ঢাকা , শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাইফা সেরা উদ্যোক্তা ২০২৬ এওয়ার্ড পেলেন আহমেদ বিন সজিব ভারতে কোনো ধর্ম বা গোষ্ঠীকে টার্গেট না করার আহ্বান জামায়াত আমিরের কোনো ধর্মকে টার্গেট করে ক্ষতি না করার বিষয়ে ভারত সরকারকে আহ্বান জানাবো: জামায়াত আমির রাজনীতির নামে ধর্মীয় ভণ্ডামি কখনোই নতুন রাজনীতি হতে পারেনা: পাটওয়ারীকে রাশেদ গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিজিবি সদস্যসহ ঝরল ৪ প্রাণ সরকার গণভোটের রায় নিয়ে প্রতারণা করছে: গোলাম পরওয়ার গাজীপুরে পাঁচ খুন: স্ত্রী-সন্তানদের হত্যা করে স্বজনকে ফোন ফুরকানের রড-সিমেন্ট নয়, শিক্ষাই হবে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের মূল ভিত্তি: শিক্ষামন্ত্রী জুলাই সনদ ইস্যুতে বিএনপি ছলচাতুরী করছে: নাহিদ ইসলাম

‘মাইলস্টোনের দগ্ধ শিশুদের চিকিৎসায় ডা. সামন্ত লালকে আসতে দেয়নি ইউনূস সরকার’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:২৫:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি চিকিৎসার পথিকৃৎ ও পুরোধা ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন। দেশের প্লাস্টিক সার্জারি চিকিৎসার বিকাশ ও আধুনিকায়নে তার রয়েছে অসামান্য অবদান। তবে মাইলস্টোনের দগ্ধ শিশুদের চিকিৎসায় ডা. সামন্ত লালকে ইউনূস সরকার আসতে দেয়নি বলে জানা গেছে। সম্প্রতিঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীনঅনুষ্ঠানে এ কথা জানান চট্টগ্রাম (রাঙ্গুনিয়া) আসনের সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় একটা বড় ডিজাস্টার হয়েছিল। আমাদের ট্রেনিং ফাইটার ট্রেনিং জেট ক্রাশ করেছিল মাইলস্টোন স্কুলের মধ্যে। ওই ঘটনাটা যখন ঘটেছিল প্রথম কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সবাই ছুটাছুটি করছিল যে এটাকে কীভাবে ট্যাকেল করা যায়। প্রথমে আগুন নেভাতে হবে। হাসপাতাল নিতে হবে। বার্ন ইউনিট অর্গানাইজ করতে হবে। অনেক ধরনের অনেক মানুষ অনেক ধরনের চেষ্টা করেছিল, আমাদের দলের থেকেও অনেক মানুষ গিয়েছিল সাহায্য করার জন্য।

হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেন, একজন ব্যক্তির ব্যাপারে আমি আজকে বলতে চাই। এটার জন্য হয়ত আমাকে পরে অনেক গালি খেতে হবে। কিন্তু সৎ সাহস নিয়ে কথাটা বলছি, আমাদের এক্স একজন ডাক্তার ছিলেন, উনি বোধহয় পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের সময় মন্ত্রীও ছিলেন, উনাকে সবাই চেনেন। ডা. সামন্ত লাল সেনকে। তাকে সবাই গুরু হিসেবে চেনেন ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট আর বার্ন ইউনিটের জন্য। প্রথম বোধহয় বার্ন ইউনিট উনি অর্গানাইজ করেছিলেন বাংলাদেশে।

