকটি ব্যাংক থেকে এস আলম গ্রুপকে সরানোর উদ্যোগ শুরু হলে আভিভা ফাইন্যান্স থেকেও সরে যান সাইফুল আলম। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিষ্ঠানটির পর্ষদ ভেঙে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। পরে নতুন চারজন স্বতন্ত্র পরিচালক দিয়ে পর্ষদ পুনর্গঠন করা হয়।

 

বর্তমানে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মো. গোলাম মোস্তফা।