ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ময়মনসিংহ-১০ আসনে বৈধতা ফিরল স্বতন্ত্র প্রার্থী মুশফিকুর রহমানের মাগুরা থেকেই নির্বাচন করতে চান সাকিব! নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলি, ভাঙচুর ঋণখেলাপি: হাসনাতের আসনে নির্বাচন করতে পারছেন না বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী গ্রেপ্তারের তিনদিনে বিচার শেষ, আজ হবে সোলতানির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর জুলাই সনদ আমরা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করব: সালাহউদ্দিন আহমদ ইরানে বিক্ষোভ থেকে গ্রেপ্তারদের দ্রুত বিচারের অঙ্গীকার প্রধান বিচারপতির তুরস্কের সামরিক শক্তি-সৌদির অর্থ-পাকিস্তানের পারমাণবিক মিলিয়ে আসছে ‘ইসলামিক ন্যাটো’ মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই: মির্জা আব্বাস সাহস থাকলে আইনের মুখোমুখি হক, বিদেশ থেকে হুমকির কোনো ভ্যালু নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাচন দেওয়ার শর্ত ছিল না: উপদেষ্টা সাখাওয়াত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৭২৭ বার পড়া হয়েছে

এবার দায়িত্ব নেওয়ার সময় অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাচন দেওয়ার কোনো শর্ত ছিল না বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। আজ সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক বছরের অর্জন ও সাফল্য নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আপনি সন্তুষ্ট কি না, জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, এখন যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি তাতে রাজনৈতিক দলগুলো জানে না তারা কি করবে তাদের ভবিষ্যৎ কি? কোথায় কে কোন দিকে যাচ্ছে। এটা কি বাংলাদেশে নতুন? তথাকথিত ওয়ান/ইলেভেনের পরে হয়নি? হয়েছিল নাকি হয়নি? আমরা কিন্তু এ নিয়েই বেঁচে আছি। পার্টিতে পার্টিতে কি দাঙ্গা হচ্ছে? দলগুলোর মধ্যে মুখে মুখে কথা হচ্ছে। আমরা কথা বলার জাতি, কথা না বলে থাকতে পারি না।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক ক্যাওয়াজ তখন বলবো যখন সরকার একদিকে আর রাজনৈতিক দলগুলো একদিকে থাকবে। আমাদের কেউ গলা ধাক্কা দিয়ে বলেছে নাকি যে, নির্বাচন দিতে হবে তোমাকে এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে। যখন এই সরকার আসে তখন কি এরকম কোনো শর্ত ছিল? শর্ত ছিল না। আমরাই বললাম যে, ইলেকশন হবে। সেই নির্বাচনের পরিপ্রেক্ষিতে যদি রাজনৈতিক দলের দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়, সেটাতে তো সরকার হস্তক্ষেপ করতে পারে না। তাহলে সিচুয়েশনটা খারাপ কোথায়, সেটা আমি বোঝার চেষ্টা করছি।

নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেটা তো নির্বাচন কমিশন বলতে পারবে। আপনি তো দীর্ঘদিন নির্বাচন কমিশনে কাজ করেছেন, দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, আমি ভুলে গেছি। নির্বাচন নিয়ে আমার কাছে বলার মতো কিছু নেই। আমি নির্বাচন নিয়ে অজ্ঞ, কোনো আইডিয়া নেই। এটা নির্বাচন কমিশন বলতে পারবে।

আমরা যেখানে গেছি সেখানেই বলেছি নির্বাচন সময়মতো হবে। আমি বললাম না আমাদের কেউ ঘাড় ধরে বলেছে? নির্বাচন করতে হবে তোমাকে, এত তারিখের মধ্যে? আমরা যখন ৮ আগস্ট আসি তখন তো আমাদের কেউ ম্যান্ডেট দেয়নি যে ভাই আপনাকে এক/দেড়/দুই বছরের মাথায় নির্বাচন দিতে হবে। তখন তো কিছুই ছিল না, ব্ল্যাংক। উপদেষ্টা বলেন, তবে দেশে একটা নির্বাচন হওয়া উচিত, নির্বাচিত সরকার আসা উচিত। ইউনিভার্সেল ডেমোক্রেটিক প্রসেসটা স্ট্যাবলিস্ট হওয়া উচিত। গত ১৭-১৮ বছর ডেমোক্রেটিক প্রসেস স্ট্যাবলিস্ট হতে দেখিনি। আমরা যদি সেটা করতে পারি, সেটা আমাদের বড় ক্রেডিট।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ময়মনসিংহ-১০ আসনে বৈধতা ফিরল স্বতন্ত্র প্রার্থী মুশফিকুর রহমানের

অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাচন দেওয়ার শর্ত ছিল না: উপদেষ্টা সাখাওয়াত

আপডেট সময় ০৩:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার দায়িত্ব নেওয়ার সময় অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাচন দেওয়ার কোনো শর্ত ছিল না বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। আজ সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক বছরের অর্জন ও সাফল্য নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আপনি সন্তুষ্ট কি না, জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, এখন যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি তাতে রাজনৈতিক দলগুলো জানে না তারা কি করবে তাদের ভবিষ্যৎ কি? কোথায় কে কোন দিকে যাচ্ছে। এটা কি বাংলাদেশে নতুন? তথাকথিত ওয়ান/ইলেভেনের পরে হয়নি? হয়েছিল নাকি হয়নি? আমরা কিন্তু এ নিয়েই বেঁচে আছি। পার্টিতে পার্টিতে কি দাঙ্গা হচ্ছে? দলগুলোর মধ্যে মুখে মুখে কথা হচ্ছে। আমরা কথা বলার জাতি, কথা না বলে থাকতে পারি না।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক ক্যাওয়াজ তখন বলবো যখন সরকার একদিকে আর রাজনৈতিক দলগুলো একদিকে থাকবে। আমাদের কেউ গলা ধাক্কা দিয়ে বলেছে নাকি যে, নির্বাচন দিতে হবে তোমাকে এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে। যখন এই সরকার আসে তখন কি এরকম কোনো শর্ত ছিল? শর্ত ছিল না। আমরাই বললাম যে, ইলেকশন হবে। সেই নির্বাচনের পরিপ্রেক্ষিতে যদি রাজনৈতিক দলের দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়, সেটাতে তো সরকার হস্তক্ষেপ করতে পারে না। তাহলে সিচুয়েশনটা খারাপ কোথায়, সেটা আমি বোঝার চেষ্টা করছি।

নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেটা তো নির্বাচন কমিশন বলতে পারবে। আপনি তো দীর্ঘদিন নির্বাচন কমিশনে কাজ করেছেন, দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, আমি ভুলে গেছি। নির্বাচন নিয়ে আমার কাছে বলার মতো কিছু নেই। আমি নির্বাচন নিয়ে অজ্ঞ, কোনো আইডিয়া নেই। এটা নির্বাচন কমিশন বলতে পারবে।

আমরা যেখানে গেছি সেখানেই বলেছি নির্বাচন সময়মতো হবে। আমি বললাম না আমাদের কেউ ঘাড় ধরে বলেছে? নির্বাচন করতে হবে তোমাকে, এত তারিখের মধ্যে? আমরা যখন ৮ আগস্ট আসি তখন তো আমাদের কেউ ম্যান্ডেট দেয়নি যে ভাই আপনাকে এক/দেড়/দুই বছরের মাথায় নির্বাচন দিতে হবে। তখন তো কিছুই ছিল না, ব্ল্যাংক। উপদেষ্টা বলেন, তবে দেশে একটা নির্বাচন হওয়া উচিত, নির্বাচিত সরকার আসা উচিত। ইউনিভার্সেল ডেমোক্রেটিক প্রসেসটা স্ট্যাবলিস্ট হওয়া উচিত। গত ১৭-১৮ বছর ডেমোক্রেটিক প্রসেস স্ট্যাবলিস্ট হতে দেখিনি। আমরা যদি সেটা করতে পারি, সেটা আমাদের বড় ক্রেডিট।