তিনি বলেন, ডা. সামন্ত লাল সেনের তরফ থেকেও মাইলস্টোনের ঘটনায় সাহায্যের হাত বাড়ানো হয়েছিল। আর এই জিনিসটার মধ্যে আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে জড়িত ছিলাম। এজন্য আমি জানি। উনি বলেছিলেন, আমি জানি যে একটা বিশাল দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমি সহযোগিতা করতে চাই। যেভাবেই হোক না কেন আমি সহযোগিতা করতে চাই। আমি এই মেসেজটা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার সাড়া দিল না। সাহায্য নিল না। আমি জানি না, সাহায্য নিলে হয়ত কয়েকটা জান বেঁচে যেত। কিন্তু উনারা নেননি। আমি আবারও বলছি, এটা ঘাড়ত্যারামি। বলেছি তো বলেছি, করব না। এই ধরনের অনেক ঘটনা আছে, যেখানে উনাদের একগুঁয়েমির কারণে আমাদেরকে বর্তমানে অনেক জায়গায় ভুগতে হচ্ছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাইফা সেরা উদ্যোক্তা ২০২৬ এওয়ার্ড পেলেন আহমেদ বিন সজিব

‘মাইলস্টোনের দগ্ধ শিশুদের চিকিৎসায় ডা. সামন্ত লালকে আসতে দেয়নি ইউনূস সরকার’

আপডেট সময় ১২:২৫:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

বাংলাদেশে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি চিকিৎসার পথিকৃৎ ও পুরোধা ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন। দেশের প্লাস্টিক সার্জারি চিকিৎসার বিকাশ ও আধুনিকায়নে তার রয়েছে অসামান্য অবদান। তবে মাইলস্টোনের দগ্ধ শিশুদের চিকিৎসায় ডা. সামন্ত লালকে ইউনূস সরকার আসতে দেয়নি বলে জানা গেছে। সম্প্রতিঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীনঅনুষ্ঠানে এ কথা জানান চট্টগ্রাম (রাঙ্গুনিয়া) আসনের সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় একটা বড় ডিজাস্টার হয়েছিল। আমাদের ট্রেনিং ফাইটার ট্রেনিং জেট ক্রাশ করেছিল মাইলস্টোন স্কুলের মধ্যে। ওই ঘটনাটা যখন ঘটেছিল প্রথম কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সবাই ছুটাছুটি করছিল যে এটাকে কীভাবে ট্যাকেল করা যায়। প্রথমে আগুন নেভাতে হবে। হাসপাতাল নিতে হবে। বার্ন ইউনিট অর্গানাইজ করতে হবে। অনেক ধরনের অনেক মানুষ অনেক ধরনের চেষ্টা করেছিল, আমাদের দলের থেকেও অনেক মানুষ গিয়েছিল সাহায্য করার জন্য।

হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেন, একজন ব্যক্তির ব্যাপারে আমি আজকে বলতে চাই। এটার জন্য হয়ত আমাকে পরে অনেক গালি খেতে হবে। কিন্তু সৎ সাহস নিয়ে কথাটা বলছি, আমাদের এক্স একজন ডাক্তার ছিলেন, উনি বোধহয় পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের সময় মন্ত্রীও ছিলেন, উনাকে সবাই চেনেন। ডা. সামন্ত লাল সেনকে। তাকে সবাই গুরু হিসেবে চেনেন ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট আর বার্ন ইউনিটের জন্য। প্রথম বোধহয় বার্ন ইউনিট উনি অর্গানাইজ করেছিলেন বাংলাদেশে।

তিনি বলেন, ডা. সামন্ত লাল সেনের তরফ থেকেও মাইলস্টোনের ঘটনায় সাহায্যের হাত বাড়ানো হয়েছিল। আর এই জিনিসটার মধ্যে আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে জড়িত ছিলাম। এজন্য আমি জানি। উনি বলেছিলেন, আমি জানি যে একটা বিশাল দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমি সহযোগিতা করতে চাই। যেভাবেই হোক না কেন আমি সহযোগিতা করতে চাই। আমি এই মেসেজটা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার সাড়া দিল না। সাহায্য নিল না। আমি জানি না, সাহায্য নিলে হয়ত কয়েকটা জান বেঁচে যেত। কিন্তু উনারা নেননি। আমি আবারও বলছি, এটা ঘাড়ত্যারামি। বলেছি তো বলেছি, করব না। এই ধরনের অনেক ঘটনা আছে, যেখানে উনাদের একগুঁয়েমির কারণে আমাদেরকে বর্তমানে অনেক জায়গায় ভুগতে হচ্ছে।