ঢাকা , শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বেনজীরকে ফেরাতে ইউএইর জবাবের অপেক্ষায় বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিকাশ দোকানে ডাকাতি: প্রধান আসামি মামুন গ্রেফতার মেসির প্রশংসায় বিনয়ী মেদিনা, বললেন—‘অধিনায়কের জন্য জীবন দিতেও প্রস্তুত’ অপারেশন সিঁদুর: নিহত সেনাদের তালিকা প্রকাশ ভারতের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ-মিয়ানমার আলোচনায় পাশে থাকবে চীন শাহজালাল (র.) মাজারের দানের অর্থে স্বচ্ছতা আনতে কমিটি, এক মাসের মধ্যে সুপারিশ সরকারি হাসপাতালে সন্তান জন্ম দিলেই মিলবে এক গ্রাম সোনার আংটি, ব্যতিক্রমী উদ্যোগে আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী বিজয় হরমুজ প্রণালি থেকে বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলার আয় করবে ইরান নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে ফেলে হত্যা, ভাইরাল ভিডিওতে তোলপাড় মাদক নির্মূলে ব্যবস্থা না নিলে এমপি পদ ছাড়ব, গোলাবাড়িতে ১০ হাজার মানুষ নিয়ে লংমার্চের হুঁশিয়ারি

কোনো বাপের বেটার ক্ষমতা নেই এখানে কিছু করার: এসপি মাসুদ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:০১:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • ১৭৪ বার পড়া হয়েছে

এবার চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার এক সময়ের আতঙ্কের জনপদ জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগর এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে এবং সন্ত্রাসীদের দমন করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে জেলা পুলিশ। শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে এলাকাটি পরিদর্শনকালে সদ্য যোগদান করা চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম স্থানীয়দের অভয় দিয়ে বলেছেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সবসময় পাশে থাকবে।

পরিদর্শনকালে স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপকালে এসপি মাসুদ আলম সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, “আপনারা সহযোগিতা করলে কোনো বাপের বেটার ক্ষমতা নেই এখানে কিছু করার।তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে জঙ্গল সলিমপুরের মানুষ এখন থেকে কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই বসবাস এবং চলাফেরা করতে পারবেন। এলাকায় যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা বাঅ্যাকশনঅব্যাহত থাকবে। সরকারি উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে পুলিশ প্রয়োজনীয় সব ধরণের সহায়তা প্রদান করবে। পুলিশের লক্ষ্য হলো জঙ্গল সলিমপুরে এমন একটি পরিবেশ বজায় রাখা, যেখানে সবাই সবার মতো করে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এক সময়ের অপরাধের স্বর্গরাজ্য হিসেবে পরিচিত জঙ্গল সলিমপুর এখন অনেকটাই শান্ত হয়ে উঠেছে। দীর্ঘ কয়েক বছরের ব্যর্থতার পর গত ৯ মার্চ ৩ হাজার ১৮৩ জন সদস্যের একটি বিশাল যৌথ অভিযানের মাধ্যমে পুরো এলাকাটি প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে আসে। বর্তমানে এই জনপদকে আস্থার জায়গায় নিয়ে আসতে কাজ করছে প্রশাসন।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় বর্তমানে দুটি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এস এম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ক্যাম্প: এখানে প্রায় ১৩০ জন পুলিশ সদস্য সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। আলীনগর উচ্চ বিদ্যালয় ক্যাম্প: এখানে র‌্যাব, পুলিশ ও এপিবিএন মিলিয়ে প্রায় ২৩০ জন সদস্য অবস্থান করছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বেনজীরকে ফেরাতে ইউএইর জবাবের অপেক্ষায় বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কোনো বাপের বেটার ক্ষমতা নেই এখানে কিছু করার: এসপি মাসুদ

আপডেট সময় ১০:০১:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

এবার চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার এক সময়ের আতঙ্কের জনপদ জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগর এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে এবং সন্ত্রাসীদের দমন করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে জেলা পুলিশ। শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে এলাকাটি পরিদর্শনকালে সদ্য যোগদান করা চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম স্থানীয়দের অভয় দিয়ে বলেছেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সবসময় পাশে থাকবে।

পরিদর্শনকালে স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপকালে এসপি মাসুদ আলম সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, “আপনারা সহযোগিতা করলে কোনো বাপের বেটার ক্ষমতা নেই এখানে কিছু করার।তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে জঙ্গল সলিমপুরের মানুষ এখন থেকে কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই বসবাস এবং চলাফেরা করতে পারবেন। এলাকায় যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা বাঅ্যাকশনঅব্যাহত থাকবে। সরকারি উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে পুলিশ প্রয়োজনীয় সব ধরণের সহায়তা প্রদান করবে। পুলিশের লক্ষ্য হলো জঙ্গল সলিমপুরে এমন একটি পরিবেশ বজায় রাখা, যেখানে সবাই সবার মতো করে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এক সময়ের অপরাধের স্বর্গরাজ্য হিসেবে পরিচিত জঙ্গল সলিমপুর এখন অনেকটাই শান্ত হয়ে উঠেছে। দীর্ঘ কয়েক বছরের ব্যর্থতার পর গত ৯ মার্চ ৩ হাজার ১৮৩ জন সদস্যের একটি বিশাল যৌথ অভিযানের মাধ্যমে পুরো এলাকাটি প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে আসে। বর্তমানে এই জনপদকে আস্থার জায়গায় নিয়ে আসতে কাজ করছে প্রশাসন।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় বর্তমানে দুটি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এস এম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ক্যাম্প: এখানে প্রায় ১৩০ জন পুলিশ সদস্য সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। আলীনগর উচ্চ বিদ্যালয় ক্যাম্প: এখানে র‌্যাব, পুলিশ ও এপিবিএন মিলিয়ে প্রায় ২৩০ জন সদস্য অবস্থান করছেন।