ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির অভিযোগ ‘এনসিপিতে ওপেন সিক্রেট’: রাশেদ খান আদালত কক্ষে আইনজীবীর সাথে বিরিয়ানি খেয়ে কারাগারে গেলেন সাহেদ আসিফের নিজ উপজেলাতেই ৪৫৩ কোটি, ২৪০০ কোটি টাকার প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় জ্বালানি খাতকে পঙ্গু করে রাখা হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী বিএনপির দুগ্রুপের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র ফেনী ‘যাহা বলিতেছি, সত্য বলিতেছি’- সারের মজুত নিয়ে সংসদে কৃষিমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুদককে ক্ষমা চাইতে হবে: আসিফ মাহমুদ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বজয়ীদের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়ার দাবি জামায়াত এমপির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুদককে ক্ষমা চাইতে হবে: আসিফ মাহমুদ মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি, যুবক আটক, এলাকায় উত্তেজনা

অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাচন দেওয়ার শর্ত ছিল না: উপদেষ্টা সাখাওয়াত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৮৬৪ বার পড়া হয়েছে

এবার দায়িত্ব নেওয়ার সময় অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাচন দেওয়ার কোনো শর্ত ছিল না বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। আজ সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক বছরের অর্জন ও সাফল্য নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আপনি সন্তুষ্ট কি না, জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, এখন যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি তাতে রাজনৈতিক দলগুলো জানে না তারা কি করবে তাদের ভবিষ্যৎ কি? কোথায় কে কোন দিকে যাচ্ছে। এটা কি বাংলাদেশে নতুন? তথাকথিত ওয়ান/ইলেভেনের পরে হয়নি? হয়েছিল নাকি হয়নি? আমরা কিন্তু এ নিয়েই বেঁচে আছি। পার্টিতে পার্টিতে কি দাঙ্গা হচ্ছে? দলগুলোর মধ্যে মুখে মুখে কথা হচ্ছে। আমরা কথা বলার জাতি, কথা না বলে থাকতে পারি না।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক ক্যাওয়াজ তখন বলবো যখন সরকার একদিকে আর রাজনৈতিক দলগুলো একদিকে থাকবে। আমাদের কেউ গলা ধাক্কা দিয়ে বলেছে নাকি যে, নির্বাচন দিতে হবে তোমাকে এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে। যখন এই সরকার আসে তখন কি এরকম কোনো শর্ত ছিল? শর্ত ছিল না। আমরাই বললাম যে, ইলেকশন হবে। সেই নির্বাচনের পরিপ্রেক্ষিতে যদি রাজনৈতিক দলের দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়, সেটাতে তো সরকার হস্তক্ষেপ করতে পারে না। তাহলে সিচুয়েশনটা খারাপ কোথায়, সেটা আমি বোঝার চেষ্টা করছি।

নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেটা তো নির্বাচন কমিশন বলতে পারবে। আপনি তো দীর্ঘদিন নির্বাচন কমিশনে কাজ করেছেন, দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, আমি ভুলে গেছি। নির্বাচন নিয়ে আমার কাছে বলার মতো কিছু নেই। আমি নির্বাচন নিয়ে অজ্ঞ, কোনো আইডিয়া নেই। এটা নির্বাচন কমিশন বলতে পারবে।

আমরা যেখানে গেছি সেখানেই বলেছি নির্বাচন সময়মতো হবে। আমি বললাম না আমাদের কেউ ঘাড় ধরে বলেছে? নির্বাচন করতে হবে তোমাকে, এত তারিখের মধ্যে? আমরা যখন ৮ আগস্ট আসি তখন তো আমাদের কেউ ম্যান্ডেট দেয়নি যে ভাই আপনাকে এক/দেড়/দুই বছরের মাথায় নির্বাচন দিতে হবে। তখন তো কিছুই ছিল না, ব্ল্যাংক। উপদেষ্টা বলেন, তবে দেশে একটা নির্বাচন হওয়া উচিত, নির্বাচিত সরকার আসা উচিত। ইউনিভার্সেল ডেমোক্রেটিক প্রসেসটা স্ট্যাবলিস্ট হওয়া উচিত। গত ১৭-১৮ বছর ডেমোক্রেটিক প্রসেস স্ট্যাবলিস্ট হতে দেখিনি। আমরা যদি সেটা করতে পারি, সেটা আমাদের বড় ক্রেডিট।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির অভিযোগ ‘এনসিপিতে ওপেন সিক্রেট’: রাশেদ খান

অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাচন দেওয়ার শর্ত ছিল না: উপদেষ্টা সাখাওয়াত

আপডেট সময় ০৩:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার দায়িত্ব নেওয়ার সময় অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাচন দেওয়ার কোনো শর্ত ছিল না বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। আজ সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক বছরের অর্জন ও সাফল্য নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আপনি সন্তুষ্ট কি না, জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, এখন যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি তাতে রাজনৈতিক দলগুলো জানে না তারা কি করবে তাদের ভবিষ্যৎ কি? কোথায় কে কোন দিকে যাচ্ছে। এটা কি বাংলাদেশে নতুন? তথাকথিত ওয়ান/ইলেভেনের পরে হয়নি? হয়েছিল নাকি হয়নি? আমরা কিন্তু এ নিয়েই বেঁচে আছি। পার্টিতে পার্টিতে কি দাঙ্গা হচ্ছে? দলগুলোর মধ্যে মুখে মুখে কথা হচ্ছে। আমরা কথা বলার জাতি, কথা না বলে থাকতে পারি না।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক ক্যাওয়াজ তখন বলবো যখন সরকার একদিকে আর রাজনৈতিক দলগুলো একদিকে থাকবে। আমাদের কেউ গলা ধাক্কা দিয়ে বলেছে নাকি যে, নির্বাচন দিতে হবে তোমাকে এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে। যখন এই সরকার আসে তখন কি এরকম কোনো শর্ত ছিল? শর্ত ছিল না। আমরাই বললাম যে, ইলেকশন হবে। সেই নির্বাচনের পরিপ্রেক্ষিতে যদি রাজনৈতিক দলের দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়, সেটাতে তো সরকার হস্তক্ষেপ করতে পারে না। তাহলে সিচুয়েশনটা খারাপ কোথায়, সেটা আমি বোঝার চেষ্টা করছি।

নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেটা তো নির্বাচন কমিশন বলতে পারবে। আপনি তো দীর্ঘদিন নির্বাচন কমিশনে কাজ করেছেন, দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, আমি ভুলে গেছি। নির্বাচন নিয়ে আমার কাছে বলার মতো কিছু নেই। আমি নির্বাচন নিয়ে অজ্ঞ, কোনো আইডিয়া নেই। এটা নির্বাচন কমিশন বলতে পারবে।

আমরা যেখানে গেছি সেখানেই বলেছি নির্বাচন সময়মতো হবে। আমি বললাম না আমাদের কেউ ঘাড় ধরে বলেছে? নির্বাচন করতে হবে তোমাকে, এত তারিখের মধ্যে? আমরা যখন ৮ আগস্ট আসি তখন তো আমাদের কেউ ম্যান্ডেট দেয়নি যে ভাই আপনাকে এক/দেড়/দুই বছরের মাথায় নির্বাচন দিতে হবে। তখন তো কিছুই ছিল না, ব্ল্যাংক। উপদেষ্টা বলেন, তবে দেশে একটা নির্বাচন হওয়া উচিত, নির্বাচিত সরকার আসা উচিত। ইউনিভার্সেল ডেমোক্রেটিক প্রসেসটা স্ট্যাবলিস্ট হওয়া উচিত। গত ১৭-১৮ বছর ডেমোক্রেটিক প্রসেস স্ট্যাবলিস্ট হতে দেখিনি। আমরা যদি সেটা করতে পারি, সেটা আমাদের বড় ক্রেডিট।